.jpg&w=3840&q=75)

চট্টগ্রামে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত এক দশকে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলার একটিরও বিচার এখন পর্যন্ত শেষ হয়নি। এতে হতাশ নিহতদের পরিবার ও বিচারপ্রার্থীরা।
২০১৬ সাল থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এসব সহিংসতা ঘটে। নিহতদের মধ্যে নয়জন গুলিতে এবং দুজন ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান। আদালত সূত্র জানায়, ১১টি মামলার মধ্যে ৮টি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। বাকি তিনটির তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী বলেন, বিচার বিলম্বিত হওয়ায় অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে। অস্ত্রধারীদের আইনের আওতায় না আনলে এ ধরনের সহিংসতা অব্যাহত থাকবে।
গত বছরের ৫ নভেম্বর নগরের বায়েজিদ এলাকায় চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর জনসংযোগে গুলি চালিয়ে সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বিএনপির প্রার্থীসহ ছয়জন আহত হন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সরোয়ার একাধিক মামলার আসামি ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের শুটারকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। মামলাটি তদন্তাধীন।
বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বলেন, অস্ত্র উদ্ধার ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় তিনি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম জানান, শুটার শনাক্তে কাজ চলছে।
২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সাতকানিয়ার নলুয়া ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র মো. তাসিফ নিহত হয়। একই দিনে বাজালিয়া ইউনিয়নে সংঘর্ষে আবদুস শুক্কুর নামে এক যুবক গুলিতে নিহত হন। উভয় মামলাই সাক্ষ্য পর্যায়ে রয়েছে।
একই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে কলেজছাত্র হাবিবুর ইসলাম মারা যান। এ ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।
২০২১ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পৃথক দুই ঘটনায় দুজন নিহত হন। আগ্রাবাদে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত দুই প্রার্থীর অনুসারীদের সংঘর্ষে আজগর আলী নিহত হন। অন্যদিকে পাহাড়তলীতে সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হন দিনমজুর আলাউদ্দিন। দুটি মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
২০২১ সালের ১১ নভেম্বর ফটিকছড়িতে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শফি ছুরিকাঘাতে নিহত হন। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্য পর্যায়ে রয়েছে।
২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর পটিয়া ও বাঁশখালীতে পৃথক ঘটনায় তিনজন নিহত হন। পটিয়ায় সংঘর্ষে যুবলীগকর্মী দ্বীন মোহাম্মদ ও ইসলামী ফ্রন্ট কর্মী আবু সাদেক নিহত হন। বাঁশখালীতে গুলিতে নিহত হন জাতীয় পার্টির কর্মী আহমদ কবীর। এসব মামলার বিচার এখনো শেষ হয়নি।
২০১৬ সালের ৫ মে হাটহাজারীতে নির্বাচনী প্রচারণায় গুলিতে যুবলীগ কর্মী নুরে এলাহী নিহত হন। মামলায় সাবেক কাউন্সিলর তৌফিক আহমেদকে আসামি করা হয়েছে। ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। মামলাটি এখনো সাক্ষ্য পর্যায়ে।
চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আশরাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, সাক্ষীরা আদালতে হাজির না হওয়া এবং মামলাজটের কারণে বিচার বিলম্বিত হচ্ছে। দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য রাষ্ট্রপক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নিহতদের স্বজনেরা বলছেন, বছরের পর বছর কেটে গেলেও বিচার না হওয়ায় তারা নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশায় ভুগছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।