.webp&w=3840&q=75)

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবম–দশম শ্রেণির ইংরেজি পাঠ্যপুস্তক ‘English for Today’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বইটির প্রথম ইউনিট ‘Sense of Self’–এ ব্যবহৃত ছবি, পাঠ ও অনুশীলনীকে ঘিরে একাংশের অভিযোগ এতে পরোক্ষভাবে এলজিবিটি ধারণা স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত রয়েছে।
প্রথম পৃষ্ঠায় এলজিবিটি ব্যাকগ্রাউন্ডের একটি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে,
এখানে ছবিটির সোর্স হিসেবে “Internet” লেখা রয়েছে। আমরা এই ছবিটি দিয়ে কী বোঝায় তা জানতে গুগলে অনুসন্ধান করি। রিভার্স সার্চে দেখা যায়, ছবিটি ২০২০ সালে ‘Recovery in the Bin’ নামক একটি ব্লগে একমাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিলো, সেটা ছাড়া অন্য কোনো সোর্স পাওয়া যায় নি এই ছবির। এবং সেই ব্লগটি পুরোদস্তুর এলজিবিটি প্রোমোটিং সাইট, যে আর্টিকেলে প্রকাশ করা হয়েছিলো, সে আর্টিকেলটাও পুরোদস্তুর এলজিবিটি কামী।
এই আর্টিকেলের শিরোনামে “Sense of Self” কথাটি রয়েছে, সম্ভবত এখান থেকেই সমকামীদের ব্যবহৃত শব্দমালা অন্য আড়ালে নর্মা‌লাইজ করা হচ্ছে। সেই আর্টিকেলটির কিছু অংশেও বোঝা যাচ্ছে তার উদ্দেশ্য কীঃ
মনে হতে পারে পাঠ্যপুস্তকে ভুলবশত এই ছবি ব্যবহৃত হয়েছে, “Sense of Self” কীওয়ার্ড‌ সার্চে চলে এসেছে এই ছবি, আর এলজিবিটি সম্পর্কে কেউই জানে না বাংলাদেশের জাতীয় পাঠ্যপুস্তক লেখকরা। একটি বই একাধিক লেখক লিখেন, সম্পাদক প্যানেলে যায়, মানে মাল্টিস্টেপের পর সেটা সবার হাতে হাতে পৌঁছে যায়।
২০২৫ সালেও এই অংশটি পাঠ্যপুস্তকে ছিলো, তবে সাদাকালো প্রিন্ট হওয়াতে সেটা অনেকে খেয়াল করে নি। এ ধরনের ছবি স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে এ ধরনের ছবি যারা মূলত ব্যবহার করে তাদেরকে স্বাভাবিক করা হয় আমাদের মাঝে। আমরা একটু দেখি এই চ্যাপ্টারে এলজিবিটিকিউ সম্পর্কিত কিছু বলা আছে কিনা। বইটির এই ইউনিটের Lesson-2 তে বিজাতীয় এক লেখিকার গল্প আনা হয়েছে।
লেখিকার নাম Jamaica Kincaid। এই লেখিকা পশ্চিমা ফেমিনিজম ও এলজিবিটির পক্ষ নিয়ে লেখার জন্য মশহুর। তার নিজের ভাই ছিলো সমকামী। সে সম্পর্কে ১৯৯৭ সালে “My Brother” নামে একটি বই প্রকাশ করেন তিনি। আমাদের পাঠ্যপুস্তকে ইনক্লুড করা “Girl” প্রবন্ধটিতে জেন্ডার রোল অস্বীকার করা হয়েছে, যা সেই পশ্চিমা এলজিবিটি এজেন্ডার প্রাথমিক ধাপ।
এই চ্যাপ্টারের শেষে অনুশীলনীর প্রশ্ন দেখে বোঝা যাচ্ছে আসলে কী বলে এখানে,
বলা হচ্ছে, কেউ নারী হয়ে জন্মায় না, জন্মানোর পর সে ‘নারী হয়’। এই উক্তিটি আবার ট্রান্সজেন্ডার মহলে সমাদৃত! রেডিটে ট্রান্সজেন্ডারদের গ্রুপে দেখুন তারা কী বলছে এটা নিয়ে,
