লাইফস্টাইল
শীতের নিস্তেজ ত্বকে ফিরিয়ে আনুন হারানো লাবণ্য
.jpg)
ছবি: সংগৃহীত
শীতকাল মানেই নরম রোদ, শীতল বাতাস আর আরামদায়ক আবহ। তবে ত্বকের জন্য এই সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক দ্রুত তার স্বাভাবিক ময়েশ্চার হারাতে শুরু করে। ফলাফল ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, ফ্যাকাশে ও নিস্তেজ। আয়নায় তাকালে অনেকেরই মনে হয়, ত্বক যেন তার প্রাণশক্তি হারিয়ে ফেলেছে।
এই সময়ে মেকআপ করেও অনেকের কাঙ্ক্ষিত উজ্জ্বলতা পাওয়া যায় না। বরং ত্বক আরও শুষ্ক ও প্যাচি দেখাতে পারে। ঠান্ডা বাতাস, গরম পানি দিয়ে গোসল, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং অনিয়মিত স্কিনকেয়ার সব মিলিয়ে শীতে ত্বকের পানিশূন্যতা আরও বেড়ে যায়।
তবে একটু সচেতন যত্ন, সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন এবং উপযুক্ত পণ্যের ব্যবহারে শীতকালেও ত্বকের হারানো লাবণ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
শীতকালে ত্বকের যত্নের প্রথম ধাপ হওয়া উচিত মৃদু কিন্তু কার্যকর ক্লিনজিং। এমন ক্লিনজার বেছে নেওয়া প্রয়োজন, যা ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি স্বাভাবিক আর্দ্রতাও বজায় রাখে। অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত বা হার্শ ক্লিনজার ত্বককে আরও শুষ্ক করে তুলতে পারে, তাই সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
ক্লিনজিংয়ের পর টোনার ও হালকা সিরাম ব্যবহার করলে ত্বক ভালোভাবে হাইড্রেটেড থাকে এবং পরবর্তী স্কিনকেয়ার ধাপের জন্য প্রস্তুত হয়। তবে এই রুটিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সঠিক ময়েশ্চারাইজার নির্বাচন।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও গভীরভাবে হাইড্রেশন নিশ্চিত করতে ভ্যাসলিন গ্লুটা হায়া ডিউই রেডিয়েন্স হতে পারে একটি কার্যকর সমাধান। এতে থাকা গ্লুটা গ্লো টেকনোলজি ভিটামিন সি-এর চেয়েও ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী, যা ত্বকের নিস্তেজ ভাব কমিয়ে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
এ ছাড়া হায়ালুরন ত্বককে গভীরভাবে হাইড্রেটেড রাখে এবং এর ১০ গুণ অ্যাকটিভ নিয়াসিনামাইড ত্বকের টোন সমান করে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে ওঠে ডিউই, সফট ও প্রাণবন্ত যা সারা দিন ধরে সতেজ অনুভূতি দেয়। এই লোশন শুধু শীতকালেই নয়, বছরজুড়েই ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন হালকা এক্সফোলিয়েশন করলে ত্বকের মৃত কোষ দূর হয় এবং স্বচ্ছতা বাড়ে। এতে স্কিনকেয়ার পণ্যগুলোও ভালোভাবে শোষিত হতে পারে। তবে অতিরিক্ত স্ক্র্যাব বা কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েন্ট ব্যবহার করলে ত্বক সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে, এমনকি লালচে ভাব বা জ্বালাপোড়াও দেখা দিতে পারে। তাই ত্বকের ধরন অনুযায়ী পণ্য বেছে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
শীতকালীন নিস্তেজ ত্বক মানেই যে উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাবে, তা নয়। পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ঘুম এবং মানসিক চাপ কম রাখাও ত্বকের স্বাভাবিক গ্লো বজায় রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।
সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং কার্যকর পণ্যের নিয়মিত ব্যবহারে সহজেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব ত্বকের হারানো লাবণ্য। একটু যত্ন আর সচেতনতায় শীতকাল হোক বা বছরজুড়ে ত্বক থাকবে উজ্জ্বল, মসৃণ ও প্রাণবন্ত।
জনপ্রিয়
লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
যেসব খাবার দিয়ে ইফতার শুরু করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
ইফতারে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পেটের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই সারা দিন রোজা রাখার পর এমন খাবার খাওয়া উচিত, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এবং গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে। এজন্য একজন ব্যক্তির জীবনধারা, বয়স ও বিদ্যমান রোগ অনুযায়ী ব্যক্তিনির্ভর খাদ্য পরিকল্পনা তৈরি করা উচিত।

ইফতারে মুড়িতে জিলাপি: এই বিতর্কের শেষ কোথায়?
জিলাপির ইতিহাস মুঘল আমল পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে মুড়ির সঙ্গে জিলাপি মেশানোর রীতি এসেছে পুরান ঢাকার ইফতার সংস্কৃতি থেকে এমন ধারণা অনেকের। চকবাজারের ইফতারে ঘিয়ে ভাজা বা শাহী জিলাপি মুড়ির সঙ্গে খাওয়ার চল বহু বছরের।
.jpg)
কুসুম না সাদা অংশ—ডিমের কোনটা বেশি উপকারী?
ছোট–বড় সবারই প্রিয় খাবার ডিম। সকালের নাশতা হোক কিংবা ডায়েট চার্ট ডিম প্রায় সবার তালিকায় থাকে। তবে ওজন কমানো বা মাংসপেশি গড়ার কথা উঠলেই একটি প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসে ডিমের কুসুম খাব, নাকি শুধু সাদা অংশই যথেষ্ট? অনেকেই কোলেস্টেরলের ভয়েই কুসুম ফেলে দেন। কিন্তু পু
.jpg)
বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ টাকা, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ!
পরিবার গঠনে তরুণদের উৎসাহিত করতে অভিনব আর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আল হাবতুর গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো আমিরাতি কর্মী বিয়ে করলে পাবেন মোটা অঙ্কের আর্থিক অনুদান, আর বিয়ের পর সন্তান জন্ম দি
.webp)

.jpg)


.webp)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)