

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা ও সমালোচনা রয়েছে। সরাসরি ভোটের পরিবর্তে পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে এসব আসনে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন কতটা হচ্ছে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বারবার।
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদমহিউদ্দিন আহমদ।
বর্তমানে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০টি। শুরুতে ১৫টি আসন দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হয়েছে। ১৯৭৯ ও ১৯৮৬ সালের সংসদে ৩০টি আসন ছিল, ১৯৮৮-৯০ মেয়াদে সংরক্ষিত আসন ছিল না। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের সংসদে আবার ৩০টি আসন রাখা হয়। অষ্টম সংসদে তা বাড়িয়ে ৪৫ এবং নবম সংসদ থেকে ৫০টি করা হয়।
আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল যতগুলো আসনে জয়ী হয়, তার ভিত্তিতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। সাধারণভাবে প্রতি ছয়টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত আসন পায় দলগুলো। অর্থাৎ কোনো দল যদি ছয়টি আসনে জয়ী হয়, তবে তারা একটি সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন দিতে পারে।
এরপর সংশ্লিষ্ট দল থেকে একাধিক নারী প্রার্থী মনোনয়ন পেতে পারেন এবং সেই দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে একজন প্রার্থী নির্বাচিত হন। ফলে সাধারণ জনগণ সরাসরি এই আসনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়, যদিও একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যু এবং দুটি আসনের ফল স্থগিত থাকায় ২৯৭টি আসনের ফলাফল কার্যকর রয়েছে। এই ফলাফলের ভিত্তিতে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি জোট মোট ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে। সে অনুযায়ী তারা প্রায় ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে, বাকি তিনটি আসনের ফল চূড়ান্ত হলে আরও একটি আসন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত জোট ৭৭টি আসনের বিপরীতে ১২ থেকে ১৩টি আসন পেতে পারে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একত্র হলে একটি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশজানিয়েছে, সাধারণ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, দলগুলো তালিকা দিলে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে নারী প্রার্থী ছিলেন ৮৬ জন। এর মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র সাতজন, যার ছয়জনই বিএনপির এবং একজন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।
ফলে সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব অনেকাংশেই সংরক্ষিত আসনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ মনে করেন, বর্তমান পদ্ধতিতে নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয় না, কারণ তারা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না।
বিশ্লেষকদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে তৃণমূলের সক্রিয় নারী নেত্রীরা মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হন, আর দলীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা সহজেই সুযোগ পান এমন অভিযোগও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমিন টুলীর মতে, সংসদের ৩০০ সাধারণ আসনের বিপরীতে ৫০টি সংরক্ষিত আসন থাকায় প্রতি ছয়টি আসনের জন্য একটি করে নারী এমপি নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হয়।
বিগত কয়েকটি নির্বাচনে দেখা গেছে, দলগুলো তাদের নির্ধারিত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার ফলে অনেক ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা নির্বাচিত হয়েছেন।
২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৮টিতেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছিল। জাতীয় পার্টি পেয়েছিল দুটি আসন।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।