ক্যাম্পাস
রঙিন স্বপ্নীল ক্যানভাস রাবিপ্রবি'র ক্যাম্পাসে
পাহাড় ও কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্যে গড়ে উঠা রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসকে প্রতিবছর জিএসটি পরীক্ষার পূর্বে রঙ তুলির স্পর্শে রাঙিয়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাগত ব্যাচ। ২০২২ সালের জিএসটি পরীক্ষার পূর্বে প্রথমবার ক্যাম্পাস রঙিন করার উদ্যেগ গ্রহন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম ব্যাচ(২০২০-২০২১ সেশন)। সেই থেকেই এখন প্রতিবছর ক্যাম্পাস রঙিন করার কাজ করে আসছে শিক্ষার্থীরা। পড়াশোনার পাশাপাশি চিন্তার শৈল্পিক প্রকাশ কিংবা চিত্তবিনোদন লাভে রংতুলির স্পর্শ সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। অনেক সময় চিন্তার পরিবর্তন ঘটাতে কিংবা প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে দেয়াল লিখনের বিকল্প অন্য কোনো শিল্প নেই বললেই চলে। ৭ম ব্যাচের একজন চিত্রকর অ্যালেন চাকমা আমাদের জানান, "যারা ভালোবাসে রঙকে, রঙিন মানুষকে,তারাই হাতে তুলে নেয় রং-তুলি নামক অস্ত্র। যা দিয়ে কেবল নিঃশব্দে ভালোবাসা যায়।"
যাদের মন সুন্দর, মনে শিল্প রয়েছে। তারা শিল্পের মাধ্যমে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয় সবার মাঝে। স্বপ্ন দেখি, একদিন পুরো ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোনায় কোনায় ভালোবাসার রঙে রাঙানো হবে। এবং এই ভালোবাসা কিংবা সম্প্রীতি রাবিপ্রবি থেকে পুরো দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে।
জনপ্রিয়
ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন
একুশে ফেব্রুয়ারি: শহীদদের রক্ত থেকে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য শুধুই একটি তারিখ নয়, এটি ছিল মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের দিন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষার মর্যাদা, ভাষার সঠিক ব্যবহার ও শহিদ মিনারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের গুরুত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
.jpg)
ফুলের শ্রদ্ধা নাকি জ্ঞানের ভাষা? খুবিতে বাংলার অবস্থান
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২১ ফেব্রুয়ারির সকাল শুরু হয় নীরব শ্রদ্ধায়। শহীদ মিনারের পাদদেশ পুষ্পস্তবকে ভরে ওঠে, শিক্ষার্থীদের সাদা-কালো পোশাক আর কালো ব্যাজে ফুটে ওঠে শোকের প্রতীক। ভাষা শহীদদের স্মরণে ধ্বনিত হয় প্রতিজ্ঞা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দলের কর্মীর নাক ফাটিয়ে পালানোর অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক হল শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল-এ ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে নিজ দলের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হলের তিন তলার ছাদে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিন শিক্ষার্থী আহত হন।
.jpg)
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিষ্কারের দশ বছর পর ন্যায়বিচারের আশায় দুই শিক্ষার্থী
দীর্ঘ এক দশক পর ছাত্রত্ব ফিরে পেতে এবং অনার্স সনদ সংগ্রহের সুযোগ পেতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইসলামী ছাত্র সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে বহিষ্কৃত সীমা আক্তার (১২০৬৪৬) ও মাইশা ইসলাম (১৩১১০৫) গত বছরের ১ জানুয়ারি রেজিস্ট্রারের কাছে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার, বিএসসি সনদপত্র উত্তোলনের ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন।

.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)