অপরাধ


হত্যার রহস্য উদঘাটন করলো নরসিংদী জেলা পুলিশ


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১১ জুলাই ২০২৪, ০৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার

হত্যার রহস্য উদঘাটন করলো নরসিংদী জেলা পুলিশ
নরসিংদীর মাধবদীতে অটোচালক নুরুল ইসলাম হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে নরসিংদী জেলা পুলিশ। মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে এ হত্যার রহস্য উদঘাটন হলো বলে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (পিপিএম) জানান। নিহত মোঃ নুরুল ইসলাম মাধবদী থানার ভাটপাড়া গ্রামের মৃত কাসেম আলীর ছেলে। এঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী থানাধীন পাথরপাড়া গ্রামের মজিবর মিয়ার ছেলে বাচ্চু মিয়া (২৭), একই থানার বালুসাইর গ্রামের মোকসেদ আলীর ছেলে সোহেল মিয়া (৩২), পাথরপাড়া গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে হৃদয় (২৭) ও একই গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে নবী হোসেন (৩৫)।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (পিপিএম) এক সংবাদ সন্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সুপার জানান, চলতি বছরের ১৫ জুন সদর উপজেলার মাধবদী থানাধীন ভাটপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা অটোচালক মোঃ নুরুল ইসলাম প্রতিদিনের মত তার ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে নিজ বাড়ি থেকে বের হন। এদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার ভাইকে মোবাইল ফোনে বলে, তার ব্যাটারিচালিত রিকশাটি যাত্রীবেশি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। খবর পেয়ে তার আত্মীয়-স্বজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরেরদিন অর্থাৎ ১৬ জুন সকালে নরসিংদী-মদনপুরগামী রাস্তার মাধবদী থানাধীন নরসিংদী-মদনপুরগামী দামেরভাওলা এলাকার একটি বরই গাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় অটোচালক নুরুল ইসলামের মৃতদেহ পাওয়া যায়। 

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিউলি বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মাধবদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগের তত্ত্বাবধানে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রনি সহ সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার, ছিনতাইকৃত ব্যাটারিচালিত রিকশা উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন।

 ৯ জুলাই (মঙ্গলবার) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাচ্চু মিয়া নামে একজনকে মাধবদী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ সহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে একই দিনে ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারা স্বাকীরোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং রামপুরা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাসিলের নামে কোরবানির হাটে শত কোটি টাকার চাঁদাবাজি

হাটে ঢোকার আগে টাকা, গরু নামানোর জন্য টাকা, মাটি ভরাট করতে টাকা, আবার বের হতেও লাগবে টাকা। হাসিলের নামে কুরবানির হাটে একদিনেই উঠছে শত কোটি টাকার চাঁদা। এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে পুরো দেশের কোরবানির হাট গুলোতে। যেখানে হাটের ভেতর থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে যেন অর্থ আদায়ের এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়ে উঠেছে।