ক্যাম্পাস


নির্বাচন নিয়ে কী বলছে মেরিটাইমের শিক্ষার্থীরা


বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

রাইসুল ইসলাম

প্রকাশিত:০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার

নির্বাচন নিয়ে কী বলছে মেরিটাইমের শিক্ষার্থীরা

ছবি: দূরবিন নিউজ


দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পর, দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসন পেরিয়ে দেশ এগোচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত এক নির্বাচনের দিকে। ক্যাম্পাসের করিডোর, ক্লাসরুম কিংবা আড্ডার টেবিলে এক প্রশ্নই বারবার ঘুরে ফিরে আসছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কে কীভাবে ভাবছে? জাতীয় রাজনীতির উত্তাপ যখন সংবাদ শিরোনামে, তখন তার প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কথাবার্তায়ও। কেউ কথা বলছেন ভোটাধিকার ও সুশাসনের প্রত্যাশা নিয়ে, কেউ আবার শঙ্কার জায়গা থেকে দেখছেন পুরো প্রক্রিয়াকে। এসব মতামতের ভেতর দিয়েই উঠে আসে তরুণ প্রজন্মের ভাবনা, যারা রাজনীতি নিয়ে আবেগী নয়, বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন। নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই ভাবনাই তুলে ধরছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শাহানুর রহমান মুকুট।
 
 
আশার নির্বাচন, জবাবদিহির প্রত্যাশা
 
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে নতুনভাবে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। দীর্ঘদিন পর মানুষ অবাধ, সুষ্ঠু ও নির্ভীকভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে এমন প্রত্যাশা সমাজে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ দলীয় অন্ধ অনুসরণ থেকে বের হয়ে যোগ্যতা, সততা ও আদর্শকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। অতীতে বংশানুক্রমিক রাজনৈতিক আনুগত্যের প্রবণতা দেখা গেলেও বর্তমান বাস্তবতায় সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
 
জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের দেখিয়েছে যে জনগণের সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণই গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি। সেই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, ভোটই হলো শান্তিপূর্ণভাবে অধিকার আদায়ের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। জবাবদিহিতা ও ন্যায়ের প্রশ্নে জনগণ যে ঐক্যবদ্ধ হতে পারে, তা এই নির্বাচনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। এক্ষেত্রে তরুণ সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মোট ভোটারের বড় একটি অংশ তরুণ হওয়ায় তাদের দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নির্বাচনকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। আমি আশাবাদী, এই নির্বাচন একটি ইনসাফভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের পথে অগ্রসর হতে সহায়ক হবে।
 
মোহাম্মদ বায়জিদ হোসাইন
শিক্ষার্থী, মেরিটাইম ল এন্ড পলিসি বিভাগ
 
 
জুলাই বিপ্লবের পর রাষ্ট্র গঠনের নতুন সম্ভাবনা
 
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আমার প্রত্যাশা অনেক বেশি। বিশেষভাবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে প্রত্যাশা থাকবে স্মরণকালের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন বাস্তবায়ন করা এবং আমি বিশ্বাস করি সে সক্ষমতা তাঁরা দেখাবেন। সহস্র প্রাণের বিনিময়ে জুলাই বিপ্লব যে শুধু একটি রেজিমের পতন ঘটিয়েছে তা না, জাতির জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। সে সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে রোল মডেল হিসেবে জায়গা করে নিতে বেশি সময় লাগবে না। নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা থাকবে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মতো গণতন্ত্রের গলা টিপে না ধরে পরবর্তী সকল স্থানীয় সরকার ও ছাত্র সংসদ নির্বাচন যথাসময়ে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার সঙ্গে নিয়মিত আয়োজন করা। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ করা এবং বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে দেশের মেধা সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। আশা করি তারা তাদের ঘোষিত ইশতেহার শতভাগ বাস্তবায়ন করবে। গণভোটে হ্যাঁ বলুন। সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিকদের ভোট দিন
 
