অর্থনীতি


আজকের মুদ্রা বিনিময় হার- ১৮ মার্চ ২০২৬


দুরবীন ডেস্ক

দুরবীন ডেস্ক

প্রকাশিত:১৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার- ১৮ মার্চ ২০২৬

ছবি: দূরবীন নিউজ


দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি রেমিট্যান্স। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনও বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো-

 

বৈদেশিক মুদ্রা – বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার – ১২৩ টাকা ৪১ পয়সা
ইউরোপীয় ইউরো – ১৪৩ টাকা ৫৭ পয়সা
ব্রিটিশ পাউন্ড – ১৬৩ টাকা ৮৯ পয়সা
ভারতীয় রুপি – ১ টাকা ২৯ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত – ৩১ টাকা ২৫ পয়সা
সিঙ্গাপুর ডলার – ৯৬ টাকা ৫৩ পয়সা
সৌদি রিয়াল – ৩২ টাকা ৭৮ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার – ৮৯ টাকা ৭৫ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার – ৮৭ টাকা ৪৮ পয়সা
কুয়েতি দিনার – ৪০০ টাকা ৮৫ পয়সা

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, জ্বালানি বাজার এবং প্রবাসী আয় প্রবাহের ওপর নির্ভর করে এসব মুদ্রার বিনিময় হার প্রতিনিয়ত ওঠানামা করে।

 

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনের কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।


সম্পর্কিত

অর্থনীতিমুদ্রা বিনিময়মুদ্রা বিনিময় হার

জনপ্রিয়


অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

আজকের মুদ্রার রেট: ২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রবাসে কর্মরত কোটি বাংলাদেশির পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ কারণে বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার জানা সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রবাসীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশ অর্থনীতিতে সব খাতে ক্ষত

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। জ্বালানির সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে বাজারদর, শিল্প উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি পর্যন্ত সব খাতে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এতে শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়ছে।

যেসব খাত নির্ভর করছে শুধু তেলের উপরই!

বার্ষিক ৮০,০০০ কোটি থেকে ১,২০,০০০ কোটি টাকার বাংলাদেশী বাজার নির্ভর করছে জ্বালানি তেলের উপর। পরিবহন থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা থেকে কৃষি, সবখানেই জ্বালানি তেল বাংলাদেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রেখেছে। এমনকি আপনার যাতায়াতের বাস থেকে শুরু করে ঘরের বাজারে ডিমের দামও নির্ভর করে এই জ্বালানি তেলের উপরেই। কিন্তু ইরান যুদ্ধের পর বিশ্ববাজারের ওঠানামার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের জ্বালানি খাতেও পরিবর্তন, প্রভাব ফেলেছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়।

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে বদলাচ্ছে রেমিট্যান্সের ধারা: গ্রামবাংলায় নতুন দিগন্ত খুলছে ব্র্যাক ব্যাংক

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি অসংখ্য পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের কারণে এই খাতের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছিল না।