ফুটবল


সেরার দৌড়ে রিচার্লিসন আর লাউতেরো মার্টিনেজের মাঝে কে এগিয়ে?


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১৭ এপ্রিল ২০২৩, ০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার

 সেরার দৌড়ে রিচার্লিসন আর লাউতেরো মার্টিনেজের মাঝে কে এগিয়ে?
একদিকে ব্রাজিলে দুর্দান্ত রিচার্লিসন ,অন্যদিকে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে লাউতেরো মার্টিনেজ ভরসা জাগাচ্ছেন একটু একটু করে। বর্তমানে তিনি  দারুন ছন্দে  ক্লাব ফূটবলেও। বিশেষ করে বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে মার্টিনেজের  ধারাবাহিক নৈপুন্য অব্যাহত। 

রিচার্লিসনকে ব্রাজিল দলে মুল স্ট্রাইকার পজিসনে খেলানো হলেও, মুলত  সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন তিনি। অন্যদিকে লাউতেরো মার্টিনেজও অনেকটা সেরকমই। সেণ্টার ফরোয়ার্ড, স্ট্রাইকার বৈচিত্রময়ি এক প্লেয়ার তিনি। 

রিচার্লিসন ব্রাজিলকে জিতিয়েছিলেন সামার অলিম্পিক, অন্যদিকে মার্টিনেজ  ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টে ছিলেন অসাধারন। 

বিশ্বকাপ জয়ি লাউতেরো, ক্লাবে ইন্টার মিলানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দুর্দান্তভাবে। অন্যদিকে এই সিজনের শুরু থেকেই টটেনহামে খেই হারা  রিচার্লিসন।

ব্রাজিলের উজ্জ্বল প্রতিভার নাম রিচার্লিসন । ক্যারিয়ারের প্রথম থেকেই দারুন উজ্জ্বল তিনি। 
যদিও ক্লাবের পারফর্মেন্সে রিচার্লিসনের সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছেনা ইদানীং।

ইউরোপের ক্লাব এভারটনেও  প্রতিনিয়ত  নিজের পারফর্মেন্স নৈপুন্য  বজায় রাখতে দেখা গেছে তাকে । ১৫২  ম্যাচে ৫৩ গোলের দারুন এক স্মরনীয় কৃতিত্ব  রেখে টটেনহামে পাড়ি জমান তিনি। 

টটেনহামে এসে যেন খেই হারা রিচার্লিসন,ইঞ্জুরি আর অফ ফর্ম তাকে সমালোচিত করছে বাজে ভাবে।বিশেষ করে বিশ্বকাপের পর তো  খুজেই পাওয়া যাচ্ছেনা তাকে। ২০ ম্যাচ খেলেও ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে গোলের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। 

এদিকে ক্লাবের হয়ে  লাউতেরো মার্টিনেজের রয়েছে ঈর্ষনীয় পারফর্মেন্স।ইন্টার মিলানের হয়ে   এখন পর্যন্ত ২২৪ ম্যাচে খেলে করেছেন ৯১ গোল।  

সাম্প্রতিক পারফর্মেন্সেও তিনি আরো দুর্দান্ত। বিশেষ করে বিশ্বকাপের পর থেকে যেন নতুন ছন্দ খুজে পেয়েছেন তিনি।

বহু দিন পর ইন্টারকে উঠিয়েছেন চ্যাম্পিয়নস লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে। লীগ টেবিলেও ব্যাপক উন্নতি ইন্টারের। এরই মাঝে ৩০ ম্যাচে ১৪ গোল করে সিরি’আ লীগের ২য় টপ স্কোরার বর্তমানে, লাউতেরো মার্টিনেজ।

তবে বিশ্বকাপে তার উপর প্রত্যাশা ছিল খুব বেশি, কিন্তু সেই প্রত্যাশার বিন্দুমাত্র প্রতিদান তিনি দিতে পারেননি।

যদিও তার দল আর্জেন্টিনা সোনালি ট্রফিটি জিতে যাওয়ায় তার পারফর্মেন্স নিয়ে তেমন সমালোচনা আসেনি।

অন্যদিকে এই  বিশ্বকাপে রিচার্লিসনের জন্য রয়েছে দারুন কিছু স্মৃতি। হেক্সা মিশনে  ব্যর্থ হলেও ৩  টি গোল করেছেন ব্রাজিলের জন্য। তার মাঝে সার্বিয়ার বিপক্ষে বাইসাইকেল কিকটি মুগ্ধ করেছে পুরো বিশ্বকে।

 ব্রাজিলের জার্সিতে বরাবরই দারুন ফর্মে রিচার্লিসন। ঝুলিতে রয়েছে ২০২০ সালে সামার অলিম্পিকে স্মরনীয় করে রাখার মতো কিছু পরিসংখ্যন। সে টুর্নামেণ্টে ৬ ম্যাচে করেছেন ৫ টি গোল। 

অপরদিকে  আর্জেন্টাইন প্লেয়ার  লাউতেরো মার্টিনেজ এখন আলবিসেলেস্তেদের ভরসার প্রতীক।২০২১ সালে মেসির সাথে দারুন এক কম্বিনেশন তৈরি করে জিতে ছিলেন কোপা আমেরিকা শিরোপা। টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে করেছিলেন ৩ টি গোল। 





সম্পর্কিত

খেলার খবর

জনপ্রিয়


ফুটবল থেকে আরও পড়ুন

ভোজিনিয়া নাকি মার্তিনেজ, কার হাতে উঠবে গোলকিপারদের লড়াইয়ের মুকুট?

স্পেনকে রুখে দিয়ে এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকগুলোর একটি দেখিয়েছে কেপ ভার্দে। ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে গোলপোস্ট অক্ষত রেখে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন দলটির গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার জনপ্রিয়তা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

ইন্টার মায়ামির অনূর্ধ্ব-১৪ দলে শিরোপা জিতল মেসির বড় ছেলে

আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে ‘এমআইসি ফুটবল ২০২৬’ টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে। ফাইনালে গট এফসিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইন্টার মায়ামির যুবারা।

৪৬ বছর বয়সে অবসর ভেঙে ফুটবলে ফিরলেন রোনালদিনহো

ফুটবলকে বিদায় জানানোর এক দশকেরও বেশি সময় পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদিনহো। ৪৬ বছর বয়সে অবসর ভেঙে ইতালির তৃতীয় বিভাগের ক্লাব রাভেন্নায় যোগ দিয়েছেন সাবেক ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। ফুটবল বিশ্বকে বিস্মিত করা তার এই প্রত্যাবর্তনের খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

মেসি-রোনালদোর ইতিহাস, চমক আর নাটকীয়তায় জমে উঠল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড

রেকর্ড, নাটকীয়তা, চমক আর আবেগঘন মুহূর্তে ভরপুর ছিল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ড। একদিকে যেমন ইতিহাস গড়েছেন পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, অন্যদিকে নতুন রেকর্ডে বিশ্বকাপকে রাঙিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। পাশাপাশি নরওয়ের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, মিসরের ঐতিহাসিক জয়, ইরানের লড়াকু মানসিকতা এবং তুরস্কের হতাশাজনক বিদায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।