রাজনীতি


ভোটে এনে সরকার আমাদের কোরবানি দেয় কি না শঙ্কা আছে: জি এম কাদের


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০৭ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার

ভোটে এনে সরকার আমাদের কোরবানি দেয় কি না শঙ্কা আছে: জি এম কাদের
ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরোপুরি মন্তব্য করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। বললেন, সরকার আমাদের ভোট করাতে নিয়ে এসে কোরবানি দিয়ে দেয়  কি না এ আশঙ্কা আমাদের এখন আছে। এটা হলে পুরোপুরি বাকশালের অবস্থায় ফিরে যাবে সরকার। তবে আমি আশাবাদী থাকতে চাই। 

রোববার (৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রংপুর নগরীর নিউ সেনপাড়া ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে তিনি এ কথা বলেন।

এবারের নির্বাচনে রংপুর-৩ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জি এম কাদের। সকালে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে তখন পর্যন্ত ভোটের পরিস্থিতি ভালো মনে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। তবে কুমিল্লা ও ঢাকা-১ আসনে লাঙ্গলের প্রার্থীর সমর্থক পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।

এ সময় দলটির নেতা রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তার সাথে ছিলেন।

জনপ্রিয়


রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

বিএনপি জানালেন, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন কারা পাবেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি জোটের মনোনয়ন নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এ অবস্থায় দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজপথে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেত্রীরাই মনোনয়নে অগ্রাধিকার পাবেন।

‘জামায়াতের দুঃখ আমির হামজা, এনসিপির দুঃখ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-এর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

শফিকুর রহমান: ‘সংসদ মানুক বা না মানুক, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করব’

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটের রায় অমান্য করা হলেও তারা গণভোটের ফল বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি সোমবার (৬ মার্চ) ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকছে, এর প্রভাব কেমন হবে

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকছে, এর প্রভাব কেমন হবে , বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে যে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল সেটি সংশোধিত আকারে সংসদে পাশের জন্য সুপারিশ করেছে বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক গঠিত বিশেষ কমিটি।