.jpg&w=3840&q=75)

শীতকাল মানেই নরম রোদ, শীতল বাতাস আর আরামদায়ক আবহ। তবে ত্বকের জন্য এই সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক দ্রুত তার স্বাভাবিক ময়েশ্চার হারাতে শুরু করে। ফলাফল ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, ফ্যাকাশে ও নিস্তেজ। আয়নায় তাকালে অনেকেরই মনে হয়, ত্বক যেন তার প্রাণশক্তি হারিয়ে ফেলেছে।
এই সময়ে মেকআপ করেও অনেকের কাঙ্ক্ষিত উজ্জ্বলতা পাওয়া যায় না। বরং ত্বক আরও শুষ্ক ও প্যাচি দেখাতে পারে। ঠান্ডা বাতাস, গরম পানি দিয়ে গোসল, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং অনিয়মিত স্কিনকেয়ার সব মিলিয়ে শীতে ত্বকের পানিশূন্যতা আরও বেড়ে যায়।
তবে একটু সচেতন যত্ন, সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন এবং উপযুক্ত পণ্যের ব্যবহারে শীতকালেও ত্বকের হারানো লাবণ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
শীতকালে ত্বকের যত্নের প্রথম ধাপ হওয়া উচিত মৃদু কিন্তু কার্যকর ক্লিনজিং। এমন ক্লিনজার বেছে নেওয়া প্রয়োজন, যা ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি স্বাভাবিক আর্দ্রতাও বজায় রাখে। অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত বা হার্শ ক্লিনজার ত্বককে আরও শুষ্ক করে তুলতে পারে, তাই সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
ক্লিনজিংয়ের পর টোনার ও হালকা সিরাম ব্যবহার করলে ত্বক ভালোভাবে হাইড্রেটেড থাকে এবং পরবর্তী স্কিনকেয়ার ধাপের জন্য প্রস্তুত হয়। তবে এই রুটিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সঠিক ময়েশ্চারাইজার নির্বাচন।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও গভীরভাবে হাইড্রেশন নিশ্চিত করতে ভ্যাসলিন গ্লুটা হায়া ডিউই রেডিয়েন্স হতে পারে একটি কার্যকর সমাধান। এতে থাকা গ্লুটা গ্লো টেকনোলজি ভিটামিন সি-এর চেয়েও ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী, যা ত্বকের নিস্তেজ ভাব কমিয়ে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
এ ছাড়া হায়ালুরন ত্বককে গভীরভাবে হাইড্রেটেড রাখে এবং এর ১০ গুণ অ্যাকটিভ নিয়াসিনামাইড ত্বকের টোন সমান করে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে ওঠে ডিউই, সফট ও প্রাণবন্ত যা সারা দিন ধরে সতেজ অনুভূতি দেয়। এই লোশন শুধু শীতকালেই নয়, বছরজুড়েই ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন হালকা এক্সফোলিয়েশন করলে ত্বকের মৃত কোষ দূর হয় এবং স্বচ্ছতা বাড়ে। এতে স্কিনকেয়ার পণ্যগুলোও ভালোভাবে শোষিত হতে পারে। তবে অতিরিক্ত স্ক্র্যাব বা কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েন্ট ব্যবহার করলে ত্বক সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে, এমনকি লালচে ভাব বা জ্বালাপোড়াও দেখা দিতে পারে। তাই ত্বকের ধরন অনুযায়ী পণ্য বেছে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
শীতকালীন নিস্তেজ ত্বক মানেই যে উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাবে, তা নয়। পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ঘুম এবং মানসিক চাপ কম রাখাও ত্বকের স্বাভাবিক গ্লো বজায় রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।
সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং কার্যকর পণ্যের নিয়মিত ব্যবহারে সহজেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব ত্বকের হারানো লাবণ্য। একটু যত্ন আর সচেতনতায় শীতকাল হোক বা বছরজুড়ে ত্বক থাকবে উজ্জ্বল, মসৃণ ও প্রাণবন্ত।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।


দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।