

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পর্বতমালায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় সকল আরোহী নিহত হয়েছেন। দেশটির বেসরকারী বিমান সংস্থা ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স এক বিবৃতিতে জানায়, বিমানটিতে ১২৩ জন যাত্রী ও ৯ জন ক্রু ছিলেন। সকলের মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত। খবর-হিন্দুস্থান টাইমস ও ডয়েচে লেভে।
ডিপারচার তথ্য অনুযায়ী বোয়িং ৭৩৭-এ কোনও বিদেশি যাত্রী ছিলেন না।
সোমবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা সিসিটিভি জানিয়েছে, চায়না ইস্টার্নের বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি স্থানীয় সময় বেলা ১ টায় কুনমিং থেকে গুয়াংশির উদ্দেশ্য উড্ডয়ন করে। প্লেনটি এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আকাশে ছিল। বিমানটির সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত হয়েছিল ২টা ২২মিনিটে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি গুয়াংশির উঝৌ এলাকার আকাশে ৩ হাজার ২২৫ ফুট উচ্চতায় ঘণ্টায় ৬৯৬ কিলোমিটার (৩৭৬ নট) গতিবেগে চলছিল। এ সময় হঠাৎ আচকমা দ্রুতগতিতে খাড়াভাবে পাহাড়ের দিকে আছড়ে পড়ে।
বিমানটি ‘সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে’ বলে স্থানীয় এক গ্রামবাসীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি ।
দুর্ঘটনার পরপরই সেখানে ৬০০ উদ্ধারকর্মী এবং দমকল কর্মী উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। তারা আগুন নেভাতে পারলেও এখনও বিমানটি উদ্ধার করতে পারেনি। এখন পর্যন্ত কাউকে জীবিত উদ্ধার করার খবর পাওয়া যায়নি। বিমানটি ওপর থেকে যেভাবে নিচে পড়েছে তাতে কারও বেঁচে ফেরার সম্ভবনা একেবারেই নেই।
এভিয়েশন সেফটি নেটওয়ার্কের মতে, এর আগে দেশটিতে শেষ বড় বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল ১২ বছর আগে, ২০১০ সালের আগস্ট মাসে। হারবিন থেকে আসা একটি বিমান ইচুনে বিধ্বস্ত হলে ৪২ জনের প্রাণহানি ঘটে।



