অপরাধ


মিরপুরে নয়নের ‘মাদকের সাম্রাজ্য’, ধরাছোঁয়ার বাইরেই মূল হোতা!


খেলা ডেস্ক

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:২৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার

আপডেট:২৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার

মিরপুরে নয়নের ‘মাদকের সাম্রাজ্য’, ধরাছোঁয়ার বাইরেই মূল হোতা!

ছবি: দুরবিন নিউজ


রাজধানীর মিরপুরের চিড়িয়াখানা রোড এলাকায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে মাদক ব্যবসা। এই এলাকার মাদকের একক নিয়ন্ত্রণ এখন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নয়নের হাতে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দীর্ঘ দিন ধরে এই ‘মাদকের সাম্রাজ্য’ চালিয়ে আসলেও নয়ন রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।


​অনুসন্ধানে জানা গেছে, চিড়িয়াখানা রোডের বেশ কয়েকটি স্পট এখন মাদকের অভয়ারণ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: বিসিআইসি কলেজ মেইন রোড প্রাঙ্গণ, কামাল হাউজিং এলাকা, বোটানিক্যাল গার্ডেন স্টাফ কোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকা, ​মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এলাকা, ​বাঁশ ও কাঠের ঘরের বস্তি এলাকা। 


​এই এলাকাগুলোতে দিন-রাত সমানতালে চলছে ইয়াবার রমরমা ব্যবসা। বিশেষ করে ভাসমান ও নিম্নবিত্ত মানুষের ঘরগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এই চক্রটি তাদের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে।


​স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, নয়ন এই পুরো সিন্ডিকেটের মূল পরিকল্পনাকারী। তার অধীনে একদল কিশোর ও যুবক সরাসরি মাদক বিক্রির কাজ করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে সে ঘনঘন নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে। এখন সে মিরপুরের ট ব্লকের বাসিন্দা, এলাকার সাধারণ মানুষ তার ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে নানাভাবে হয়রানি বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।


​চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন এই এলাকাগুলোতে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর যাতায়াত। এর মাঝে প্রকাশ্য মাদক ব্যবসায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা। তারা বলছেন, মাদকের সহজলভ্যতার কারণে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে। মাঝে মাঝে চুনোপুঁটি মাদক বিক্রেতারা ধরা পড়লেও মূল হোতা নয়ন সবসময়ই থেকে যায় অন্তরালে।


​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নয়নসহ এই মাদক সিন্ডিকেটের সকল সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হোক।


সম্পর্কিত

অপরাধমিরপুর

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

ইয়াবা ব্যবসায়ী বাহারের সুদের জালে নিঃস্ব বহু পরিবার, মিথ্যা মামলা-হুমকির অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর পাগলা এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা, উচ্চ সুদে অর্থ লেনদেন, ঋণগ্রহীতাদের হয়রানি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একাধিক বাসিন্দার দাবি, আর্থিক সংকটে পড়া মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে ঋণ নিতে গিয়ে নানা ধরনের শর্তের মুখোমুখি হচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, ঋণের বিপরীতে ফাঁকা চেক ও সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং পরে তা ব্যবহার করে মামলা করা হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুরে এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১৫ বছর পর ধর্ষণ মামলার রায়: ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, যাবজ্জীবন তিনজনের

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের প্রায় ১৫ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

কমিশন ছাড়া নড়ত না ফাইল, সওজ প্রকৌশলীর সিন্ডিকেটে জিম্মি পুরো ঠিকাদার মহল

সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতি, দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য, শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দুদকের অনুসন্ধান চললেও এখনো তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।