রাজনীতি


সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর সামনে শপথ নিলেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর সামনে শপথ নিলেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা
দেশবিরোধী সব অপশক্তি ধ্বংস করতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে শপথ নিয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের স্মরণকালের বৃহৎ ছাত্র সমাবেশে নেতাকর্মীরা এই শপথ নেন।

সমাবেশে যোগ দেয়া নেতাকর্মীরা বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে মর্যদাশীল করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভূপৃষ্ঠ থেকে মহাকাশ পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়ানোর শপথ নেন। ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন শপথ বাক্য পাঠ করেন। আর ছাত্রলীগের সব নেতাকর্মী দাঁড়িয়ে সামনে হাত বাড়িয়ে শপথ পাঠ করেন।

শপথ বাক্যে সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমরা বাঙালির মহান স্বাধীনতা ও পূর্ব পুরুষের পবিত্র রক্তে ভেজা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের নব রুপায়নের রুপকার বাঙালির নির্ভরতার শেষ ঠিকানা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নামে দৃঢ়চিত্তে শপথ করছি যে, তারুণ্যের স্বপ্নের স্বদেশ, পিতার কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা এবং কন্যার পরিকল্পিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপসহীন, অক্লান্ত, আমৃত্যু সদা সর্বদা সচেষ্ট থাকব।

ছাত্রলীগ সভাপতি শপথ বাক্যে আরও বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, বঙ্গমাতার সাধনা, দেশরত্নের সাহসকে নিজের জীবন গঠনে ও সমৃদ্ধ স্বদেশ গড়তে মূলনীতি মানবো। তারুণ্য লড়বে, তারুণ্য গড়বে, তারুণ্য দেশবিরোধী সব অপশক্তিকে পিতার তর্জনীর দাপটে ধ্বংস করবো। জাতির পিতার আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রশ্নে এ দেশের তরুণ প্রজন্মকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।

শপথের আগে সমাবেশে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও সাদ্দাম হোসেন বক্তব্য দেন। আর পরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও শেখ হাসিনা বক্তব্য দেন।

এর আগে, শিখা চিরন্তন গেট দিয়ে বিকেল পৌনে ৪টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সম্মেলনের মূল মঞ্চে প্রধান অতিথির আসন গ্রহণ করেন তিনি।

সমাবেশে আসা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ সময় ‘ওয়ানস অ্যাগেইন শেখ হাসিনা’ স্লোগান দিতে থাকেন। সারাদেশ থেকে সংগঠনটির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এই সমাবেশে অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী পৌঁছানোর পর জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগের এ সমাবেশ শুরু হয়। এ সময় পরিবেশন করা হয় ছাত্রলীগের দলীয় সংগীত। দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন ছাত্রলীগের সদস্যরা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। এক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে শোক জানানো হয়।

ছাত্রলীগের অভিভাবক শেখ হাসিনাকে ব্যাচ পরিয়ে দেন সংগঠনটির চার নারী নেত্রী। এ সময় ছাত্রলীগের ম্যাগাজিন ‘মাতৃভূমি’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উন্মুক্ত করা হয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশিত ছাত্রলীগের পোস্টার।

শেখ হাসিনাকে স্মারক উপহার দেয় ছাত্রলীগ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতে স্মারকটি তুলে দেন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।


জনপ্রিয়


রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

যুবদলের জরুরি সভায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের তর্কাতর্কি, বৈঠক পণ্ড

সদ্য ঘোষিত যুবদলের নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তা নিয়ে আলোচনা করতে ডাকা জরুরি সভায় সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের মধ্যে তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে বৈঠকের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় সভা স্থগিত করা হয়।

আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ফারুক খানের ঘনিষ্ঠ প্রকৌশলী আমিনুলকে পদোন্নতি দিল বেবিচক

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকৌশলী আমিনুল হাসিবকে সুপারিনটেনডেন্ট পদে পদোন্নতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের একটি অংশের মধ্যে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

বিএসএফের ‘পুশ ইন’ তৎপরতা মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে: সাইফুল হক

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ‘পুশ ইন’ তৎপরতার ফলে সীমান্ত এলাকায় মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি দাবি করেছেন, শিশু ও নারীসহ কয়েকশ মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দিয়ে বিএসএফ চরম অমানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

বিসিবি নির্বাচন নিয়ে এনসিপির অভিযোগ, ‘ক্রিকেটকে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হচ্ছে’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং ক্রিকেট প্রশাসনকে দলীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার দাবি করেছেন, দেশের ক্রিকেটকে দুর্বল করে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া চলছে, যেখানে দেশীয় রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি বিদেশি প্রভাবও কাজ করছে।