আন্তর্জাতিক


সৌদি আরবে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে : রাষ্ট্রদূত


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার

সৌদি আরবে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে : রাষ্ট্রদূত

সৌদি আরবে বাংলাদেশি শুকনো খাদ্য, মশলা, জুস সহ বিভিন্ন পানীয় পণ্যের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফলে, আগামী দিন গুলোতে সৌদির বাজারে দেশিয় এসব পণ্যের রপ্তানির পরিমান আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

এতে, দেশের অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব পরবে বলে মনে করছেন অনেকে। কারণ, বৈদেশিক বানিজ্য ও মুদ্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়বে কর্মসংস্থান।

সম্প্রতি দেশটির রাজধানী রিয়াদে ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টার আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় পণ্য মেলা ‘ফুডেক্স - সৌদি’।

চার দিনব্যাপী এই নবম আন্তর্জাতিক ফুডেক্স সৌদি মেলায় ত্রিশটি দেশের প্রায় দুই শতাধিক কোম্পানি অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশের পক্ষ হতে মোট চারটি প্রতিষ্ঠান সেই মেলায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়।

প্রতিষ্ঠান গুলো হচ্ছে, বেঙ্গল মিট প্রসেসিং, প্রাণ- আরএফএল গ্রুপ, বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ এবং এসএন্ডবি নাইস ফুড ভ্যালি লিমিটেড।

দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী তখন দেশীয় পণ্যের ব্যাপাক এই চাহিদার কথা গণমাধ্যমকে জানান।

জাবেদ পাটোয়ারী আরো বলেন, সৌদিতে প্রায় ছাব্বিশ লাখ বাংলাদেশি অভিবাসী ও অন্যান্য এশিয়ান দেশের অভিবাসী বসবাস করেছেন।

তাদের কাছে বাংলাদেশের পণ্য ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে এবং পূর্বের থেকে যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

এছাড়া আরবরাও মনে করেন বাংলাদেশি এসকল খাদ্য পণ্যের গুনগত  মান খুব ভালো। 

তাই, দেশটির নাগরিকদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হলে সৌদি আরবে বাংলাদেশি পণ্যের বিশাল বাজার তৈরির সুযোগ রয়েছে। 

কারণ, মরুর এই দেশটিতে প্রায় আশি শতাংশ খাদ্য পণ্য এখনো বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তাই, সেখানে বাংলাদেশি খাদ্য পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

এ ক্ষেত্রে দেশটির বাজারে মাছ, মাংস, শুটকি, মশলা সহ সকল ধরনের খাদ্য পণ্য প্রবেশের ক্ষেত্রে দূতাবাস নিবিড় ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তাতে আগামি অর্থ বছর গুলোতে সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে রাষ্ট্রদূত আশা ব্যাক্ত করেন।

ফলে, বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের ফ্যাক্টরি গুলোতে মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং বেকারত্বের পরিমান কমতে থাকবে।

অপরদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাতারাতি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌছিয়েছে চট্টগ্রামের জনপ্রিয় খাবার মেজবানি।

বর্তমানে দেশটির নাগরিক ও বসবাসরত অধিবাসীদের কাছে চাটগাঁইয়া এই খাবার বেশ কদরের।

আমিরতে বসবাসকারী মোট বাংলাদেশিদের মধ্যে বড় একটা অংশ চট্টগ্রামের বাসিন্দা। মূলত এই কারণেই চট্টগ্রামের সংস্কৃতি সহ খাবার দাবার বেশ প্রভাব ফেলছে মরুর বুকের ধনী এই দেশটিতে।

গরুর মাংস, চনার ডালের সঙ্গে চর্বি ও নিহারি এই তিনটি উপকরণ দিয়ে আরব ভোজন বিলাসীদের কাছে সরবরাহ করা হয় মেজবানি।

আরব আমিরাতে বাংলাদেশি নতুন কোনো রেস্তোরাঁ চালু হওয়ার আগেই ভোজন রসিকদের কথা চিন্তা করে মেজবানি খবরটি সবার আগে ম্যানুতে যুক্ত করে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে কয়েক হাজার বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। 

দুবাইয়ের কিছু কিছু অঞ্চলে, হোটেলের নামকরণও করা হয়েছে মেজবান নাম দিয়ে।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি এমন নাম করণের কারণে তাদের ব্যাবসা এখন আগের থেকে আরো বেশি চলছে এবং লাভের পরিমানও বৃদ্ধি পেয়েছে। 









জনপ্রিয়


আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন

৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ- কোন দেশে কত নিহত, বাংলাদেশির সংখ্যা কত?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। শুধু ইসরায়েল নয়, ইরানের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয় হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান-এর সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয়’ অর্জন করেছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ‘ইরানের বিজয়’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উত্থাপিত ১০ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ‘রেড লাইন’ পার হলে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে: ইরান

যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করে, তাহলে চলমান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।