সিদরাতুল মুনতাহার রাফি 
শিক্ষার্থী, পোর্ট অ্যান্ড শিপিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগ
 
 
জেন–জির প্রথম ভোট: পরিবর্তনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত
 
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে অনুষ্ঠিত তিনটি মেকি নির্বাচনের পর অবশেষে দেশ এগোচ্ছে একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে। দীর্ঘ সময়ের হতাশা, অনাস্থা ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার পর এই নির্বাচন নতুন আশার বার্তা নিয়ে এসেছে সাধারণ মানুষের কাছে। বিশেষ করে যে জেন–জির আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই নতুন স্বাধীনতার পথ তৈরি হয়েছে, তাদের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কারণ এটিই তাদের জীবনের প্রথম নির্বাচন, যেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নিজের মত প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে একটি পুরো প্রজন্ম। এই নির্বাচনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে রাজনীতির ময়দানে নতুন নতুন মুখের আবির্ভাব। তরুণ, শিক্ষিত ও পরিবর্তনমুখী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ভোটের মাঠে এনেছে ভিন্ন মাত্রা। পাশাপাশি পুরোনো অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের সঙ্গে নতুনদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই নির্বাচনকে করে তুলেছে উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দেশজুড়ে এখন আলোচনা একটাই পরিবর্তন আসছে কি না। ভোটকেন্দ্র থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে প্রত্যাশা, স্বপ্ন আর নানা হিসাব-নিকাশ। এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের লড়াই নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনা নির্ধারণের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
 
রাইসুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, মেরিটাইম ল অ্যান্ড পলিসি বিভাগ
 
 
প্রতিনিধিত্ব মানেই প্রশ্ন করার অধিকার
 
নির্বাচন বহুকাল ধরে শুধুই দেশের ক্ষমতার স্থানান্তরের একটি মাধ্যম হিসেবেই আমরা দেখে আসছি। কিন্তু এর উপযুক্ত প্রয়োগ করতে প্রায় সবাই-ই ব্যর্থ হয়েছে বারবার। কে এই দেশের ক্ষমতা নিলো তার থেকেও আমার কাছে মনে হয় এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা কতটুকু যোগ্য, দক্ষ এবং সৎ প্রতিনিধিদেরকে আমাদের রাষ্ট্রের মালিকানা দিতে পারলাম। কীভাবে তাদের রাষ্ট্র মেরামতের পরিকল্পনাকে নি:সংকোচে প্রশ্ন করতে পারলাম। এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় সবধরনের শাসনামল দেখেছি। ভালো-খারাপ মিলিয়ে সবাই-ই কম বেশি দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় যেই পয়েন্টটা এখানে আমার মনে হয়, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা ভুল করেছি তা হলো প্রশ্ন করা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে জবাবদিহি করা। তা না পারার কারণও ছিলো যথেষ্ট। আমরা বারবার ভুলে যাই যে যেকোনো সরকারই আসুক না কেন, তাদের গৃহীত প্রতিটি প্রকল্প, প্রতিটি সিদ্ধান্ত – সবকিছুরই অর্থায়ন হয় জনগণেরই কষ্টে উপার্জন করা টাকায়, কেউ নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে উন্নয়ন করে যায় না। তাই, ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা আমাদের সকলের মৌলিক অধিকার। কিন্তু, সেই সুযোগ তখনই আমরা পাবো যখন যোগ্য, আদর্শবান, দেশপ্রেমিক প্রার্থীদেরকে এই দেশের সকল জনগণ চিনে নিতে পারবে। তার আগে নয়। তবে, সবকিছুর পরেও দু:খজনক হলেও সত্য যে এগুলো আমাদের কাছে এখনো স্বপ্ন মনে হয়। 
 
আব্দুস সালাম
শিক্ষার্থী, নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড অফশোর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
 
 
সমুদ্রঘেঁষা স্বপ্ন আর স্থিতিশীল রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা
 
