অর্থনীতি


বিদ্যুৎ প্লান্ট বন্ধ থাকায় লোডশেডিং ছিল:নসরুল হামিদ


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০৬ মে ২০২৪, ০৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার

বিদ্যুৎ প্লান্ট বন্ধ থাকায় লোডশেডিং ছিল:নসরুল হামিদ
বিদ্যুতের জন্য অর্থ আর তেলের সংস্থান দুটোই আমাদের সংগ্রহ করতে হয়েছে। যেটা করতে গিয়ে কিছু বিদ্যুৎ প্লান্ট বন্ধছিল, তাছাড়া প্রাইভেট কোম্পানিগুলো ঠিকভাবে তেল আনতে পারছিল না। ফলে গ্রাম অঞ্চলে কিছুটা লোডশেডিং ছিল। তবে এখন লোডশেডিং অনেক কমে গেছে।

সোমবার (৬ মে) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও লোডশেডিং নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এসব কথা জানান।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হবে, এটা জানা ছিল না। কেউ সেভাবে প্রস্তুতও ছিল না। এ কারণে সারা দেশে কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখন একেবারেই নিয়ন্ত্রণে।  

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেঝ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন কোথাও যেন লোডশেডিং না হয়। 




জনপ্রিয়


অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জুলাই ২০২৬

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা।

৪ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে ফের টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

২ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম কমার পর আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

৬৩ পয়সার লিজ প্রস্তাবে ৪৪ কোটি টাকা ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করেছিলেন বশির

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাবেক উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নথি, মূল্যায়ন প্রতিবেদন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।