অপরাধ


মুক্তিপণের ৪ লাখ টাকা সহ শিশু ছোয়াদ উদ্ধার, ১৭ আসামি গ্রেপ্তার


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:৩১ মার্চ ২০২৪, ০৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার

মুক্তিপণের ৪ লাখ টাকা সহ শিশু ছোয়াদ উদ্ধার, ১৭ আসামি গ্রেপ্তার
শাহেদ হোছাইন মুবিন, কক্সবাজার : ২২ দিন পর মুক্তিপণের ৪ লাখ টাকা সহ টেকনাফে অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্র ছোয়াদ বিন আব্দুল্লাহকে উদ্ধার কররেছে পুলিশ। এসময় অপহরণচক্রের ১৭জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।ছোয়াদ বিন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র ছেলে। সে টেকনাফের পূর্ব পানখালী এলাকার আবু হুরাইরা (রাঃ) মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।
পুলিশ জানায়, গত ৯ মার্চ দুপুর ১২ টার সময় হ্নীলা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পানখালী এলাকা হতে  ছোয়াদ বিন আব্দুল্লাহকে অপহরণ করা হয়। এ খবরে অভিযান চালিয়ে শিশু অপহরণের মাস্টারমাইন্ডসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় অপহরণে ব্যবহৃত সিএনজি ও ৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, টেকনাফ জাদিমুড়া এলাকার আব্দুর শুক্কুরের ছেলে নাগু ডাকাত (৫৫) ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগম এবং তাদের দুই ছেলে সাদেক (২১) ও রনি (১২), মোহম্মদ আলীর স্ত্রী লায়লা বেগম, মোহাম্মদ খানের স্ত্রী উম্মে সালমা, আব্দুর শুক্কুরের ছেলে মোহাম্মদ হাশেম (২৭), সৈয়দুল হকের স্ত্রী খাতিজাতুল খোবরা (৩৫)। 
এছাড়াও ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজী পাড়া এলাকার জাফর আলমের ছেলে মোঃ নাসির আলম (২৮), মহেশখালী কালারমারছড়া ইউনিয়নের মনছুর আলমের ছেলে সালামত উল্লাহ প্রকাশ সোনাইয়া (৪৫),কালারমারছড়া নয়া পাড়া এলাকার কালা মিয়ার ছেলে  জহির আহমেদ (৬৫), শামসুল আলমের ছেলে হাসমুল করিম তোহা (২০), কালারমারছড়া সামিরাঘোনা এলাকার ফরিদুল আলমের ছেলে মোহাম্মদ আতিক উল্লাহ্ (১৯), একই এলাকার রহমত উল্লাহর ছেলে ফরিদুল আলম খান (৫২), সালামত উল্লাহর ছেলে আমির হোসেন। মহেশখালী কালারমারছড়া ৬নম্বর ওয়ার্ডের শামসুল আলমের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম। 
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা জানায় ,আনোয়ার সাদেক এর পরিকল্পনায় ছোয়াদের বাড়ির ভাড়াটিয়া পুরাতন রোহিঙ্গা নাছের এবং মাজুমার নেতৃত্বে উম্মে সালমা, শাহীন এবং সিএনজি ড্রাইভার নাসির আলম মাদ্রাসা হতে বাসায় যাওয়ার পথে শিশুটিকে অপহরণ করে মহেশখালী কালারমারছড়া পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে ভিকটিমের মাকে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এমনকি মুক্তিপণ না দিলে শিশুটিকে হত্যা করার হুমকি দেয়। 
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, এ ঘটনার পরপরই শিশুটির মা টেকনাফ মডেল থানায় নারী ও শিশু দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং রামপুরা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাসিলের নামে কোরবানির হাটে শত কোটি টাকার চাঁদাবাজি

হাটে ঢোকার আগে টাকা, গরু নামানোর জন্য টাকা, মাটি ভরাট করতে টাকা, আবার বের হতেও লাগবে টাকা। হাসিলের নামে কুরবানির হাটে একদিনেই উঠছে শত কোটি টাকার চাঁদা। এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে পুরো দেশের কোরবানির হাট গুলোতে। যেখানে হাটের ভেতর থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে যেন অর্থ আদায়ের এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়ে উঠেছে।