আইন আদালত
হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
.jpg)
ছবি: সংগৃহীত
বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–২–এর বিচারক আনোয়ারুল হক এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আসগার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)–এর তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ভুক্তভোগী নারী সাদিয়া রহমান মিথিলাকে নায়িকা বানানোর আশ্বাস দেন। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং গর্ভপাত করাতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করার পর ভুক্তভোগী সাদিয়া রহমান মিথিলা গত বছরের ২১ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বগুড়ার আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করে পিবিআই।
তদন্ত শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যাওয়ায় আদালত হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
জনপ্রিয়
আইন আদালত থেকে আরও পড়ুন
আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
জ্বালানি মন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দায়ের করা মানহানির মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ এনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

শেরপুরে ধর্ষণ ও মানবপাচার মামলার দুই আসামি গ্রেফতার
শেরপুরে পৃথক দুটি মামলায় ধর্ষণ ও মানবপাচারের অভিযোগে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

সিআইডি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও পক্ষপাতমূলক তদন্তের অভিযোগ
ঢাকার পল্লবী থানায় দায়েরকৃত একটি সিআর মামলার তদন্তকে ঘিরে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বাংলাদেশ পুলিশ বরাবর একটি বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।









