বাংলাদেশ
ডিসি মাসুদের প্রত্যাহার ও ক্যাম্পাসে পুলিশিং বন্ধের দাবি ঢাবি শিক্ষার্থীদের

শাহবাগ থানার সামনে ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ । ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দিন, বাংলানিউজ২৪-এর মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদসহ দুই দর্শনার্থীর ওপর ‘পুলিশি হামলার’ অভিযোগে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে প্রত্যাহারসহ ক্যাম্পাস এলাকায় সব ধরনের পুলিশিং বন্ধের দাবি জানান তারা।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যার মধ্যে ছিল— ‘হারুন গেছে যে পথে, মাসুদ যাবে সে পথে’, ‘শাহবাগ থানা জবাব চাই’, ‘আমার ভাইকে মারল কেন’ ইত্যাদি।
বিক্ষোভে নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কাফিরা জাহান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশ্ন করা নাগরিক অধিকার। তার ভাষ্য, নাঈম উদ্দিনের ওপর হামলা পুলিশের ‘ইগোভিত্তিক সহিংসতার’ অংশ। তিনি ডিসি মাসুদ ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবি জানান।
থিয়েটার বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল আলম অভিযোগ করেন, সন্দেহের ভিত্তিতে হয়রানি করা হলে ভবিষ্যতে যে কেউ এমন ঘটনার শিকার হতে পারেন। তিনি পুলিশের এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ শেষে নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ হেল বুবুন তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো হামলায় জড়িত ডিসি মাসুদসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্যাম্পাসের ভেতর ও বাইরে সব ধরনের পুলিশিং বন্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা।
এদিকে দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনও পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে এবং অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবি জানায়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সোমবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় কয়েকজনকে মারধর করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এক সাংবাদিককে লাঠিপেটার দৃশ্য দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে ঢাবির তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে নাঈম উদ্দিন দাবি করেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা শেষে ফেরার পথে পুলিশ তাদের আটক করে এবং তর্কের অভিযোগ তুলে মারধর করে। এতে তার মাথা, হাত ও পায়ে আঘাত লাগে বলে জানান তিনি।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও ব্যর্থ হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
বাংলাদেশজুড়ে ফ্লেক্সিবল ডেলিভারি সেবা চালু করল পাঠাও পার্সেল
দেশের অন্যতম শীর্ষ সুপার অ্যাপ পাঠাও তাদের পার্সেল সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারণ করেছে। গ্রাহকদের প্রয়োজন, সময় ও বাজেট বিবেচনায় আরও দ্রুত, নমনীয় এবং সাশ্রয়ী ডেলিভারি নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি একাধিক নতুন ডেলিভারি অপশন চালু করেছে।

ইইউবিতে বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস গঠন, বিওটি ভেঙে দেওয়ার প্রচারণা গুজব: কর্তৃপক্ষ
ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (ইইউবি) শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, একাডেমিক পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ধারা ৩৫(৭) অনুযায়ী একটি বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস গঠন করেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (বিওটি) ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তরুণদের ক্যারিয়ার গঠনে মেন্টরিংয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন রফিকুল ইসলাম মাহিম
নিজের পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তরুণ ও বেকার যুবকদের ক্যারিয়ার গঠন এবং মানসিক সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ উদ্যোক্তা ও মেন্টর রফিকুল ইসলাম মাহিম। ‘নিজে যতটুকু জানি, ততটুকু দিয়েই অন্যের উপকার করা উচিত’ এই বিশ্বাসকে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের জন্য গাইডলাইন, কাউন্সেলিং ও মেন্টরিং সেবা দিয়ে আসছেন ‘জব ইনফরমেশন বিডি’ (Job Information BD)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

বিদেশে তিন কোম্পানি গঠনের অভিযোগ, এক বছরেও এগোয়নি জহিরুলের অর্থপাচার অনুসন্ধান
সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন ছাড়াই অন্তত তিনটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠার অভিযোগে স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম ও তার ভাই মাঝহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় এক বছর আগে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে অনুসন্ধান শুরুর এক বছর পার হলেও মামলার তদন্তে এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।







