অর্থনীতি


হাজার আয়কর প্রফেশনালের অংশগ্রহণে কর্পোরেট একাডেমির দেশের সবচেয়ে বড় আয়কর সামিট


সহ-সম্পাদক

শাহারিয়া নয়ন

প্রকাশিত:১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার

হাজার আয়কর প্রফেশনালের অংশগ্রহণে কর্পোরেট একাডেমির দেশের সবচেয়ে বড় আয়কর সামিট
প্রায় এক হাজার আয়কর প্রফেশনালের অংশগ্রহণে কর্পোরেট একাডেমির উদ্যোগে দেশের সবচেয়ে বড় আয়কর সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়কর ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং আয়কর প্রফেশনালদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ সামিটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নবীন কর আইনজীবী, আয়কর প্রফেশনাল ও সংশ্লিষ্ট শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এফসিএমএ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নবীন কর আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে অর্থের কথা না ভেবে শতভাগ ক্লায়েন্ট সার্ভিস নিশ্চিত করুন, অর্থ নিজেই আপনাদের পেছনে দৌড়াবে।

 তিনি জাতীয় কর ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি এবং এনবিআরের চলমান করদাতা-বান্ধব উদ্যোগে আয়কর প্রফেশনালদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

সামিটে দুটি গুরুত্বপূর্ণ কী-নোট পেপার উপস্থাপন করা হয়। মূল পর্বে “Domestic Revenue Mobilization in Bangladesh: The Future Trajectory” শীর্ষক কী-নোট পেপার উপস্থাপন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন এফসিএমএ। টেকনিক্যাল সেশন পর্বে “Optimizing Tax Revenue in Bangladesh” শীর্ষক আরেকটি কী-নোট পেপার উপস্থাপন করেন স্নেহাসিস মাহমুদ অ্যান্ড কোং-এর পার্টনার স্নেহাসিস বড়ুয়া এফসিএ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিএস কর একাডেমির মহাপরিচালক মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)-এর পরিচালক ওয়াকিল আহমেদ, সাবেক সদস্য (আয়কর) রঞ্জন কুমার ভৌমিক এফসিএমএ, ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার-এর চেয়ারম্যান মাসুদ খান এফসিএ, এফসিএমএ, পুলুটুস কনসালটিং-এর সিইও নাজমুল হায়দার এফসিএমএ, ট্রান্সকম ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ডিজিএম (ফাইন্যান্স) মোহাম্মদ রেফাউল করিম চৌধুরি এফসিএ, হোসাইন মামলুক অ্যান্ড কোং-এর সিইও মো. মামলুক হোসাইন এফসিএ, এফসিএমএ এবং প্রতিষ্ঠানটির ডাইরেক্টর নব কৃষ্ণ মুনি এফসিএমএসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সামিটে আয়কর প্রফেশনালদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও দিকনির্দেশনা বিষয়ক একটি বিশেষ প্যানেল ডিসকাশন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেল স্পিকার হিসেবে আলোচনা করেন রঞ্জন কুমার ভৌমিক এফসিএমএ, ওয়াকিল আহমেদ ও স্নেহাসিস বড়ুয়া এফসিএ। সেশনটি সঞ্চালনা করেন মো. আরিফুর রহমান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কর্পোরেট একাডেমির ফাউন্ডার অ্যান্ড চেয়ারম্যান মো. আরিফুর রহমান। সমাপনী বক্তব্য রাখেন কর্পোরেট একাডেমির এডভাইজার এবং সাবেক সদস্য (টেকনিক্যাল), কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনাল মোহাম্মদ ফখরুল আলম।

এছাড়া অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার-এর চেয়ারম্যান মাসুদ খান এফসিএ, এফসিএমএ, হোসাইন মামলুক অ্যান্ড কোং-এর সিইও মো. মামলুক হোসাইন এফসিএ, এফসিএমএ, ভাইয়া হাউজিং লিমিটেডের সিএমও মো. ফরহাদ উদ্দিন এবং কর্পোরেট একাডেমি প্রফেশনাল ফোরামের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজন ও সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কর্পোরেট একাডেমি প্রফেশনাল ফোরাম।

জনপ্রিয়


অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জুলাই ২০২৬

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা।

৪ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে ফের টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

২ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম কমার পর আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

৬৩ পয়সার লিজ প্রস্তাবে ৪৪ কোটি টাকা ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করেছিলেন বশির

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাবেক উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নথি, মূল্যায়ন প্রতিবেদন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।