মতামত
জুলাই সনদ ও গণভোট: সীমাবদ্ধতার মাঝেও রাষ্ট্র সংস্কারের এক কাঠামোগত সম্ভাবনা

ছবি: দূরবিন নিউজ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণভোট একটি বিরল অনুশীলন। স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার বড় পরিবর্তনগুলো সাধারণত হয়েছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শক্তির উদ্যোগে, সরাসরি জনগণের সম্মতির মাধ্যমে নয়। সেই অর্থে জুলাই সনদ নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট নিছক একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো সংস্কার করা হবে কি না সে বিষয়ে জনগণের মতামত নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
ভোট ব্যক্তিগত ও গোপনীয় বিষয়। গণভোটের ব্যালটে প্রশ্ন থাকবে চারটা। চার নম্বর প্রশ্নের ভেতরেই প্রথম তিনটা প্রশ্ন আছে। চার নম্বর প্রশ্নে বলা হয়েছে, আপনি কি ’জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন দেখতে চান কিনা? জুলাই সনদের ভেতরেই প্রথম তিনটি প্রশ্নে উল্লেখিত সব বিষয়বস্তু আছে।
এই গণভোটে ব্যালটে চারটি প্রশ্ন থাকলেও বাস্তবে মূল প্রশ্ন একটিই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে কি না। কারণ, প্রথম তিনটি প্রশ্নের বিষয়বস্তু চতুর্থ প্রশ্নের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ ভোটার ‘হ্যাঁ’ বললে পুরো জুলাই সনদ কার্যকর করার একটি সাংবিধানিক ম্যান্ডেট তৈরি হবে, আর ‘না’ বললে পুরো সনদই বাতিল হয়ে যাবে। এখানে আংশিক গ্রহণ বা বর্জনের সুযোগ নেই। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সংস্কার প্যাকেজ।
জুলাই সনদ মোট ৮৪টি ধারায় গঠিত
এর মধ্যে ৪৭টি ধারা সরাসরি সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং বাকি ৩৭টি আইন, অধ্যাদেশ বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য। ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে আগামী সংসদ সাংবিধানিকভাবে এই ধারাগুলো বাস্তবায়নে বাধ্য থাকবে। অর্থাৎ এটি কোনো নীতিগত সুপারিশ নয়; এটি একটি বাধ্যতামূলক রোডম্যাপ।
স্বাভাবিকভাবেই এত বড় একটি দলিলে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ প্রস্তাব থাকবে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই সনদটি কি রাষ্ট্র পরিচালনার দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যাগুলোর দিকে নজর দিয়েছে? সেই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও জুলাই সনদ রাষ্ট্রের ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা মোকাবিলার একটি সুসংহত কাঠামো প্রস্তাব করেছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো ক্ষমতার অতিমাত্রায় কেন্দ্রীকরণ। প্রশাসন, বিচার বিভাগ, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ কার্যত প্রধানমন্ত্রীর হাতে কেন্দ্রীভূত। এই বাস্তবতা বহুবার রাজনৈতিক সংকট, নির্বাচন নিয়ে অনাস্থা ও প্রতিষ্ঠানগত দুর্বলতার জন্ম দিয়েছে।
জুলাই সনদের একটি বড় শক্তি হলো এই কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা কাঠামো ভাঙার সুস্পষ্ট প্রয়াস। রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, পিএসসি ও দুর্নীতি দমন কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংসদ, বিচার বিভাগ ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব যুক্ত করার প্রস্তাব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক নিয়ন্ত্রণ থেকে বের করে আনার একটি পদক্ষেপ। এখন দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেয় প্রধানমন্ত্রী। হ্যাঁ পাশ হলে সংসদ সদস্য, আপিল বিভাগের প্রতিনিধি, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার প্রতিনিধি এরকম লোকবলের সমন্বয়ে এই নিয়োগে হবে।
যুক্তরাজ্য, কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো গণতান্ত্রিক দেশে বিচারপতি ও সাংবিধানিক নিয়োগে নির্বাহী বিভাগের একক কর্তৃত্ব নেই। বহুপক্ষীয় নিয়োগ প্রক্রিয়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা বাড়ায়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে জুলাই সনদের এই প্রস্তাবগুলো আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের সঙ্গেই সঙ্গতিপূর্ণ।
