অপরাধ


এলজিইডি রাস্তার কুসাইকুড়া সড়কের জব্দকৃত কাঠ নিয়ে নয়-ছয়ের অভিযোগ উঠেছে


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০৩ মার্চ ২০২৪, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার

এলজিইডি রাস্তার কুসাইকুড়া সড়কের জব্দকৃত কাঠ নিয়ে নয়-ছয়ের অভিযোগ উঠেছে
আরএম সেলিম শাহী, স্টাফ রিপোর্টার: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া-ফাকরাবাদ এলজিইডি রাস্তার কুসাইকুড়া সড়কের জব্দকৃত কাঠ নিয়ে নয়-ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কোনরুপ অনুমোদন ছাড়াই গোপনে কুসাইকুড়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে রাসেল মিয়া ৫টি ইউক্ল্যাপটার গাছের মালিক সেজে উপজেলার নতুন মোল্লাবাড়ি এলাকার মো. আলাল মিয়াজির ছেলে ও কাঠ ব্যবসায়ী মো. নুর ছালেহ'র কাছে বিক্রি করে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় সাংবাদিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পেয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শুভ বসাক এবং নলকুড়া ইউপি চেয়ারম্যান রুকুনুজ্জামানকে জানান। 

খবর পেয়ে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের লোকজন গিয়ে এলজিইডি সড়কের কর্তণকৃত ৫টি গাছ সনাক্তসহ ১৭টি পিস জব্দ করে ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় দেন। ওইদিন বিকেলে ইউপি চেয়ারম্যান তার লোক মারফত জব্দকৃত ১৭টি পিসের মধ্যে নরমাল ৭পিস কাঠ এনে বাকি কাঠ ঘটনাস্থলেই রেখে আসেন। এরপর ২ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেলে কাঠ ব্যবসায়ী নুর সালেহ ঘটনাস্থলে রেখে আসা বড় ৫টি পিস কৌশলে ভ্যানগাড়ি দ্বারা ঝিনাইগাতী বাজারে আনার সময় সাংবাদিকদের নজরে পড়ে। এ সময় কাঠসহ ভ্যানগাড়ীটির গতিরোধ করে উপজেলা প্রকৌশলী ও ইউপি চেয়ারম্যানকে খবর দিলে তারা উভয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঠগুলো পরিষদে নিয়ে আসেন।

এ ঘটনায় ক্ষুব্দ হয়ে ওই কাঠ ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে বিভিন্ন স্থানে মোখিক অভিযোগ দেয়। পরবর্তীতে ৩মার্চ রবিবার বিকেলে পরিষদে জব্দকৃত কাঠগুলো দেখতে গেলে সেখানে ৫টি গাছের ৫টি মুল পিস ছাড়া বাকি ১২পিচ কাঠ দেখতে পায়। এতে সাংবাদিকদের মনে সন্দেহ হয় যে, গাছের মুল ৫টি পিস  গেলো কোথায়?

এ ব্যাপারে নলকুড়া ইউপি চেয়ারম্যান রুকুনুজ্জামানের কাছে জব্দকৃত ১৭পিস কাঠের আসল ৫টি পিস কোথায়, জানতে চাইলে তিনি জানান, ওই ৫পিস কাঠ ব্যবসায়ী নুর সালেহ'র কাছেই আছে। এর বৈধতার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীকে বিষয়টি জানাবেন বলে জানান। 

উপজেলা প্রকৌশলী শুভ বসাক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৫টি গাছের মোট ১৭টি টুকরা হয়েছে। সবগুলো মার্কিং করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দ্রুত জব্দকৃত কাঠগুলো পরিষদে এনে পরবর্তী কার্যক্রম নিলামের ব্যবস্থা গ্রহণ করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং রামপুরা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাসিলের নামে কোরবানির হাটে শত কোটি টাকার চাঁদাবাজি

হাটে ঢোকার আগে টাকা, গরু নামানোর জন্য টাকা, মাটি ভরাট করতে টাকা, আবার বের হতেও লাগবে টাকা। হাসিলের নামে কুরবানির হাটে একদিনেই উঠছে শত কোটি টাকার চাঁদা। এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে পুরো দেশের কোরবানির হাট গুলোতে। যেখানে হাটের ভেতর থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে যেন অর্থ আদায়ের এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়ে উঠেছে।