আবার বলা হচ্ছে ‘Biological Attributes দিয়ে নারী পুরুষ মাপা’ লিঙ্গবৈষম্য তৈরি করে। এমনভাবে ফেমিনিজম ও এলজিবিটি মিক্স করা পুশ করা হচ্ছে পরোক্ষভাবে আমাদের প্রজন্মকে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো যখন তারা মগজে গেঁথে নেবে, তখন বাকি বিষয়গুলোও গাঁথা সহজ হয়ে যাবে।
জুলাইয়ের শহীদ আবরার মাসনুন নীলের বড় বোন যারিন তাসনিম গুনগুন আজ ৮ই জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে বিষয়টি সর্বপ্রথম ফোকাসে নিয়ে আসেন। তিনি লিখেছেন,
এই বছরের ক্লাস ৯-১০ এর বই।Unit 1: Lesson 2 এর প্রশ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করে দেখুন।লগবটক এর ফ্ল্যাগ কি চোখে পড়ে?স্লো পয়জনের মতো স*ম*কা*মী*তা কে নর্মালাইজ করার এজেন্ডা বাস্তবায়িত হয়ে যাচ্ছে আমার চোখের সামনে। ছোটদের বইয়ে সুকৌশলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই মারাত্মক মানসিক বিকৃতি, যা বাচ্চাদের মনে “আইডেন্টিটি ক্রাইসিস” এর জন্ম দেয়। তাদের মনে সন্দেহের জন্ম দেয় যে – আসলেই শরীর আর মন এক নয়, একই সময়ে দুইটি আলাদা আইডেন্টিটি ও থাকা সম্ভব।
ইসলাম এবং মেডিক্যাল সাইন্স- এই দুই-ই অনুযায়ী মানুষ নারী বা পুরুষ হিসেবেই জন্মায় এবং এটিই তার চূড়ান্ত পরিচয়। এ ব্যতীত থাকতে পারে তৃতীয় লিঙ্গ/হিজড়া/ ইন্টারসে*ক্স মানুষ।
আবারো বলছি, ট্রা*ন্সজে*ন্ডার এবং ই*ন্টারসে*ক্স একই নয়। যারা জন্মগতভাবেই নারী বা পুরুষের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন গড়নের হয় তারা ই*ন্টারসে*ক্স/ হি*জ*ড়া। আর ট্রা*ন্সজে*ন্ডার হলো একরকম মানসিক বিকৃতি, সার্জারীর মাধ্যমে জে*ন্ডার পরিবর্তন (বিকৃতি) করা।
যখনই শেখানো হয় যে কেউ নারী বা পুরুষ হয়ে জন্মায় না, বরং “হয়ে ওঠে”, তখনই পথ প্রশস্ত করা হয় এটা বলার যে – কেউ চাইলে নারী বা পুরুষের বাইরে অন্য কিছুও “হয়ে উঠতে” পারে। এভাবেই প্রচলিত পরিবার কাঠামো ভেঙ্গে যায় এবং স*ম*লি*ঙ্গের সম্পর্ককে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সহজ হয়ে যায়।
কওমে লূতের কথা মনে আছে? তাদের মধ্যে স*ম*কা*মী*তা ও অন্যান্য ব্যভিচার বেড়ে যাওয়ার পরিণতি বর্ণিত আছে তারপর যখন আমার আদেশ আসলো, তখন আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম এবং তার ওপর স্তরে স্তরে পোড়ামাটির পাথর বর্ষণ করলাম। (সূরা হূদ (১১:৮২-৮৩)
আপনার বাচ্চারা কি শিখছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। এই ব্যধি একবার মস্তিষ্কে বাসা বাঁধলে সেখান থেকে ফেরানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।
পাঠ্যপুস্তকে এই অংশগুলো ঢোকানো হয়েছে ডঃ ইউনুস বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর। ২০২৫ সালে এবং ২০২৬ সালে। ডঃ ইউনুস ২০১৩ সালে সমকামীদের সমর্থনে বিবৃতি দেওয়ার কারণে বাংলাদেশে প্রচুর সমালোচিত হয়েছিলেন সেসময়।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।