অর্থনীতি


চালু হওয়ার দুইদিনের মধ্যেই বন্ধ হলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার

চালু হওয়ার দুইদিনের মধ্যেই বন্ধ হলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম মাত্র দুই দিন চালু থাকার পর আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তৃতীয় ইউনিটে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে উত্তরাঞ্চল, বিশেষ করে দিনাজপুর অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে কয়লার সরবরাহ এবং যান্ত্রিক ত্রুটির সমস্যার সম্মুখীন হয়ে আসছে। তিনটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে একমাত্র তৃতীয় ইউনিটটি চালু ছিল, যা ১৯০-২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। তবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য নতুন যন্ত্রাংশ ও মেরামত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন প্রকৌশলীরা।

জনপ্রিয়


অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জুলাই ২০২৬

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা।

৪ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে ফের টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

২ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম কমার পর আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

৬৩ পয়সার লিজ প্রস্তাবে ৪৪ কোটি টাকা ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করেছিলেন বশির

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাবেক উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নথি, মূল্যায়ন প্রতিবেদন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।