আইন আদালত
২২ বছর পর দিনাজপুরের ঘাতক স্বামী ঢাকায় গ্রেপ্তার
স্ত্রীকে খুন করেন ২২ বছর আগে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। কিন্তু ঘটনার পরপরই আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় আদালতের দেওয়া সাজা কার্যকর করা না সম্ভব না হলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। ২২ বছর পর সে ধরা পড়েছে পুলিশের কাছে।
বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর খিলক্ষেতের বড়ুয়া বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ৫৫ বছর বয়সী ঘাতক স্বামী আনোয়ার হোসেনকে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।
এটিউ'র পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আনোয়ারের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর রাজারামপুরে। সে ২০০০ সালে তার দ্বিতীয় স্ত্রী আলতাফুন ওরফে আলতা বেগমকে (২৫) খুন করে। পরে এই খুনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ফুলবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পরে ২০০৫ সালে ওই মামলার আদালত আনোয়ারকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। কিন্তু গ্রেপ্তার, সাজা থেকে বাঁচতে নাম-পরিচয় গোপন করে আনোয়ার ঢাকার খিলখেতে একটি ‘স’ মিলে কাজ করে আসছিলেন। তার সহকর্মীদের কেউই জানত না যে সহজ সরল দেখতে বয়োজ্যেষ্ঠ এই লোকটি একটি খুনি। অবশেষে পুলিশের এটিইউ শাখা এবং দিনাজপুর জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সবার সামনে আসে তার আসল চেহারা।
জনপ্রিয়
আইন আদালত থেকে আরও পড়ুন
আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
জ্বালানি মন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দায়ের করা মানহানির মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ এনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

শেরপুরে ধর্ষণ ও মানবপাচার মামলার দুই আসামি গ্রেফতার
শেরপুরে পৃথক দুটি মামলায় ধর্ষণ ও মানবপাচারের অভিযোগে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

সিআইডি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও পক্ষপাতমূলক তদন্তের অভিযোগ
ঢাকার পল্লবী থানায় দায়েরকৃত একটি সিআর মামলার তদন্তকে ঘিরে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বাংলাদেশ পুলিশ বরাবর একটি বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

.jpg)







