রাজনীতি


ভোটগ্রহণ শেষ, এবার ফলের অপেক্ষা, কে জিততে যাচ্ছে ঢাকা-১৭ আসনের উপ নির্বাচনে?


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১৭ জুলাই ২০২৩, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার

ভোটগ্রহণ শেষ, এবার ফলের অপেক্ষা, কে জিততে যাচ্ছে ঢাকা-১৭ আসনের উপ নির্বাচনে?
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের ৭৮টি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট শেষ হয়েছে বিকেল ৪টায়। 

ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি খুব বেশি ছিল না। ভোট শুরুর পর থেকে বিকেল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকলেও বিকেল ৪টার কিছু আগে একতারা প্রতীকের প্রার্থী হিরো আলমকে মারধর করা হয়। এছাড়া স্থানীয় সরকারের বাকি যে নির্বাচনগুলো হয়েছে সেখানে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে এখন ভোটগণনার পালা। ব্যালট পেপারে ভোট হওয়ায় ভোটের ফলাফল জানতে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে বলে ইসি সুত্রে জানা গেছে। 

 ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচন ও ৭৮টি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ভোটগ্রহণের সার্বিক পরিস্থিতি সরাসরি সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে স্থাপিত পর্যবেক্ষণকেন্দ্র থেকে ভোটের পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছেন নির্বাচন কমিশনাররা।

এদিকে ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে ভোটের পরিবেশ ভালো ছিল বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) বেগম রাশেদা সুলতানা। রাশেদা সুলতানা বলেন, আমি বনানী বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। দু’একটা কক্ষ দেখেছি। সেখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি দেখেছি। এজেন্ট আছে একটা প্রার্থীর, সেটা দেখেছি। প্রিজাইডিং অফিসার বলেছেন- কিছু কিছু এজেন্টের তালিকা এখনো আসেনি, হয়তো পৌঁছাবে। ভোটের পরিবেশ ভালো, তেমন কিছু নজরে আসেনি। সিসি ক্যামেরায় অনিয়ম দেখিনি। পরিবেশ ভালো।

এদিকে সকালে বনানী মডেল স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম অভিযোগ করেন কেন্দ্রগুলো থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। একই ধরনের অভিযোগ করে ভোট বর্জন করেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী তরিকুল ইসলাম।  

ভোট বর্জন করে তরিকুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রগুলোতে ভোটার নেই, শুধু একটি নির্দিষ্ট দলের লোকজন আছে সবখানে। অন্য কোনো প্রার্থীর এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

হিরো আলমের অভিযোগের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেছেন, যথাযথ ফরম পূরণ করে এজেন্টদের কেন্দ্রে পাঠাননি একতারা প্রতীকের প্রার্থী। নির্বাচনের একটি নিয়ম-বিধি আছে। সেটা মানেননি হিরো আলম। এজন্য তার এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

 
এবারের ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাকের পার্টির মো. রাশিদুল হাসান, আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আকতার হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ও মো. তারেকুল ইসলাম ভূঞা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. রেজাউল ইসলাম স্বপন, তৃণমূল বিএনপি’র শেখ হাবিবুর রহমান এবং জাতীয় পার্টির সিকদার আনিসুর রহমান।  

উল্লেখ্য, গত ১৫ মে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়। 


সম্পর্কিত

আওয়ামী লীগনির্বাচন কমিশন

জনপ্রিয়


রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

জামায়াত আমিরের পোস্ট: কী লিখলেন ডা. শফিকুর রহমান?

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে ঘিরে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে এবার এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আমার কিছু হলে এর দায় ভরসা ও বিএনপিকে নিতে হবে: আখতার হোসেন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজ নির্বাচনী এলাকা রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া) আসনের হারাগাছে প্রথম সফরে যাচ্ছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তার এই সফরকে ঘিরে হারাগাছে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে পৌর বিএনপি। এতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে এগিয়ে যারা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ আসনে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ভাগে ৫০টির মধ্যে ৩৭টি সংরক্ষিত নারী আসন আসতে পারে। নির্বাচন কমিশন রমজান মাসের মধ্যেই এ নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে।

নির্বাচনের পর অন্তত ১৫ জেলায় খুলেছে আওয়ামী লীগ কার্যালয়, বাড়ছে রাজনৈতিক আলোচনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বন্ধ থাকা কার্যালয়গুলো পুনরায় খোলার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা এসব কার্যালয় খুলে দিচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এ পর্যন্ত অন্তত ১৫টি জেলায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।