ক্যাম্পাস


যবিপ্রবির কিশোরগঞ্জ জেলা আসোসিয়েশন এর নেতৃত্বে রাহাত ও আবিদ


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার

যবিপ্রবির কিশোরগঞ্জ জেলা আসোসিয়েশন এর নেতৃত্বে রাহাত ও আবিদ
মেহেদী হাসান, যবিপ্রবি প্রতিনিধি : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিশোরগঞ্জ জেলা আসোসিয়েশন এর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে । এতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন এগ্রো প্রোডাক্ট প্রসেসিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাহাত খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম আবিদ। কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন এআইএস বিভাগের সাইফুল ইসলাম ও আইপিই বিভাগের তানভীর আহমেদ।

যবিপ্রবির ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে নবীন বরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনার অনুষ্ঠান এবং একই সাথে নতুন কমিটিও ঘোষণা করা হয়। এসময় নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং প্রবীণ শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি রাহাত খান তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, কিশোরগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত ঢাকা বিভাগের সর্বাধিক উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি জেলা। কিশোরগঞ্জ জেলার পরিচিতি বাক্য হলো “উজান-ভাটির মিলিত ধারা, নদী-হাওর মাছে ভরা”।কিশোরগঞ্জ জেলা এসোসিয়েশন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  আমরা সবাই  ছোট পরিবার। আমরা সবাই পরস্পরের যেকোনো সমস্যায় সহযোগিতা করতে পারি।এই সংগঠনের একমাত্র উদ্দেশ্য পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বন্ধন, একতা বজাই রাখা। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কাম্য।

নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আবিদ বলেন, ৩৫ একরের ছোট্ট এই ক্যাম্পাসে আমাদের ছোট্ট একটি সংগঠন কিশোরগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন ( যবিপ্রবি)। দিনে দিনে আমাদের এই সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি   পাচ্ছে । নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ  সংগঠনের সাধারন সম্পাদক নিযুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি সাইফুল ইসলাম আবিদ আমার জেলার ভাই ও বোনদের সেবায় নিজের সর্বোচ্চ দানে সর্বদা  প্রস্তুত ও সংকল্পবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ডক্টর জাহাঙ্গীর আলম বলেন , যবিপ্রবির কিশোরগঞ্জ জেলার সকলকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি এ ধরণের একটি সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য। এ সময় তিনি কিশোরগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে মজা করেন এবং বেশ কিছুক্ষন শিক্ষার্থীদের সাথে আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন। নবীন দের সাথে পরিচয় পর্বও সম্পন্ন হয়। এ সময় তিনি বলেন আজ যারা প্রবীণ রয়েছে তাদের সাথে হয়তো আর দেখা হবে না এবং তিনি সবার জন্য শুভকামনা জানান । তিনি এই সংগঠনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আজ এই সংগঠনের জন্য আমরা কিশোরগঞ্জের একে অপরের সাথে সুন্দর ভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারছি এবং নিজেদের মধ্যে ঐক্য গঠন করতে পারছি । খুব দ্রুত সময়ে তিনি একটি অনলাইন ডাটাবেইজ তৈরি করার নির্দেশনা সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে দিবেন যাতে করে সকল শিক্ষার্থীর তথ্য সেখানে সংরক্ষিত থাকে । তিনি আশা করেন যবিপ্রবির কিশোরগঞ্জ আসোসিয়েশন এর সকলেই একসাথে এবং ঐক্যবন্ধ ভাবে থাকবে এবং সারা বছরই কোন না কোন প্রোগ্রাম আয়োজন করার মধ্যে দিয়ে সবার মাঝে ভাতৃত্ববোধ এবং ঐক্যবোধ চেতনা জাগ্রত হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির এগ্রো প্রোডাক্ট প্রসেসিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহুজুল আলম, শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর উজ্জ্বল সূত্রধর , ফার্মেসী বিভাগের প্রভাষক আশরাফুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন যবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আসোসিয়েশন এর সভাপতি কামরুল ইসলাম।  


জনপ্রিয়


ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন

একুশে ফেব্রুয়ারি: শহীদদের রক্ত থেকে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য শুধুই একটি তারিখ নয়, এটি ছিল মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের দিন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষার মর্যাদা, ভাষার সঠিক ব্যবহার ও শহিদ মিনারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের গুরুত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ফুলের শ্রদ্ধা নাকি জ্ঞানের ভাষা? খুবিতে বাংলার অবস্থান

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২১ ফেব্রুয়ারির সকাল শুরু হয় নীরব শ্রদ্ধায়। শহীদ মিনারের পাদদেশ পুষ্পস্তবকে ভরে ওঠে, শিক্ষার্থীদের সাদা-কালো পোশাক আর কালো ব্যাজে ফুটে ওঠে শোকের প্রতীক। ভাষা শহীদদের স্মরণে ধ্বনিত হয় প্রতিজ্ঞা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দলের কর্মীর নাক ফাটিয়ে পালানোর অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক হল শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল-এ ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে নিজ দলের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হলের তিন তলার ছাদে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিন শিক্ষার্থী আহত হন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিষ্কারের দশ বছর পর ন্যায়বিচারের আশায় দুই শিক্ষার্থী

দীর্ঘ এক দশক পর ছাত্রত্ব ফিরে পেতে এবং অনার্স সনদ সংগ্রহের সুযোগ পেতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইসলামী ছাত্র সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে বহিষ্কৃত সীমা আক্তার (১২০৬৪৬) ও মাইশা ইসলাম (১৩১১০৫) গত বছরের ১ জানুয়ারি রেজিস্ট্রারের কাছে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার, বিএসসি সনদপত্র উত্তোলনের ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন।