রাজনীতি
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা

ছবি: দূরবীন নিউজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তালিকায় সেলিমা রহমান, নিপুণ রায় চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম তুলিসহ মোট ৩৬ জনের নাম রয়েছে।
সোমবার দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী বাছাইয়ে জাতীয় কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার নেন। পরে মনোনয়ন বোর্ড চূড়ান্তভাবে ৩৬ জনকে মনোনীত করে।
দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রায় এক হাজার ২৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হলেও জমা পড়ে প্রায় ৯০০টি। সেখান থেকে যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হয়।
মনোনয়নপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা, রেজেকা সুলতানা ও নাদিয়া পাঠান পাপন।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত
এর আগে রোববার রাতে জাতীয় সংসদে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বৈঠকে বসে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, ত্যাগী, যোগ্য ও সক্রিয় নারী নেত্রীদের সমন্বয়ে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
প্রার্থী বাছাইয়ের অংশ হিসেবে রাজধানীর গুলশানে দলীয় কার্যালয়ে ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। সেখানে প্রার্থীরা তাঁদের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ-এর তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং তা নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আসন বণ্টনে বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামী জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একটি আসন পাবে।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কোনো ছাড় নয়: ডা. শফিকুর রহমান
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে জনগণ গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা হারাবে এবং সরকারকে ধিক্কার দেবে। এ অবস্থায় জনগণের ধিক্কারের পাত্র হতে বিরোধীদল রাজি নয়।

‘জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় রাজনীতিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের ‘জুলাই চেতনা’কে পুঁজি করে কেউ দীর্ঘদিন রাজনীতি বা ব্যবসা করতে পারবেন না। তিনি বলেন, যারা এমপি, মন্ত্রী বা উপদেষ্টা হওয়ার উদ্দেশ্যে জুলাইকে ব্যবহার করেছেন, তাদের এখনো আত্মসমালোচনার সুযোগ রয়েছে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে গণআন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থান হবে: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকারবিরোধী কর্মসূচি গণআন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিতে পারে। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু, অন্তরে ছলনা। জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের কথা বললেও তা করা হচ্ছে না। নাটক কম করেন প্রিয়।’

‘জুলাইয়ের ঐক্য ও শহীদ আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে প্রথম গাদ্দারি করেছে বিএনপি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেছেন, জুলাই আন্দোলনের যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তা প্রথম ভঙ্গ করেছে বিএনপি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনকে প্রথম বিকৃত করেছে বিএনপি এবং জুলাই ও শহীদ আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে প্রথম ‘গাদ্দারি’ও করেছে দলটি।









