
দূরবীন ডেস্ক
.webp&w=3840&q=75)

ভারতের রাজনীতিতে ‘বাংলাদেশি’ ইস্যু নতুন নয়। ক্ষমতাসীন বিজেপির একাধিক নেতা নিয়মিতভাবেই অবৈধ বাংলাদেশি শনাক্ত ও বিতাড়নের কথা বলে আসছেন। এমন প্রেক্ষাপটে ভারতের উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে পুলিশের এক কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক পুলিশ কর্মকর্তা মোবাইল ফোনের মতো একটি যন্ত্র এক ব্যক্তির পিঠে ঠেকিয়ে দাবি করছেন “যন্ত্র বলছে, এই ব্যক্তি বাংলাদেশি।”
ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর গাজিয়াবাদের বিহারি মার্কেট এলাকার একটি বস্তিতে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেদিন অবৈধ অভিবাসী শনাক্তের অভিযানের নামে বিশেষ বাহিনীর সঙ্গে ওই এলাকায় যান কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা। অভিযানের সময় এক ব্যক্তির পিঠে মোবাইল ফোন ঠেকিয়ে তাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ঘটনাটি নিয়ে ভারতের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলোও সরব হয়েছে। দ্য হিন্দু তাদের প্রতিবেদনে জানায়, ভিডিওতে পুলিশের আচরণ হুমকিমূলক ও ভীতিকর। আনন্দবাজার পত্রিকা শিরোনাম করে লেখে ‘নাগরিকত্ব যাচাইয়ের যন্ত্র গায়ে ঠেকিয়ে বাংলাদেশি শনাক্ত!’ আর হিন্দুস্তান টাইমসের বাংলা সংস্করণ ঘটনাটিকে আখ্যা দেয় ‘আজব কাণ্ড’ হিসেবে।
ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তা বস্তিবাসীদের উদ্দেশে বলেন, “মিথ্যা বলবেন না। আমাদের কাছে যন্ত্র আছে, মিথ্যা ধরা পড়ে যাবে।” এরপর এক ব্যক্তির পিঠে মোবাইল ঠেকিয়ে তিনি দাবি করেন, যন্ত্র বলছে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি অবশ্য জানান, তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের আরারিয়া জেলার বাসিন্দা।
এ ঘটনার ব্যাখ্যায় গাজিয়াবাদের ইন্দিরাপুরম এলাকার সহকারী পুলিশ কমিশনার অভিষেক শ্রীবাস্তব বলেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি কৌশাম্বী থানার আওতাভুক্ত এলাকার। তবে এটি নাগরিকত্ব যাচাইয়ের অভিযান ছিল না, বরং নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রম। অস্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্যে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি আছে কি না, সেটি যাচাই করাই ছিল অভিযানের উদ্দেশ্য।
তবে পুলিশের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় বিরোধী দল কংগ্রেস। দলটির উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সভাপতি অজয় রায় বলেন, “এই ঘটনা রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের চরম ব্যর্থতার প্রমাণ। এমন নির্দেশনা ওপর থেকেই আসে। আমরা চাই উচ্চ আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করুক।” তার মতে, এ ধরনের ঘটনা উত্তরপ্রদেশকে হাস্যকর করে তুলছে এবং এটি আইনের শাসনের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন।
ভিডিওটি ঘিরে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে কোন আইনে, কোন প্রযুক্তিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তা এভাবে কাউকে বাংলাদেশি ঘোষণা করতে পারেন? বিষয়টি এখন শুধু একটি ভিডিও নয়, বরং নাগরিক অধিকার, আইনশৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে বড় ধরনের বিতর্কে রূপ নিয়েছে। তদন্তের পর কী সিদ্ধান্ত আসে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে ভারতীয় গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষ।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।