লাইফস্টাইল


হাজারো তরুনের অনুপ্রেরনা ফ্রি মোশন খ্যাত ফিরোজ হাসান


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার

হাজারো তরুনের অনুপ্রেরনা ফ্রি মোশন খ্যাত ফিরোজ হাসান

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক জনপ্রিয় মুখের নাম ফিরোজ হাসান। অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর ভিডিও শেয়ার করে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি।

একের পর এক মানবিক কাজ করে সকলের নজরে আসেন ফ্রি মোশন খ্যাত এই তরুন। পাশাপাশি অর্জন করেছেন তুমুল জনপ্রিয়তা।

ফিরোজ হাসানের জন্ম চাঁদপুরে। এসএসসি ও এইচএসসি শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসেন তিনি। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে ঢাকাতেই আছেন।

ছোট বেলা থেকে ঘুরতে ভালবাসেন তিনি।
বাইক নিয়ে পাহাড়, জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি  ফটোগ্রাফি করতে ভালোবাসেন ২৬ বছর বয়সী এই তরুন। পাশাপাশি করেন মানব সেবা।

গরিব মানুষদের সহযোগিতা করা তার সবসময়ের চাওয়া। আসা যাওয়ার পথে অসহায় মানুষদের সাহায্য  করে  মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন সকলের মনে। 

গরিব অসহায় ও  অবহেলিত পথশিশুদের  মুখে হাসি ফোটান  ফিরোজ হাসান। শুধু আর্থিক সাহায্য নয়, এসকল মানুষের স্বপ্ন পূরনের চেষ্টাও করেন তিনি।

বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ সহায়তার মধ্যমে পানি দূর্গতদের পাশে দাড়ান। এতিম বাচ্চাদের দুঃখ দূরীকরণে বাড়িয়ে দিয়েছেন সহযোগিতার হাত।

আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলেছেন কয়েকটি পরিবারকে। সমাজসেবক হয়ে গরিব অসহায়দের দূঃখ দূর করার মাধ্যমে নিজের আনন্দ খুজে নেন তিনি।

পথশিশু থেকে শুরু করে সমাজের গরিব, অসহায়দের কাছে ফিরোজ হাসান এখন স্বপ্নপুরনের নায়ক।

অন্যদের উৎসাহ প্রদানের জন্য মানবসেবার দৃশ্যগুলো একসময় ক্যামেরাবন্দি করে শুরু করেন ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করা।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে  নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করা শুরু করেন সেসকল ভিডিও।

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন  প্ল্যাটফর্ম সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারণা  শুরু করলে বেশ ইতিবাচক সাড়া পান তিনি।

ফিরোজ তার সকল কাজকেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন। ইউটিউবেও তার একটি চ্যানেল আছে।

এসব প্লাটফর্মে ভিডিও শেয়ার করে সমাজের অসহায় ও অবহেলিত মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে সবাইকে উৎসাহিত করেন তিনি।

এমন  সমাজসেবামুলক কাজের কারনে অধিকাংশ মানুষ তাকে  'ফ্রি মোশান' নামেই চেনে। সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করা অসংখ্য তরুণদেরই একজন এই ফিরোজ হাসান।

মূলত যতটা সম্ভব মানুষের জন্য কিছু করার প্রচেষ্টা থেকেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিজের ভিডিওগুলো আপলোড করেন।  

তবে তার ভিডিও তৈরির উদ্দেশ্য লোক দেখানো নয়, বরং মানবিক কাজে মানুষকে উৎসাহিত করা। সবসময় ক্যামেরার পিছনেই থাকেন তিনি।

তাই খুব কম মানুষেরই তার চেহারা দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। এমনকি কোন ভক্তের সেলফির আবদার মেটাতে চাইলেও খুলতে চাননা হেলমেট।

নিজের এমন কাজ সম্পর্কে ফিরোজ হাসান বলেন, "যখন কোনো অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করি তাদের মুখের হাসি আমাকে অন্যরকম এক প্রশান্তি দেয়। যেটার কোনো বিনিময় নেই। 

আমি যতটুকু পারি সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষকে সহযোগিতা করি। এছাড়াও ভিডিওর মাধ্যমে মানুষকে উৎসাহিত করি।"

অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর মতো কাজ করতে পারায় মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি। সেই সাথে মা বাবার প্রতিও করেছেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।

ইতিমধ্যে ফিরোজ হাসানের কাজ গুলো দেখে অনুপ্রানীত হয়ে তরুণ সমাজের অনেকেই বিভিন্নভাবে মানুষকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।




জনপ্রিয়


লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন

যেসব খাবার দিয়ে ইফতার শুরু করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

ইফতারে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পেটের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই সারা দিন রোজা রাখার পর এমন খাবার খাওয়া উচিত, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এবং গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে। এজন্য একজন ব্যক্তির জীবনধারা, বয়স ও বিদ্যমান রোগ অনুযায়ী ব্যক্তিনির্ভর খাদ্য পরিকল্পনা তৈরি করা উচিত।

ইফতারে মুড়িতে জিলাপি: এই বিতর্কের শেষ কোথায়?

জিলাপির ইতিহাস মুঘল আমল পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে মুড়ির সঙ্গে জিলাপি মেশানোর রীতি এসেছে পুরান ঢাকার ইফতার সংস্কৃতি থেকে এমন ধারণা অনেকের। চকবাজারের ইফতারে ঘিয়ে ভাজা বা শাহী জিলাপি মুড়ির সঙ্গে খাওয়ার চল বহু বছরের।

শীতের নিস্তেজ ত্বকে ফিরিয়ে আনুন হারানো লাবণ্য

শীতকাল মানেই নরম রোদ, শীতল বাতাস আর আরামদায়ক আবহ। তবে ত্বকের জন্য এই সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক দ্রুত তার স্বাভাবিক ময়েশ্চার হারাতে শুরু করে। ফলাফল ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, ফ্যাকাশে ও নিস্তেজ। আয়নায় তাকালে অনেকেরই মনে হয়, ত্বক যেন ত

কুসুম না সাদা অংশ—ডিমের কোনটা বেশি উপকারী?

ছোট–বড় সবারই প্রিয় খাবার ডিম। সকালের নাশতা হোক কিংবা ডায়েট চার্ট ডিম প্রায় সবার তালিকায় থাকে। তবে ওজন কমানো বা মাংসপেশি গড়ার কথা উঠলেই একটি প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসে ডিমের কুসুম খাব, নাকি শুধু সাদা অংশই যথেষ্ট? অনেকেই কোলেস্টেরলের ভয়েই কুসুম ফেলে দেন। কিন্তু পু