অপরাধ


তিন সন্তানের জননীকে বিয়ে, মাকে ফেরত চায় ৩ শিশু


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:২১ মার্চ ২০২৪, ০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার

তিন  সন্তানের জননীকে বিয়ে, মাকে ফেরত চায় ৩ শিশু
সোহাগ মিয়া, রাজবাড়ী: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আইয়ুব  দফাদার (৫০) তিন সন্তানের জননী আসমা বেগম কে বিয়ে করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। 
এলাকার ঘুরে শোনা যায়, সুখেই চলছিল মিলন ও আসমা দম্পতির সংসার। হঠাৎ আইয়ুব দফাদারের দৃষ্টিতে ধ্বংস হলো আসমা ও মিলন দম্পতির সংসার। আসমা বেগম ও মিলন দম্পতির ঘরে তিনটি সন্তান রয়েছে। দুটি ছেলে ও একটি মেয়ে। বড় ছেলে অনিক শেখ(১৭) মেজো ছেলে সজীব (১৩)ছোট কন্যা মাহিয়া আক্তার (৮)। আসমা ও মিলন দম্পতি সংসার সুখের করার জন্য তারা ঢাকা সাভার গার্মেন্টসের চাকরির পাশাপাশি সেখানেই বসবাস করত। তাদের মধ্যে একটি ঝামেলা হয়। ঝামেলা মীমাংসার জন্য গ্রামের বাড়ি থেকে আইয়ুব দফাদারকে ঢাকা সাভারে পাঠানো হয়। সেখান থেকেই শুরু হয় আসমার সাথে আইয়ুব দফাদারের প্রেমের সম্পর্ক। এর কিছুদিন পরেই আসমা মিলনকে তালাক দিয়ে দফাদারকে বিয়ে করেন। 
এরপর চলতি মাসের ৭ তারিখে আসমার সাবেক স্বামী মিলনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আসমা কে সে কুপিয়েছে.।কুপানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসমার পরিবারের পক্ষ থেকে মিলনকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখন মামলা ঘাড়ে নিয়ে মিলন পলাতক রয়েছে। মামলার ২ নং আসামি মিলনের পিতা জামিনে এসে আসমার তিন সন্তানকে নিয়ে বড় ঝামেলায় পড়ে আছেন। এবং তারা মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে সেই সাথে তাদের বৌমাকে ফেরত পেতে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। 
আসমা বেগমের ছোট কন্যা মাহিয়া আক্তার বলে,আমি আমার মাকে ফেরত চাই। মা ছাড়া আমার ঘুম আসেনা। 
অভিযুক্ত আইয়ুব দফাদার জানান, আমি ইসলামী শরিয়া মোতাবেক আসমা বেগমকে বিয়ে করেছি। 
৩ সন্তানের জননী আসমা বেগম জানান,আমার আগের স্বামী মিলন আমাকে ভাত কাপর দিতে পারতো না।আমি সুখে থাকার জন্য আইয়ুব দফাদার কে বিয়ে করেছি। এজন্য মিলন আমাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য লিয়াকত হাসান লিপু মন্ডল জানান, আইয়ুব দফাদার আমাদের এলাকায় একজন বিষফোঁড়া। তার অত্যাচারে আমাদের এলাকাবাসী অনেকেই নিঃস্ব। আমরা আইয়ুব দফাদারের বিচার চাই।উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধা জানান, আইয়ুব দফাদারের বেতন স্থগিত করা হয়েছে। শুনেছি আয়ুব দফাদার তিন সন্তানের জননীকে বিয়ে করেছে। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।



জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং রামপুরা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাসিলের নামে কোরবানির হাটে শত কোটি টাকার চাঁদাবাজি

হাটে ঢোকার আগে টাকা, গরু নামানোর জন্য টাকা, মাটি ভরাট করতে টাকা, আবার বের হতেও লাগবে টাকা। হাসিলের নামে কুরবানির হাটে একদিনেই উঠছে শত কোটি টাকার চাঁদা। এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে পুরো দেশের কোরবানির হাট গুলোতে। যেখানে হাটের ভেতর থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে যেন অর্থ আদায়ের এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়ে উঠেছে।