ক্যাম্পাস
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে খুবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দৃশ্য

কল্পনা করুন, একজন ছাত্র লাইব্রেরিতে ঢুকে জিজ্ঞেস করছে, "লাইব্রেরিতে কি আমার প্রয়োজনীয় বইটি আছে?" কয়েক বছর আগেও উত্তর খুঁজে পেতে ঘন্টার পর ঘন্টা লেগে যেত। আজ সে তার স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করে সেকেন্ডের মধ্যে একটি কম্পিউটার অনুসন্ধানের মাধ্যমে বইটি ঠিক কোথায় আছে তা খুঁজে বের করে। একসময় যা কেবল বই দেখার জায়গা ছিল তা এখন একটি ডিজিটাল হাবে পরিণত হয়েছে যেখানে প্রযুক্তি এবং শিক্ষার সমন্বয় হয়েছে। এই রূপান্তরটি শুরু হয়েছিল একটি সহজ ধারণা থেকে, যা শিক্ষার্থীদের জীবনকে আরও আরামদায়ক করে তুলেছে।
একটি কার্ড, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর আপনার যা যা প্রয়োজন আপনি এই লাইব্রেরি কার্ডে পাবেন। কিন্তু এটি কেবল কোনও কার্ড নয়। এটি একটি স্মার্ট কার্ড যার ভিতরে একটি ছোট কম্পিউটার চিপ থাকে যা আধুনিক ক্রেডিট কার্ডে ব্যবহৃত প্রযুক্তির অনুরূপ। এই কার্ড আপনাকে পুরো ক্যাম্পাসের সাথে সংযুক্ত করে। আপনি লাইব্রেরি থেকে বই ধার করতে পারেন, চিকিৎসা কেন্দ্র পরিদর্শন করতে পারেন এবং এমনকি ক্যাম্পাসে প্রবেশের জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। সবচেয়ে ভালো দিক হল বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রায় বিনামূল্যে কার্ডটি সরবরাহ করে। শুধু স্নাতক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য ৮০০ টাকা করে একটি ছোট জামানত দিতে হয় যা স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর আপনি ফেরত পাবেন।
বই খোঁজা এখন খুবই সহজ। মনে আছে বই খুঁজে পেতে লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়াতে হত? সেই দিনগুলি শেষ। লাইব্রেরিতে এখন OPAC (অনলাইন পাবলিক অ্যাক্সেস ক্যাটালগ) নামে একটি স্মার্ট কম্পিউটার সিস্টেম রয়েছে, যদিও আপনাকে এটি মনে রাখতে হবে না। OPAC এর মাধ্যমে, আপনি যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো বই অনুসন্ধান করতে পারেন, এমনকি আপনার ডাইনিং রুম থেকেও। এটি কীভাবে কাজ করে ? প্রথমে, বইটির নাম টাইপ করুন। তারপর সিস্টেমটি আপনাকে বলে দেবে যে লাইব্রেরিতে বইটি আছে কিনা। এটি আপনাকে বইটি শেল্ফের ঠিক কোথায় আছে শেল্ফ নম্বর সহ তা দেখায়। অন্য কেউ ইতিমধ্যে এটি ধার করেছে কিনা তাও বলে দেবে। আর ঘুরাঘুরি করতে হবে না। শুধু খুঁজুন, খুঁজে বের করুন এবং সরাসরি বইয়ের কাছে যান, এটা খুবই সহজ।
লাইব্রেরি বন্ধ থাকলেও আপনি বই ফেরত দিতে পারবেন। কখনও কখনও আপনাকে গভীর রাতে বই ফেরত দিতে হয়, অথবা ছুটির জন্য লাইব্রেরি বন্ধ থাকতে পারে। আপনার কী করা উচিত? খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী কর্তৃপক্ষ একটি সমাধান নিয়ে এসেছেন। তারা লাইব্রেরির প্রবেশপথের ঠিক বাইরে একটি স্বয়ংক্রিয় ড্রপ বক্স স্থাপন করেছেন। এতে বিশেষ প্রযুক্তি রয়েছে যা আপনার বইয়ের চিপটি পড়ে। আপনি বইটি ড্রপবক্সের ভিতরে ফেলে দিলে মেশিনটি এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রহণ করে ও বইটি সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত হিসাবে চিহ্নিত হয়। কোন বিলম্ব ফির চাপ নেই। এটি বছরের প্রতিটি দিন ২৪ ঘন্টা কাজ করে।
লাইব্রেরির ভিতরে সেলফ-ইস্যু এবং রিটার্ন স্টেশন আছে যার মাধ্যমে কারও সাথে কথা না বলেই বই চেক আউট করতে এবং ফেরত দিতে পারবেন। কেবল আপনার কার্ড স্ক্যান করুন, আপনার বইটি নিন বা জমা দিন, আপনার কাজ শেষ। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির প্রতিটি বইয়ের পিছনের কভারে একটি ছোট কম্পিউটার চিপ থাকে, যাকে RFID চিপ বলা হয়, যা পিছনের কভারে এমবেড করা থাকে। এই চিপগুলি বইগুলিকে নিরাপদ রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি কেউ সঠিকভাবে বই জমা না দিয়ে বই নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে লাইব্রেরির গেটে জোরে অ্যালার্ম বেজে উঠবে । এই ব্যবস্থাটি বই সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে নিরাপদ করে এবং লাইব্রেরিতে প্রতিটি বই কোথায় আছে তা ট্র্যাক করতে সাহায্য করে। বই ধার করার নিয়ম খুবই সহজ এবং ন্যায্য। শিক্ষার্থীদের তিন সপ্তাহের জন্য একবারে সর্বোচ্চ তিনটি বই ধার দেওয়া হয়। যদি আপনি সময়মতো ফেরত না দেন, তাহলে আপনাকে প্রতিদিন ২ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারটি জ্ঞানচর্চার একটি সমৃদ্ধ ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত।