অপরাধ


শেরপুর আসামী পক্ষের লোকদের হামলায় বাদীর ছেলে আহত


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:২০ মার্চ ২০২৪, ০৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার

শেরপুর আসামী পক্ষের লোকদের হামলায় বাদীর ছেলে আহত
টুটুল আহমেদ, ঝিনাইগাতী (শেরপুর) :  শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পুলিশকে আসামী দেখিয়ে দিতে গিয়ে আসামী পক্ষের লোকদের হামলায় শাহরিয়ার আহমেদ সুজন নামে (২৪) বাদীর ছেলে আহত হয়েছে। সুজন উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের ডাকাবর গ্রামের সাংবাদিক আরএম সেলিম শাহীর ছেলে।  
সোমবার (১৮ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার তিনানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, শাহরিয়ার আহমেদ সুজনের পিতা দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন, দৈনিক বাংলাদেশ সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ, দৈনিক জনকন্ঠের ঝিনাইগাতী উপজেলা সংবাদদাতা আরএম সেলিম শাহীর কাছ থেকে ২০১৯ সালে চেক লিখে দিয়ে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা গ্রহণ করে একই উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম তোতা।
সঠিক সময়ে আরএম সেলিম শাহীর টাকা পরিশোধ না করায় পরবর্তীতে আরএম সেলিম শাহী ঝিনাইগাতী সদর জনতা ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার একাউন্টে টাকা নাই বলে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এ বিষয়ে আরএম সেলিম শাহী বাদী হয়ে নুরুল ইসলাম তোতার নামে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত উক্ত মামলায় বিবাদী নুরুল ইসলাম তোতাকে উক্ত টাকা জমা প্রদান ও অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। কিন্তু নুরুল ইসলাম তোতা টাকা পরিশোধ না করায় আদালত তার বিরুদ্ধে  গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করে। 
সোমবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে থানা পুলিশ  গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ভূক্ত আসামী নুরুল ইসলাম তোতাকে  গ্রেপ্তার করতে তার বাড়ী তিনানী বাজারে যায়। এসময় আসামীর বাড়ি এবং আসামীকে দেখিয়ে দিতে বাদী আরএম সেলিম শাহীর ছেলে সুজনকে সাথে নেয়। 
বাদী আরএম সেলিম শাহী জানান, পুলিশ আসামীকে গ্রেপ্তার  করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় পুলিশ তার ছেলে সুজনকে একা ইজিবাইক যোগে বাড়ি পাঠিয়ে  দেয়। সুজন বাড়ি ফেরার পথে তিনানী শেরপুর রোডের একহাজার গজের মধ্যেই নুরুল ইসলাম তোতার লোকজন তার উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে সুজন গুরুতরভাবে আহত হয়। পরে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে সুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 
এব্যাপারে থানার এএসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা সুজনকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিলে সে আসতে দেরি করে। একারনে এঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং রামপুরা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাসিলের নামে কোরবানির হাটে শত কোটি টাকার চাঁদাবাজি

হাটে ঢোকার আগে টাকা, গরু নামানোর জন্য টাকা, মাটি ভরাট করতে টাকা, আবার বের হতেও লাগবে টাকা। হাসিলের নামে কুরবানির হাটে একদিনেই উঠছে শত কোটি টাকার চাঁদা। এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে পুরো দেশের কোরবানির হাট গুলোতে। যেখানে হাটের ভেতর থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে যেন অর্থ আদায়ের এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়ে উঠেছে।