অর্থনীতি


১৪০০ কোটি টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এস আলমের সহযোগী বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার

১৪০০ কোটি টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এস আলমের সহযোগী বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে ১৪০০ কোটি টাকার ঋণখেলাপির অভিযোগে এস আলম গ্রুপের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আনসারুল আলম চৌধুরীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করেছে।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ব্যবসায়ী আনসারুল আলম চৌধুরী এস আলম গ্রুপের নিকটতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তার গ্রামের বাড়ি উত্তর চট্টগ্রামের রাউজানে। সিভিল এভিয়েশন এবং বিমানবন্দরের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার রাজনৈতিক সন্দেহভাজন তালিকায় তার নাম ছিল বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়।
জানা যায়, সোমবার সকালে দুবাই যাওয়ার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে আসেন ব্যবসায়ী আনসারুল আলম চৌধুরী। ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া ১৪০০ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ না করার অভিযোগে ইমিগ্রেশন পুলিশ তার বিদেশ যাত্রা আটকে দেয়। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়


অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জুলাই ২০২৬

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা।

৪ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে ফের টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

২ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম কমার পর আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

৬৩ পয়সার লিজ প্রস্তাবে ৪৪ কোটি টাকা ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করেছিলেন বশির

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাবেক উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নথি, মূল্যায়ন প্রতিবেদন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।