অপরাধ


রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার -৫


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১০ জুন ২০২৪, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার -৫
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আলোচিত মাস্টার মহিবুল্লাহ হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী, সেভেন মার্ডার ও গোয়েন্দা সংস্থা’র কর্মকর্তা হত্যাকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ ও হত্যা, অস্ত্র, অপহরণ’সহ ২১টির অধিক মামলার আসামী ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নেতৃত্বদানকারী মিয়ানমারের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা'র অন্যতম মূলহোতা মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রকাশ মৌলভী অলি আকিজ'সহ পাঁচজন জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব- ১৫।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর  রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি- ব্লকের মৃত আবুল বাশার প্রকাশ মৌলভী নাছের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রকাশ মৌলভী অলি আকিজ (৫০), ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পর ডি ব্লকের মৌলভী আনোয়ারের ছেলে মোঃ ফয়সাল প্রকাশ মাস্টার ফয়সেল (২৮), ক্যাম্প-২০ এর -মৃত মৌলভী রহমত উল্ল্যার ছেলে হাফেজ ফয়জুর রহমান (২৪), বালুখালী ক্যাম্প-৮/ই ব্লক-বি/৪৪ এর মৃত করিম উল্ল্যার ছেলে মোঃ সালাম প্রকাশ মাস্টার সালাম (২০), ও উনচিপ্রাং রোহিঙ্গা  ক্যাম্প-২২ এর -আনু মিয়ার ছেলে মোঃ জুবায়ের (২৪)।
এসময় তাদের কাছ থেকে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১টি দেশীয় তৈরী এলজি, ০১টি ওয়ানশুটার গান, ১০ রাউন্ড কার্তুজ, ০২ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ০৩টি বাটন মোবাইল ফোন এবং নগদ ২,৫০০/- (দুই হাজার পাঁচশত টাকা) উদ্ধার করা হয়। 
সোমবার দুপুরে  এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন। 
তিনি বলেন, আরসার শীর্ষ নেতা মৌলভী আকিজসহ সন্ত্রাসীরা ক্যাম্প ৪ এ অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে এ পর্যন্ত আরসার শীর্ষ নেতা মৌলভী আকিজসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরণও উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন , আরসার শীর্ষ নেতা মৌলভী আকিজ রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মহিবুল্লাহ হত্যা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাঞ্চল্যকর সেভেন মার্ডারের অন্যতম পরিকল্পনাকারী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, অপহরণসহ ২১টির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা ।

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং রামপুরা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাসিলের নামে কোরবানির হাটে শত কোটি টাকার চাঁদাবাজি

হাটে ঢোকার আগে টাকা, গরু নামানোর জন্য টাকা, মাটি ভরাট করতে টাকা, আবার বের হতেও লাগবে টাকা। হাসিলের নামে কুরবানির হাটে একদিনেই উঠছে শত কোটি টাকার চাঁদা। এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে পুরো দেশের কোরবানির হাট গুলোতে। যেখানে হাটের ভেতর থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে যেন অর্থ আদায়ের এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়ে উঠেছে।