গ্রন্থাগারটি বর্তমানে এক ডিজিটাল হাবে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এই গ্রন্থাগারে ৫৩ হাজারেরও বেশি বই ছাড়াও থিসিস, গবেষণাপত্র, জার্নাল ও অন্যান্য একাডেমিক উপকরণ সংরক্ষিত রয়েছে, যা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমকে বহুগুণে সহায়তা করছে। বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের থিসিস, দেশি-বিদেশি গবেষণা জার্নাল এবং গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স সামগ্রী এখানে সহজেই পাওয়া যায়। ফলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যসূচির বাইরেও অতিরিক্ত জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে এবং গবেষকরা মানসম্মত গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ এক জায়গা থেকেই সংগ্রহ করতে পারছেন। শান্ত ও সুশৃঙ্খল এই গ্রন্থাগারটি এখন কেবল একটি তথ্যের আধার নয়, বরং এটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিফলন।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা যে গবেষণাপত্র তৈরি করে সেগুলি সম্পর্কে ভাবুন। এই সবকিছুর কী হবে? প্রায়শই তা লাইব্রেরীর কোন আলমারিতে পড়ে থাকে । আর না। লাইব্রেরি বর্তমানে ডি-স্পেস নামে একটি ডিজিটাল লাইব্রেরি সিস্টেম তৈরি করছে। একবার সম্পন্ন হলে, লাইব্রেরির গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিভিন্ন থিসিস পেপার স্ক্যান করে আপলোড করা হবে। ব্যবহারকারীরা বিষয় অনুসারে গবেষণাপত্র অনুসন্ধান করতে পারবেন এবং যেকোনো বছরের গবেষণাপত্র অ্যাক্সেস করতে পারবেন। এই সিস্টেমের মূল লক্ষ্য হল প্রতিটি গবেষণায় নতুন প্রাণ দেওয়া যাতে কয়েক বছর আগের একটি দুর্দান্ত পরিকল্পনা আজকের নতুন শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। এছাড়াও, লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য প্রায় ৪০টি কম্পিউটার আছে।
এই কম্পিউটারগুলি বই অনুসন্ধান, অ্যাসাইনমেন্ট এবং অনলাইন গবেষণার জন্য ব্যবহার করা হয়।এই কম্পিউটারগুলি থেকে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মূল্যবান গবেষণা জার্নাল এবং ম্যাগাজিন যেমন JSTOR, Emerald ইত্যাদি বিনামূল্যে অ্যাক্সেস পায়। এই জার্নাল বা ম্যাগাজিন এর ক্রয়মূল্য সাধারণত অনেক বেশি, কখনও কখনও একজন শিক্ষার্থীর পুরো বছরের টিউশন ফির চেয়েও বেশি। এমনকি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও প্রায়শই লাইনে দাঁড়াতে হয় বা টাকা খরচ করে সেগুলি পড়াতে হয়। কিন্তু খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির কম্পিউটার গুলোতে জার্নাল বা ম্যাগাজিনগুলো বিনামূল্যে অনলাইন কপি পড়া যায়।
লাইব্রেরি ভবনটি বর্তমানে সংস্কার কাজের আওতায় রয়েছে । ভবনের তৃতীয় তলাটি বিভিন্ন ব্লকে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে "সাইলেন্ট ব্লক" নামে একটি ব্লক করা হয়েছে যেখানে মনোযোগের সাথে গভীর চিন্তাভাবনা জাতিয় পড়াশুনায় আগ্রহী এবং যারা নীরবে পড়তে ভালোবাসে তাদের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। অপর একটি ব্লক "গ্রুপ ডিসকাশন" এর কথা বিবেচনায় রেখে তৈরি করা হচ্ছে যেখানে দলগতভাবে আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিভিন্ন আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে পারে । এই নতুন ব্লক ব্যবস্থা একটি বিশেষ প্রকল্পের অংশ যা নিয়ে লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ খুবই আগ্রহী। তারা বোঝে যে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন চাহিদা রয়েছে ।শিক্ষার্থীদের একটি অংশ মনোযোগ দেওয়ার জন্য একটি শান্ত পরিবেশের প্রয়োজন অনুভব করে অপরদিকে আলোচনার মাধ্যমে দলগত শিক্ষা থেকে অনেকে উপকৃত হয়।
