রাজনীতি


নির্বাচন পরিচালনায় আ. লীগের কমিটি ও ১৫ উপকমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১৭ নভেম্বর ২০২৩, ০৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার

নির্বাচন পরিচালনায় আ. লীগের কমিটি ও ১৫ উপকমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দৌড়ে এগিয়ে যেতে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। এ সংক্রান্ত আরও ১৫টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক সভায় এসব উপকমিটি গঠন করা হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ হাসিনা এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভা শেষে দলটির দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটির তথ্য জানানো হয়। এর আগেই জানানো হয়েছিল, শেখ হাসিনাকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। আর ওবায়দুল কাদের সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকছেন।

এবার আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিষয়ে জানানো হলো। এবার কো-চেয়ারম্যান পদে কোনো আমলাকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহকে কো-চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ, সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা সংশ্লিষ্ট উপকমিটির মধ্যে ইশতেহার প্রণয়ন উপকমিটির আহ্বায়ক ড. আবদুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব ড. সেলিম মাহমুদ।

নির্বাচন সম্পর্কিত আইনি সহায়তা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নজিবুল্লাহ হিরু।

নির্বাচন কমিশন সমন্বয় বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ ফারুক খান, সদস্য সচিব তারানা হালিম।

দফতর ব্যবস্থাপনা উপকমিটির আহ্বায়ক কাজী জাফর উল্লাহ, সদস্য সচিব ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সমন্বয় উপকমিটির আহ্বায়ক অ্যাম্বাসেডর মো. জিয়াউদ্দিন, সদস্য সচিব ওয়াসিকা আয়শা খান।

লিয়াজোঁ উপকমিটির আহ্বায়ক মো. রশিদুল আলম, সদস্য সচিব বিএম মোজাম্মেল হক।

পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ উপকমিটির আহ্বায়ক সাবের হোসেন চৌধুরী, সদস্য সচিব সানজিদা খানম।

প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির আহ্বায়ক ড. কামাল আবু নাসের চৌধুরী, সদস্য সচিব ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।

মিডিয়া উপকমিটির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান নূর, সদস্য সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

পেশাজীবী সমন্বয় উপকমিটির আহ্বায়ক ড. মশিউর রহমান, সদস্য সচিব ডা. রোকেয়া সুলতানা।

আইটি বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. হোসেন মনসুর, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর।

বিদেশি মিশন বা সংস্থা উপকমিটির আহ্বায়ক অ্যাম্বাসেডর মোহাম্মদ জমির, সদস্য সচিব ড. শাম্মী আহমেদ।

সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও ক্রীড়া উপকমিটির আহ্বায়ক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, সদস্য সচিব অসীম কুমার উকিল।

অর্থ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক কাজী আকরাম উদ্দীন আহমদ, সদস্য সচিব মো. সিদ্দিকুর রহমান।

ধর্ম বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক খন্দকার গোলাম মওলা নকশবন্দী, সদস্য সচিব সিরাজুল মোস্তফা।


জনপ্রিয়


রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

আমার কিছু হলে এর দায় ভরসা ও বিএনপিকে নিতে হবে: আখতার হোসেন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজ নির্বাচনী এলাকা রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া) আসনের হারাগাছে প্রথম সফরে যাচ্ছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তার এই সফরকে ঘিরে হারাগাছে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে পৌর বিএনপি। এতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে এগিয়ে যারা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ আসনে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ভাগে ৫০টির মধ্যে ৩৭টি সংরক্ষিত নারী আসন আসতে পারে। নির্বাচন কমিশন রমজান মাসের মধ্যেই এ নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে।

নির্বাচনের পর অন্তত ১৫ জেলায় খুলেছে আওয়ামী লীগ কার্যালয়, বাড়ছে রাজনৈতিক আলোচনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বন্ধ থাকা কার্যালয়গুলো পুনরায় খোলার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা এসব কার্যালয় খুলে দিচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এ পর্যন্ত অন্তত ১৫টি জেলায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

পুরোনো স্বৈরাচার থেকে শিক্ষা না নিলে একই পরিণতি হবে: এনসিপি

টেলিভিশন সাংবাদিকদের শোকজ নোটিশ প্রদান এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর এমডি মাহবুব মোর্শেদকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে পুরোনো স্বৈরাচারের পরিণতি থেকে শিক্ষা না নিলে নতুন স্বৈরাচারকেও একই পরিণতি বরণ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি।