অপরাধ


সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চোরাই মালামালসহ চোর চক্রের ৮ সদস্য আটক


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১১ মার্চ ২০২৪, ০৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চোরাই মালামালসহ চোর চক্রের ৮ সদস্য আটক
মোঃ পারভেজ সরকার, চলনবিল সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীণ পণ্য চোরাইভাবে ক্রয়-বিক্রয়কালে ৮ সদস্য ও চোরাই মালামালসহ ৪ টি ট্রাক আটক করেছে র‍্যাব ১২ এর সদস্যরা। সোমবার দুপুরে র‍্যাব-১২'র কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান এক প্রেস বিফ্রিং এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

তিনি জানান,সোমবার রাতে সলঙ্গা থানার ধোপাকান্দি হাটিকুমরুল টু ঢাকাগামী মহাসড়কের এরিস্টোক্রেট হোটেলের বিপরীত পাশে অভিযান পরিচালনা করে সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীণ পণ্য চোরাইভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের সময় ৮ সদস্য ও চোরাই মালামাল চোরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সরাতুল গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে (দোকানদার) আশরাফুল ইসলাম (৩৫), রায়গঞ্জের বাগুলিয়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে (দোকানদার) হাফিজুল ইসলাম (২১), সলঙ্গার ধোপাকান্দি গ্রামের মুকুল হোসেনের ছেলে (দোকানদার) সিরাজুল ইসলাম (২১), ধোপাকান্দি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে (দোকানদার) নুর ইসলাম (২৬), জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল থানার ইটাখোলা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে (ড্রাইভার) ইমরান হোসেন (৩৫), দিনাজপুর ফুলবাড়ি থানার রাজারামপুর গ্রামের হাইকুল ইসলামের ছেলে (ড্রাইভার) আলমগীর হোসেন (২৪),  পঞ্চগড় সদর থানার ভুজারীপাড়া গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে (ড্রাইভার) খোরশেদ আলম (৩০), পশ্চিম মলানী গ্রামের হাফেজ আলীর ছেলে (ড্রাইভার)  জসিম উদ্দিন (২৪) আটক করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিগণ পরস্পর যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীণ পণ্য (রড, ধান, চাল) দেশের বিভিন্ন স্থান হতে ট্রাকে লোড করে সলঙ্গা থানার ধোপাকান্দি এলাকার মহাসড়কের উভয়পার্শ্বে স্থায়ী/অস্থায়ী টিনশেড ও পাকা বিল্ডিংয়ের দোকানঘরে কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে সেখানে ট্রাক প্রবেশ করে সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীণ পণ্য (রড, ধান, চাল) চোরাইভাবে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে। গোপন সংবাদের ভিক্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে সলঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং রামপুরা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাসিলের নামে কোরবানির হাটে শত কোটি টাকার চাঁদাবাজি

হাটে ঢোকার আগে টাকা, গরু নামানোর জন্য টাকা, মাটি ভরাট করতে টাকা, আবার বের হতেও লাগবে টাকা। হাসিলের নামে কুরবানির হাটে একদিনেই উঠছে শত কোটি টাকার চাঁদা। এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে পুরো দেশের কোরবানির হাট গুলোতে। যেখানে হাটের ভেতর থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে যেন অর্থ আদায়ের এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়ে উঠেছে।