.jpg&w=3840&q=75)

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নীরবে কেঁদে ফেলেন আলোচিত সাংবাদিক আনিস আলমগীর। বুধবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালতে এই দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় পাশে থাকা আইনজীবীরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
আদালত দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন এবং পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে তার আইনজীবী নাজনীন নাহার জানান, আদেশ ঘোষণার পর আনিস আলমগীর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তখন তাকে সান্ত্বনা দিয়ে নাজনীন নাহার বলেন, “আপনাকে শক্ত থাকতে হবে। এগুলো মিথ্যা মামলা। আপনি দুর্বল হলে পরিবারও ভেঙে পড়বে।”
আদালতের কার্যক্রম শেষে আনিস আলমগীরকে কাঠগড়া থেকে ঢাকা মহানগর হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। শুনানির সময় তার আইনজীবী আদালতকে জানান, মামলায় যে ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি আনিস আলমগীরের পুরোনো ঠিকানা। বর্তমানে তিনি সেখানে বসবাস করেন না। এ কারণে ঠিকানা সংশোধনের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
এদিন সকাল বেলা ১১টার দিকে লাল জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় আনিস আলমগীরকে মহানগর হাজতখানা থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা কাঠগড়ায় অবস্থান করেন। মাঝে মাঝে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাকে। তবে এদিন তার পক্ষে কোনো জামিন শুনানি করা হয়নি। শুনানির সময় আইনজীবী নাজনীন নাহার ও তাসলিমা জাহান পপি উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কারাগারে থাকা আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদকের করা নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান। ওই আবেদনের শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন আদালত। বর্তমানে তিনি উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
দুদক সূত্র জানায়, গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, তার নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
অন্যদিকে তার বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে মোট ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয়, টক শো ও কনসালটেন্সি আয়, প্লট বিক্রি এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ অন্তর্ভুক্ত। এই হিসাবে বৈধ আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া গেছে, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। দুদক এসব সম্পদকে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত হিসেবে উল্লেখ করেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুলেশনারী এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় আনিস আলমগীরের পাশাপাশি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়। এই মামলায় ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।