লাইফস্টাইল


তীব্র এ গরমে দিনে কয়বার গোসল করা উচিত?


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:২৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার

তীব্র এ গরমে দিনে কয়বার গোসল করা উচিত?
তাপমাত্রার পারদ যেভাবে উপরে উঠতে শুরু করেছে , তাতে শরীর সুস্থ রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ সময় অনেকের দিনে তিন-চারবার গোসল না করলে যেন শান্তি হয় না। তবেী তীব্র গরমে বারবার গোসল করা কি আসলেই ভালো?

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মত হলো, সর্বোচ্চ দু’বার গোসল করলে উপকার মিলবে এই গরমে। তার মতে, বেশি গোসল করলে শরীরে একটু স্বস্তি মেলে ঠিকই, তবে ক্ষতিই বেশি। তাই দিনে দু’বারের বেশি গোসল একেবারেই করা উচিত নয়। এতে কিছু ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।

যদিও গোসলের সময়ের কোনো বাধা ধরা নিয়ম নেই। তাই বাইরের ধুলাবালির পরিবেশ থেকে ফিরে একবার গোসল করে নেওয়া ভালো। আর রাতে একবার ঘুমানোর আগে গোসল করতে পারেন।

আমাদের ত্বক নিজে থেকে এক ধরনের তৈলাক্ত পদার্থ ক্ষরণ করে। একে সিবাম বলে। এই সিবাম গোসল করলে শরীর থেকে চলে যায়। অনেকে গোসল করার সময় সাবান ব্যবহার করেন। সাবান সিবামের জন্য ক্ষতিকর।

ত্বকের প্রাকৃতিক তেল সিবামকে নষ্ট করে দেয় সাবান। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। শুষ্ক ত্বকের আবার নানা সমস্যা হতে পারে। ত্বকের একাধিক রোগের কথা তুলে ধরলেন চিকিৎসকরা।

একজিমা, সোরিয়াসিসের মতো রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে একদিকের সমস্যা মেটাতে গিয়ে অন্যদিকে সমস্যা ডেকে আনে বারবার গোসল। প্রচণ্ড গরমে শরীরের উষ্ণতা কমাতে স্পঞ্জিং করা যায়। তবে গোসলের সঙ্গে স্পঞ্জিংয়ের বিশেষ পার্থক্য নেই।



জনপ্রিয়


লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন

যেসব খাবার দিয়ে ইফতার শুরু করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

ইফতারে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পেটের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই সারা দিন রোজা রাখার পর এমন খাবার খাওয়া উচিত, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এবং গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে। এজন্য একজন ব্যক্তির জীবনধারা, বয়স ও বিদ্যমান রোগ অনুযায়ী ব্যক্তিনির্ভর খাদ্য পরিকল্পনা তৈরি করা উচিত।

ইফতারে মুড়িতে জিলাপি: এই বিতর্কের শেষ কোথায়?

জিলাপির ইতিহাস মুঘল আমল পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে মুড়ির সঙ্গে জিলাপি মেশানোর রীতি এসেছে পুরান ঢাকার ইফতার সংস্কৃতি থেকে এমন ধারণা অনেকের। চকবাজারের ইফতারে ঘিয়ে ভাজা বা শাহী জিলাপি মুড়ির সঙ্গে খাওয়ার চল বহু বছরের।

শীতের নিস্তেজ ত্বকে ফিরিয়ে আনুন হারানো লাবণ্য

শীতকাল মানেই নরম রোদ, শীতল বাতাস আর আরামদায়ক আবহ। তবে ত্বকের জন্য এই সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক দ্রুত তার স্বাভাবিক ময়েশ্চার হারাতে শুরু করে। ফলাফল ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, ফ্যাকাশে ও নিস্তেজ। আয়নায় তাকালে অনেকেরই মনে হয়, ত্বক যেন ত

কুসুম না সাদা অংশ—ডিমের কোনটা বেশি উপকারী?

ছোট–বড় সবারই প্রিয় খাবার ডিম। সকালের নাশতা হোক কিংবা ডায়েট চার্ট ডিম প্রায় সবার তালিকায় থাকে। তবে ওজন কমানো বা মাংসপেশি গড়ার কথা উঠলেই একটি প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসে ডিমের কুসুম খাব, নাকি শুধু সাদা অংশই যথেষ্ট? অনেকেই কোলেস্টেরলের ভয়েই কুসুম ফেলে দেন। কিন্তু পু