রাজনীতি
আমার দু’পাশে জাতীয় পার্টির দুই দিকপাল
রোববার দুপুরে রাজধানীর গুলশানস্থ নিজ বাসভবনে আসন্ন দশম জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় জাপা চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় পার্টি এখন চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য এবং পার্টিকে আবার সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে আগামী ৯ মার্চ দশম জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের ঘোষনা দিয়েছি। কাজী ফিরোজ রশীদ এবং সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাসহ পার্টির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতৃবৃন্দ এবং এরশাদ-ভক্ত সর্বস্তরের অগনিত নেতাকর্মী আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমরা সবাই মিলে সুন্দর একটি জাতীয় সম্মেলন উপহার দিয়ে জাতীয় পার্টিতে আবার প্রান শক্তি ফিরিয়ে আনতে চাই। কারণ দেশ ও জাতির জন্য রাজনীতির অঙ্গনে জাতীয় পার্টির প্রয়োজনীয়তা এখন অপরিহার্য।
রওশন এরশাদ বলেন, আমরা দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক ভীত শক্তিশালী করার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছি। একটি রাজনৈতিক দলে গণতন্ত্র চর্চার প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে- সময় মতো পার্টির জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠান। জাতীয় পার্টির সম্মেলন আয়োজনের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এখন আমরা জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের যে ঘোষণা দিয়েছি-সেই সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করেছি।
এসময় জাপা চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদকে আহবায়ক, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাকে কো আহবায়ক, গোলাম সরোয়ার মিলনকে যুগ্ম আহবায়ক, সফিকুল ইসলাম সেন্টুকে সদস্য সচিব এবং অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকে কোষাধ্যক্ষ করে দশম জাতীয় সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি ঘোষণা করেন।
রওশন এরশাদ বলেন, এছাড়া জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব, প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান, যগ্ম-মহাসচিব, সম্পাদকমন্ডলী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং জেলা কমিটির সভাপতি/আহবায়ক, সাধারণ সম্পাদক/সদস্য সচিব- ক্রমানুসারে সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত থাকবেন।
পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও দশম জাতীয় সম্মেলন আয়োজন প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, পার্টির মহাসচিব কাজী মামুনূর রশিদ ও ঢাকা মহানগর উত্তর জাপার আহবায়ক সফিকুল ইসলাম সেন্টু।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন পল্লীবন্ধুপুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গোলাম সরোয়ার মিলন, পার্টির মুখপাত্র ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, সাবেক মন্ত্রী নাজিমউদ্দিন আল আজাদ, সাবেক রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা রফিকুল হক হাফিজ, সাবেক এমপি এমএ গোফরান, অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, নূরুল ইসলাম মিলন,পার্টির উপদেষ্টা আমানত হোসেন আমানত, এমএ কুদ্দুস, ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নূরু, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক ছাত্রনেতা খন্দকার মনিরুজ্জামান টিটু, সাবেক এমপি ও ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া, কেন্দ্রীয় নেতা পীরজাদা জুবায়ের আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম খোশু, কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হাসান আহমেদ জুয়েল, জহির উদ্দিন জহির, শাহীন আরা সুলতানা রিমা ও শাহনাজ পারভীন প্রমূখ।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
যুবদলের জরুরি সভায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের তর্কাতর্কি, বৈঠক পণ্ড
সদ্য ঘোষিত যুবদলের নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তা নিয়ে আলোচনা করতে ডাকা জরুরি সভায় সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের মধ্যে তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে বৈঠকের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় সভা স্থগিত করা হয়।

আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ফারুক খানের ঘনিষ্ঠ প্রকৌশলী আমিনুলকে পদোন্নতি দিল বেবিচক
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকৌশলী আমিনুল হাসিবকে সুপারিনটেনডেন্ট পদে পদোন্নতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের একটি অংশের মধ্যে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

বিএসএফের ‘পুশ ইন’ তৎপরতা মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে: সাইফুল হক
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ‘পুশ ইন’ তৎপরতার ফলে সীমান্ত এলাকায় মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি দাবি করেছেন, শিশু ও নারীসহ কয়েকশ মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দিয়ে বিএসএফ চরম অমানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

বিসিবি নির্বাচন নিয়ে এনসিপির অভিযোগ, ‘ক্রিকেটকে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হচ্ছে’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং ক্রিকেট প্রশাসনকে দলীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার দাবি করেছেন, দেশের ক্রিকেটকে দুর্বল করে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া চলছে, যেখানে দেশীয় রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি বিদেশি প্রভাবও কাজ করছে।
.jpg)