ভবিষ্যতে লাইব্রেরিতে আরও কিছু ফিচার যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। চতুর্থ তলায় একাডেমিক উপকরণ এবং গবেষণা জার্নাল রাখার বিশেষ একটি পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ ব্যক্ত করে । এই তলাটি বর্তমানে পরিকল্পনা করা হচ্ছে এবং শীঘ্রই নির্মাণাধীন হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ এই সবকিছুকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এখানে শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনায় বেশ মনোযোগী। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যায় এখানে কোন ছাত্ররাজনীতি বা দ্বন্দ্ব নেই যা একটি শান্ত এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করে যেখানে শিক্ষার বিকাশ ঘটে। এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষকে উন্নতির দিকে মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করে।
লাইব্রেরিটি ২০০৮ সালে নিজস্ব ভবনে স্থানান্তরিত হয়। এর আগে এটি প্রথম একাডেমিক ভবনে অবস্থিত ছিল । বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমাগত উন্নয়নের সাথে সাথে এর জন্য আরও বৃহত্তর, উন্নত লাইব্রেরির প্রয়োজন ছিল। তাই তারা কেবল বই, কম্পিউটার এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জায়গার জন্য একটি নতুন সুবিধা তৈরির প্রয়োজন বোধ করে। "আমরা কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য জিনিসগুলি সহজ করতে পারি? লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের এই চিন্তার ফলে আজ আপনি স্মার্ট কার্ড, অনুসন্ধান ব্যবস্থা, ২৪ ঘন্টা রিটার্ন বাক্স এবং গবেষণাপত্রের জন্য ডিজিটাল স্টোরেজ ইত্যাদি সুবিধা দেখতে পাচ্ছি। একের পর এক তারা এই পরিবর্তনগুলি বাস্তবায়ন করেছে।
একটি কার্ড, পূর্ণাঙ্গ প্রযুক্তি নির্ভর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, অধ্যয়নের জন্য একটি শান্ত জায়গা, ব্যয়বহুল জার্নাল বিনামূল্যে অ্যাক্সেসযোগ্য এবং এমন একটি লাইব্রেরি যার প্রসারণ এবং বিকাশ কখনও বন্ধ হয়ে না।
বর্তমানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ তাদের শিক্ষার্থীদের এই সুবিধাগুলো প্রদান করছে । বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উন্নয়ন বিষয়ে খুবই আগ্রহী ও স্বতঃস্ফূর্ত । তাই সবকিছু আয়োজনের মাধ্যমে সবার সামনে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি । পরের বার যখন আপনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে প্রবেশ করবেন, মনে রাখবেন যে আপনি কেবল একটি লাইব্রেরিতে প্রবেশ করছেন না। আপনি শিক্ষার ভবিষ্যতে প্রবেশ করছেন এবং ভবিষ্যৎ ইতিমধ্যেই বর্তমান।
- প্রতিবেদক: আহম্মেদ মোস্তফা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন
একুশে ফেব্রুয়ারি: শহীদদের রক্ত থেকে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য শুধুই একটি তারিখ নয়, এটি ছিল মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের দিন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষার মর্যাদা, ভাষার সঠিক ব্যবহার ও শহিদ মিনারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের গুরুত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
.jpg)
ফুলের শ্রদ্ধা নাকি জ্ঞানের ভাষা? খুবিতে বাংলার অবস্থান
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২১ ফেব্রুয়ারির সকাল শুরু হয় নীরব শ্রদ্ধায়। শহীদ মিনারের পাদদেশ পুষ্পস্তবকে ভরে ওঠে, শিক্ষার্থীদের সাদা-কালো পোশাক আর কালো ব্যাজে ফুটে ওঠে শোকের প্রতীক। ভাষা শহীদদের স্মরণে ধ্বনিত হয় প্রতিজ্ঞা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দলের কর্মীর নাক ফাটিয়ে পালানোর অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক হল শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল-এ ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে নিজ দলের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হলের তিন তলার ছাদে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিন শিক্ষার্থী আহত হন।
.jpg)
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিষ্কারের দশ বছর পর ন্যায়বিচারের আশায় দুই শিক্ষার্থী
দীর্ঘ এক দশক পর ছাত্রত্ব ফিরে পেতে এবং অনার্স সনদ সংগ্রহের সুযোগ পেতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইসলামী ছাত্র সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে বহিষ্কৃত সীমা আক্তার (১২০৬৪৬) ও মাইশা ইসলাম (১৩১১০৫) গত বছরের ১ জানুয়ারি রেজিস্ট্রারের কাছে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার, বিএসসি সনদপত্র উত্তোলনের ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন।


.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)