লাইফস্টাইল


প্রিয় দল হারলে মন ভালো করার ৭টি কার্যকর উপায়


দুরবীন ডেস্ক

দুরবীন ডেস্ক

প্রকাশিত:১৭ জুন ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার

প্রিয় দল হারলে মন ভালো করার ৭টি কার্যকর উপায়

ফুটবলপ্রেমীদের কাছে প্রিয় দলের পরাজয় অনেক সময় আবেগজনিত হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রিয় দলের জার্সি পরে খেলা দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে ম্যাচ উপভোগ এবং উচ্ছ্বাস ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ যেমন গভীর অনুভূতি তৈরি করে, তেমনি পরাজয়ের পর সেই আবেগই মন খারাপের রূপ নেয়।

 

বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য, সমালোচনা বা বিদ্রূপ দেখার পর হতাশা আরও বাড়তে পারে। তবে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই ধরনের আবেগ স্বাভাবিক হলেও তা দীর্ঘ সময় ধরে বহন না করে ইতিবাচকভাবে কাটিয়ে ওঠা গুরুত্বপূর্ণ।

 

প্রিয় দলের পরাজয়ের পর মানসিক চাপ কমিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যেতে পারে। নিচে এমন ৭টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো।

 

প্রথমত, নিজের অনুভূতিকে সময় দেওয়া জরুরি। ম্যাচ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার চেষ্টা না করে কষ্ট বা হতাশাকে গ্রহণ করা উচিত। কিছু সময় একা থাকলে ধীরে ধীরে আবেগ হালকা হয়ে আসে।

 

দ্বিতীয়ত, মনে রাখতে হবে ফুটবল একটি খেলা। বড় দলও কখনো কখনো পরাজিত হয়। একটি ম্যাচের ফলাফল ব্যক্তিগত জীবন বা সাফল্যকে নির্ধারণ করে না।

 

তৃতীয়ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে কিছু সময় দূরে থাকা উপকারী হতে পারে। ম্যাচের পরের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট বা নেতিবাচক মন্তব্য মন খারাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

 

চতুর্থত, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো বা আড্ডা দেওয়া মানসিক স্বস্তি এনে দিতে পারে। একই দলের সমর্থকদের সঙ্গে অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া অনেক সময় চাপ কমায়।

 

পঞ্চমত, পুরো ম্যাচের ভালো মুহূর্তগুলো মনে করা যেতে পারে। ভুল বা ব্যর্থতার পাশাপাশি ইতিবাচক মুহূর্তগুলোও দৃষ্টিতে রাখা মানসিক ভারসাম্য আনে।

 

ষষ্ঠত, নিজের পছন্দের কাজে মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বই পড়া, সিনেমা দেখা, হাঁটাহাঁটি বা অন্য কোনো শখে সময় দিলে মন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে।

 

সপ্তমত, সামনে নতুন ম্যাচ ও নতুন সম্ভাবনার কথা মনে রাখা দরকার। ফুটবলে জয় ও পরাজয় চলমান প্রক্রিয়া, তাই আশা ধরে রাখা সমর্থকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

 

ফুটবলের সৌন্দর্য কেবল জয়ের আনন্দে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আবেগ, সমর্থন এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে প্রিয় দলের পাশে থাকার মধ্যেই এর আসল গুরুত্ব নিহিত থাকে।

 


সম্পর্কিত

ফুটবলমানসিক স্বাস্থ্যখেলাধুলা

জনপ্রিয়


লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন

টুথপেস্ট থেকেও শরীরে ঢুকছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, কতটা ঝুঁকিতে আপনি?

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ টুথপেস্টেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি। এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) এক গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই রয়েছে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা। উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য তৈরি ৬টি টুথপেস্টের মধ্যে ৪টিতেও মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

অস্ট্রেলিয়ায় সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা নিয়ে সাম্প্রতিক এক বিতর্ক বিশ্বজুড়ে ভোক্তাদের মধ্যে নতুন করে সচেতনতা তৈরি করেছে। দেশটির ভোক্তা অধিকার সংস্থা চয়েস (Choice)-এর এক অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, পরীক্ষায় ২০টি জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টিই তাদের লেবেলে উল্লেখ করা এসপিএফ (SPF) সুরক্ষা দিতে পারেনি। এ ঘটনার পর বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যেও প্রশ্ন উঠেছে, কোনো সানস্ক্রিনের গায়ে SPF 50 লেখা থাকলেই সেটি প্রত্যাশিত সুরক্ষা নিশ্চিত করে কি না।

নাদিয়া আফরোজের প্রশিক্ষণে সুপার অ্যাডভান্সড মেকআপ মাস্টার ক্লাস ১৮ আগস্ট

মেকআপ শিল্পে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিউটি উদ্যোক্তা হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য একদিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে ফ্যান্সী বিউটি ইনস্টিটিউট অ্যান্ড টেকনোলজি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মেকআপ আর্টিস্ট নাদিয়া আফরোজের প্রশিক্ষণে আগামী ১৮ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে ‘একদিনের এক্সক্লুসিভ সুপার অ্যাডভান্সড মেকআপ মাস্টার ক্লাস’।

অ্যালোভেরার পুষ্টিতে ত্বকের যত্নে নতুন আস্থা, বাজারে ফ্যান্সী স্কিন ক্রিম

ব্যস্ত জীবনযাত্রা, ধুলাবালি ও পরিবেশদূষণের কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সজীবতা ধরে রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাজারে এসেছে প্রিমিয়াম মানের ফ্যান্সী অ্যালোভেরা স্কিন ক্রিম, যা ত্বকের গভীরে পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে ত্বককে সতেজ ও কোমল রাখতে সহায়তা করে বলে জানিয়েছে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।