বিশ্বজুড়ে পারিবারিক অস্থিরতা ও বিচ্ছেদের পেছনে বড় একটি কারণ হিসেবে উঠে আসছে পরকীয়া সম্পর্ক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে জানিয়েছে সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক গবেষণা। গবেষণায় বলা হয়েছে, পরকীয়ার প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা দাম্পত্য জীবন ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, নির্দিষ্ট কিছু পেশার মানুষ পরকীয়ায় তুলনামূলকভাবে বেশি জড়ান। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন সামাজিক কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা। তাদের পরেই অবস্থান শিল্প ও বিনোদন জগতের কর্মীদের। তৃতীয় স্থানে রয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োজিতরা। এরপর পর্যায়ক্রমে আইন পেশাজীবী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, চিকিৎসা খাতের কর্মী, মার্কেটিং ও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, ফিন্যান্স খাতের কর্মী এবং উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীদের নাম উঠে এসেছে। তবে আশ্চর্যজনকভাবে এই শীর্ষ দশের তালিকায় রাজনীতিবিদদের নাম নেই।
দেশভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, পরকীয়ায় সবচেয়ে এগিয়ে আয়ারল্যান্ড। ডেটিং অ্যাপ ‘অ্যাশলে ম্যাডিসন’-এর করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতি পাঁচজন বাসিন্দার একজন বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ান। অর্থাৎ সেখানে পরকীয়ার হার প্রায় ২০ শতাংশ।
এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জার্মানি। গবেষণা বলছে, দেশটির প্রায় ১৩ শতাংশ নাগরিক জীবনের কোনো না কোনো সময়ে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলোম্বিয়া।
বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তার, অনলাইন ডেটিং প্ল্যাটফর্মের সহজলভ্যতা এবং সম্পর্কের প্রতি দায়বদ্ধতা কমে যাওয়াই এই প্রবণতা বাড়ার অন্যতম কারণ। তারা মনে করছেন, পারিবারিক বন্ধন রক্ষায় সচেতনতা ও পারস্পরিক বিশ্বাস জোরদার করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)
.jpg)

.jpg)
.jpg)