সুনীল অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশের পক্ষে সমুদ্র থেকে বার্ষিক প্রায় ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় অর্জন করা সম্ভব। বাংলাদেশের টেকসই ও বৈচিত্র্যময় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে মেরিটাইম শিক্ষা ও সুনীল অর্থনীতির মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ ও পারস্পরিক সম্পর্ক বিদ্যমান। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকার রাজনৈতিক ও নীতিগত (পলিসিগত) স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে, যা দেশি ও বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই পরবর্তী সরকারের কাছে প্রত্যাশা থাকবে, তারা যেন মেরিটাইম সেক্টরে শিক্ষা, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে এবং একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি বাস্তবিক ‘মেরিটাইম ন্যাশন’ হিসেবে গড়ে তোলে।
 
আল মুমিনুল মিয়া
শিক্ষার্থী, মেরিটাইম ল অ্যান্ড পলিসি বিভাগ
 
 
ভোটে ফিরুক আস্থা, রাজনীতিতে ফিরুক অংশগ্রহণ
 
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। আর এই গনতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ । জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমেই রাষ্ট্র পরিচালনার নৈতিক ও আইনি বৈধতা তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষাপটে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন অনেক বেশি। সবাই চান এই নির্বাচন যেন কেবল নামমাত্র না হয়ে প্রকৃত অর্থেই সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সবার অংশগ্রহণমূলক হয়। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি, বিরোধী দলগুলোর অংশ না নেওয়া, কেন্দ্রের পরিবেশ এবং ফলাফলের স্বচ্ছতা নিয়ে দেশে ও প্রবাসে অনেক সমালোচনা হয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে ভোট নিয়ে যে অনাগ্রহ বা আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে তা মোটেও একটি গনতান্ত্রিক দেশের জন্য ভালো লক্ষণ নয় । অতীতের বিতর্কিত নির্বাচনগুলোর ছায়া যেন এবার আর না পড়ে। এটাই আমার মতো সাধারণ নাগরিকের মূল দাবি। দিন শেষে এটাই বলবো সুষ্ঠু হোক নির্বাচন, অটুট থাকুক প্রকৃত গণতন্ত্র, এগিয়ে যাক বাংলাদেশ।
 
মাহবুবুর রহমান
শিক্ষার্থী, ওশানোগ্রাফি ও হাইডোগ্রাফি বিভাগ

সম্পর্কিত

ক্যাম্পাসনির্বাচনবিশ্ববিদ্যালয়

জনপ্রিয়


ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন

একুশে ফেব্রুয়ারি: শহীদদের রক্ত থেকে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য শুধুই একটি তারিখ নয়, এটি ছিল মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের দিন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষার মর্যাদা, ভাষার সঠিক ব্যবহার ও শহিদ মিনারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের গুরুত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ফুলের শ্রদ্ধা নাকি জ্ঞানের ভাষা? খুবিতে বাংলার অবস্থান

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২১ ফেব্রুয়ারির সকাল শুরু হয় নীরব শ্রদ্ধায়। শহীদ মিনারের পাদদেশ পুষ্পস্তবকে ভরে ওঠে, শিক্ষার্থীদের সাদা-কালো পোশাক আর কালো ব্যাজে ফুটে ওঠে শোকের প্রতীক। ভাষা শহীদদের স্মরণে ধ্বনিত হয় প্রতিজ্ঞা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দলের কর্মীর নাক ফাটিয়ে পালানোর অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক হল শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল-এ ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে নিজ দলের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হলের তিন তলার ছাদে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিন শিক্ষার্থী আহত হন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিষ্কারের দশ বছর পর ন্যায়বিচারের আশায় দুই শিক্ষার্থী

দীর্ঘ এক দশক পর ছাত্রত্ব ফিরে পেতে এবং অনার্স সনদ সংগ্রহের সুযোগ পেতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইসলামী ছাত্র সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে বহিষ্কৃত সীমা আক্তার (১২০৬৪৬) ও মাইশা ইসলাম (১৩১১০৫) গত বছরের ১ জানুয়ারি রেজিস্ট্রারের কাছে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার, বিএসসি সনদপত্র উত্তোলনের ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন।