ক্যাম্পাস


ইতিহাসের ঘৃণ্য মুখ পায়ের নিচে: ঢাবির জগন্নাথ হলে রাজাকারদের মুখাবয়ব এঁকে প্রতিবাদ


সহ-সম্পাদক

শাহারিয়া নয়ন

প্রকাশিত:১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার

ইতিহাসের ঘৃণ্য মুখ পায়ের নিচে: ঢাবির জগন্নাথ হলে রাজাকারদের মুখাবয়ব এঁকে প্রতিবাদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হলের ভেতরের সড়কগুলোতে দেখা গেছে এক ব্যতিক্রমী ও প্রতীকী প্রতিবাদের দৃশ্য। পিচঢালা কালো রাজপথ রূপ নিয়েছে ক্যানভাসে, যেখানে রং-তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ১৯৭১ সালের চিহ্নিত রাজাকার ও দেশদ্রোহীদের মুখাবয়ব।

এই চিত্রাঙ্কনের উদ্দেশ্য কোনো নান্দনিক সৌন্দর্য নয়; বরং এটি ইতিহাসের এক ঘৃণ্য অধ্যায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও প্রতিবাদের প্রকাশ। এমনভাবে এসব মুখাবয়ব আঁকা হয়েছে, যাতে পথচলতি মানুষের পায়ের নিচে সেগুলো পদদলিত হয়। আয়োজকদের ভাষায়, এর মাধ্যমে বিশ্বাসঘাতকদের দম্ভকে প্রতীকীভাবে ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেওয়াই মূল লক্ষ্য।

শিক্ষার্থীরা জানান, এই প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে তারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা এ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করতে চান। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্ম যেন হাঁটতে হাঁটতে ইতিহাসের সেই কালো অধ্যায়কে মনে রাখে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয় এটাই এই উদ্যোগের মূল বার্তা।


জনপ্রিয়


ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন

একুশে ফেব্রুয়ারি: শহীদদের রক্ত থেকে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য শুধুই একটি তারিখ নয়, এটি ছিল মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের দিন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষার মর্যাদা, ভাষার সঠিক ব্যবহার ও শহিদ মিনারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের গুরুত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ফুলের শ্রদ্ধা নাকি জ্ঞানের ভাষা? খুবিতে বাংলার অবস্থান

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২১ ফেব্রুয়ারির সকাল শুরু হয় নীরব শ্রদ্ধায়। শহীদ মিনারের পাদদেশ পুষ্পস্তবকে ভরে ওঠে, শিক্ষার্থীদের সাদা-কালো পোশাক আর কালো ব্যাজে ফুটে ওঠে শোকের প্রতীক। ভাষা শহীদদের স্মরণে ধ্বনিত হয় প্রতিজ্ঞা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দলের কর্মীর নাক ফাটিয়ে পালানোর অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক হল শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল-এ ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে নিজ দলের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হলের তিন তলার ছাদে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিন শিক্ষার্থী আহত হন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিষ্কারের দশ বছর পর ন্যায়বিচারের আশায় দুই শিক্ষার্থী

দীর্ঘ এক দশক পর ছাত্রত্ব ফিরে পেতে এবং অনার্স সনদ সংগ্রহের সুযোগ পেতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইসলামী ছাত্র সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে বহিষ্কৃত সীমা আক্তার (১২০৬৪৬) ও মাইশা ইসলাম (১৩১১০৫) গত বছরের ১ জানুয়ারি রেজিস্ট্রারের কাছে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার, বিএসসি সনদপত্র উত্তোলনের ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন।