অর্থনীতি


আজকের স্বর্ণের দাম: ৩ মে ২০২৬


দুরবীন ডেস্ক

দুরবীন ডেস্ক

প্রকাশিত:০৩ মে ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার

আজকের স্বর্ণের দাম: ৩ মে ২০২৬

দেশের স্বর্ণবাজারে টানা চার দফা দাম কমার পর আবারও মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন করে ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এ তথ্য জানিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের ঘোষণা দেয় বাজুস। এতে বলা হয়, ঘোষণার দিন থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর রয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

 

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও স্থানীয় সরবরাহ পরিস্থিতিও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

এর আগে ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছিল। টানা চার দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম মোট ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা কমে। ধারাবাহিক সেই পতনের পরই আবার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসে।

 

নতুন নির্ধারিত দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ৯৩৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে, সোনার দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার বাজার। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা রয়েছে।

 


জনপ্রিয়


অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

আজকের মুদ্রার রেট: ২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রবাসে কর্মরত কোটি বাংলাদেশির পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ কারণে বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার জানা সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রবাসীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশ অর্থনীতিতে সব খাতে ক্ষত

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। জ্বালানির সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে বাজারদর, শিল্প উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি পর্যন্ত সব খাতে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এতে শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়ছে।

যেসব খাত নির্ভর করছে শুধু তেলের উপরই!

বার্ষিক ৮০,০০০ কোটি থেকে ১,২০,০০০ কোটি টাকার বাংলাদেশী বাজার নির্ভর করছে জ্বালানি তেলের উপর। পরিবহন থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা থেকে কৃষি, সবখানেই জ্বালানি তেল বাংলাদেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রেখেছে। এমনকি আপনার যাতায়াতের বাস থেকে শুরু করে ঘরের বাজারে ডিমের দামও নির্ভর করে এই জ্বালানি তেলের উপরেই। কিন্তু ইরান যুদ্ধের পর বিশ্ববাজারের ওঠানামার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের জ্বালানি খাতেও পরিবর্তন, প্রভাব ফেলেছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়।

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে বদলাচ্ছে রেমিট্যান্সের ধারা: গ্রামবাংলায় নতুন দিগন্ত খুলছে ব্র্যাক ব্যাংক

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি অসংখ্য পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের কারণে এই খাতের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছিল না।