আন্তর্জাতিক
কুয়েতের আকাশে মার্কিন এফ–১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের দাবি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান–এর মিসাইল হামলায় কুয়েতের আকাশে এফ–১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় থাকা যুদ্ধবিমানটি হঠাৎ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নিচে পড়ে যেতে দেখা গেছে।
ভিডিও ফুটেজে একজন পাইলটকে প্যারাসুটের সাহায্যে নিরাপদে বিমান থেকে বের হতে দেখা গেলেও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) এ ঘটনার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
এদিকে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রভাবশালী কর্মকর্তা আলি লারিজানি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র–এর সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপ করবে না তেহরান।
তিনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সেই প্রতিবেদনকেও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান পুনরায় আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী। লারিজানি বলেন, মার্কিন প্রশাসনের নীতি মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কুয়েতের আকাশে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন মোড়ে নিয়ে যেতে পারে। পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বর্তমানে কুয়েতসহ আশপাশের আকাশসীমায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
সর্বশেষ
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
কুয়েতের ‘ভুল’ নিশানায় যুক্তরাষ্ট্রের ৩ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে কুয়েতে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। সোমবার কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে ‘ভুলবশত’ ছোড়া গোলার আঘাতে এফ-১৫ই (F-15E) স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই তথ্য নিশ্চিত করে একে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা মিত্রবাহিনীর ভুল হিসেবে অভিহিত করেছে।

খামেনির কম্পাউন্ডে ৩০টি বোমা হামলার দাবি, ইরানে যৌথ অভিযান নিয়ে চাঞ্চল্য
ইসরায়েল–এর যুদ্ধবিমান থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–এর কম্পাউন্ড লক্ষ্য করে প্রায় ৩০টি বোমা ফেলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য প্রকাশ করে। হামলার ফলে ওই কম্পাউন্ডে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড ও ধ্বংসের ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সৌদি যুবরাজের চাপেই কি ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প?
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট–এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানে সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর ওপর মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশ সৌদি আরব–এর উচ্চপর্যায়ের চাপ ছিল। বিশেষ করে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানে হামলার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কাছে লবিং চালান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

খামেনিকে লক্ষ্য করে ৩০টি বোমা হামলার দাবি, ইরানে ব্যাপক ধ্বংসের তথ্য
ইসরায়েল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–কে লক্ষ্য করে প্রায় ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধবিমান থেকে এই হামলা চালানো হয় এবং এতে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও প্রশাসনিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র উল্লেখ করেছে।


.jpg)