জুলাই সনদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টকে প্রশাসনিকভাবে শক্তিশালী করা, প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে বিচারক নিয়োগ, নির্বাহী হস্তক্ষেপ সীমিত করা এবং প্রত্যেক বিভাগে হাইকোর্ট বেঞ্চ স্থাপনের প্রস্তাব দীর্ঘদিনের নাগরিক দাবির প্রতিফলন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে অসংখ্য ধারা আছে সনদে। এসব ধারায় সরকারের পরিবর্তে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টকে ক্ষমতায়িত করা হয়েছে, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা, প্রত্যেক বিভাগে হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন, হাইকোর্টের নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তে প্রধান বিচারপতি করবেন।
আইনের শাসন ছাড়া গণতন্ত্র কার্যকর হয় না এটি এখন প্রতিষ্ঠিত সত্য। বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপি ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের গবেষণায় দেখা গেছে, যেখানে বিচার বিভাগ স্বাধীন ও কার্যকর, সেখানে বিনিয়োগ, সুশাসন ও মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো। এই অর্থে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কেবল নৈতিক প্রশ্ন নয়, এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের ব্যর্থতা। জুলাই সনদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সংবিধানে পুনঃসংযোজনের প্রস্তাব এই দীর্ঘস্থায়ী আস্থাহীনতা মোকাবিলার একটি প্রয়াস।
নেপাল, পাকিস্তান ও গ্রিসের মতো দেশে অন্তর্বর্তী বা নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন রাজনৈতিক আস্থা পুনর্গঠনে ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশেও অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে তুলনামূলকভাবে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
জুলাই সনদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হলো দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা। নিম্নকক্ষ থাকবে ৩০০ আসনের এবং উচ্চকক্ষ হবে ১০০ আসনের। উচ্চকক্ষে ভোটের শতাংশ অনুযায়ী আসন বণ্টন করা হবে। এই ব্যবস্থার একটি বড় সুবিধা হলো ছোট দল ও সংখ্যালঘু মতামত সংসদে প্রতিনিধিত্ব পাবে। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানির মতো দেশে উচ্চকক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার একচেটিয়া আধিপত্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের মতো বহুমাত্রিক সমাজে এই ভারসাম্য গণতন্ত্রকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে পারে।
একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন এই প্রস্তাব ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি কাঠামোগত সুরক্ষা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের পদ পৃথক রাখার বিধান দলীয় ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিভাজন নিশ্চিত করতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো ও ফ্রান্সের মতো দেশে রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের মেয়াদ সীমাবদ্ধ রাখার ফলে ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর সহজ হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হয়েছে।
রাস্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে অনেকগুলো ধারা আছে। রাস্ট্রপতি আর প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করতে পারবেন না, ওটা আপিল বিভাগ থেকে হবে, দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্য রাস্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারবে, এখন প্রকাশ্য ভোটে রাস্ট্রপতি নির্বাচিত হয়, তখন গোপন ভোটে নির্বাচন করতে পারবেন।
সরকারি কর্মচারির বিরুদ্ধে মামলা করতে দুদককে সরকারের অনুমতি নিতে হবেনা। আইনজীবিরা রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন হতে পারবেনা। দুটোই ভাল প্রস্তাব!
সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব ধাপে ধাপে ৩৩ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব নিঃসন্দেহে একটি অগ্রগতিশীল চিন্তা। বাস্তবতায় রাজনৈতিক দলগুলোর অনীহা থাকলেও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা তৈরি হলে দলগুলোকে নারীনেতৃত্ব গড়ে তুলতে বাধ্য হতে হবে। রুয়ান্ডা, বলিভিয়া ও মেক্সিকোর মতো দেশে সাংবিধানিক কোটা নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে। বাংলাদেশেও এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
জাতীয় পরিচয়, রাষ্ট্রের চার মূলনীতি- বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এ সব বিষয়ে ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক। তবে মনে রাখতে হবে, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানেই এসব ধারা চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় হয়ে যাওয়া নয়। সংবিধান সংশোধনের সুযোগ ভবিষ্যতেও সংসদের হাতে থাকবে। ভারতের সংবিধান স্বাধীনতার পর থেকে শতাধিকবার সংশোধিত হয়েছে। সংবিধান একটি জীবন্ত দলিল সময়ের প্রয়োজনে তা সংশোধিত হয়। একটি সংস্কার কাঠামো অনুমোদন করা মানে আলোচনার দরজা বন্ধ করা নয়; বরং প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনার পথ খুলে দেওয়া।
দারিদ্র্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের সংকট, দুর্নীতি ও সহিংসতা এই সমস্যাগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান কোনো একক সনদে নেই। তবে এসব সমস্যার মূল কারণ দুর্বল প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহির অভাব ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ সেগুলো মোকাবিলায় জুলাই সনদ একটি কাঠামোগত সূচনার প্রস্তাব দেয়।
জুলাই সনদ নিখুঁত নয়, কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় অপূর্ণ সংস্কার দিয়েই অনেক দেশ ধাপে ধাপে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সেই বিবেচনায়, এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে নিখুঁত সমাধান নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারের একটি সম্ভাব্য সূচনা বিন্দু হিসেবে দেখা যেতে পারে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অবশ্যই ভোটারের, নাগরিকদের, ব্যক্তির, জনগণের, সমাজের পরিশেষে রাষ্ট্রের । তবে সেই সিদ্ধান্ত যেন আবেগ নয়, তথ্য, কাঠামোগত বাস্তবতা ও দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই নেওয়া হয় এটাই এই গণভোটের মূল তাৎপর্য। ভোট আপনার, সিন্ধান্তও আপনার।
- বি. এম. হাসান মাহমুদ
লেখক ও রাজনীতি বিশ্লেষক
জনপ্রিয়
মতামত থেকে আরও পড়ুন
‘ইনকিলাব’ নিয়ে বিতর্ক: কলম-ওকিল-ইশারাও কি তবে বাংলা নয়?
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেওয়া এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ‘ইনকিলাব’ শব্দ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, “‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বাংলা ভাষাকে মায়ের ভাষা হিসেবে সম্মান করতে হলে এ ধরনের স্লোগান গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”

কেন অনলাইনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় জামায়াতে ইসলাম? শুধুই কি ‘বট আইডি’, নাকি ভিন্ন কিছু?
‘বট’ আইডির বিষয়টি এখন বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেক নেটিজেনরাই জানেন, এবং ‘বট’ বলে ট্যাগ করেন, কিন্তু এর বাইরের কারণগুলো নিয়েই আলোচনা বেশি জরুরি এখন। আসলে এখানে জড়িত আরও বেশ কিছু গভীর সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতা।
.jpg)
জেন-জির অভ্যুত্থানে ক্ষমতার পালাবদল, নির্বাচনে ফিরছে কি পুরোনো রাজনীতি
জেন-জির নেতৃত্বে রাস্তায় নেমে এসেছিল একটি প্রজন্ম। তাদের কণ্ঠে ছিল পরিবর্তনের দাবি, চোখে ছিল নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন। সেই জেন–জির নেতৃত্বেই সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে পতন ঘটে দীর্ঘদিনের শাসক শেখ হাসিনার। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি প্রজন্ম আশা করেছিল রাজনীতিতে মৌলি
.jpg)
ক্ষমতার ভারসাম্যনীতিঃ বাংলাদেশে আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগের অসাম্য অবস্থান
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি মৌলিক স্তম্ভ হলো ক্ষমতার ভারসাম্যনীতি। মন্টেস্কিয়ুর তত্ত্ব অনুযায়ী রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান অঙ্গ আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে, কিন্তু একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্যে রাখবে। এই নীতির উদ্দেশ্য
.jpg)

.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)