ধর্ম
রমজানের ‘শেষ জুম্মা’ আজ
আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা। জুমাতুল বিদা মানে হলো রমজানের শেষ শুক্রবার বা শেষ জুম্মা। দিনটি মুসলিম বিশ্বে জুমাতুল বিদা নামে পরিচিত। ১৪৪৩ হিজরির শেষ জুম্মা আজ।
মুসলিম উম্মাহর কাছে এটি একটি পবিত্র দিন। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা দিনে জুম্মার নামাজে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ও রহমত কামনা করেন, ইবাদত-বন্দেগি করেন।
জুমা নামাজ শেষে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিরা বিশেষ দোয়া করে থাকেন। এছাড়া বিভিন্ন আমল ও নফল ইবাদতের মধ্যদিয়ে দিনটি পালন করা হয়। জুম্মার নামাজ শেষে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মুসলমানরা ক্ষমা ও রহমত কামনা করেন।
নামাজ শেষে মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তিসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মার জন্য দোয়া চেয়ে আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হবে।
বিশ্বনবীর হযরত মুহাম্মদ (সা.) শেষ শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বিশেষ ইবাদত করতেন। তার উম্মতরা এরই ধারাবাহিকতায় এই দিনে বাদ জুম্মা নফল নামাজ আদায় করেন ও বিশেষ মোনাজাত করেন।
এছাড়া এই দিনটিতে বিভিন্ন আমল ও নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করে থাকে। জুম্মার নামাজ শেষে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মুসলমানরা ক্ষমা ও রহমত কামনা করেন।
জনপ্রিয়
ধর্ম থেকে আরও পড়ুন
রোজা রেখে যে ১০টি কাজ আমাদের বর্জন করা উচিত
রমজান মাস কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকার নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং নৈতিক শিক্ষার মাস। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলেন, রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহভীতি (তাকওয়া) অর্জন করা, যা কোরআনেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে—
.jpg)
মাহে রমজান: শুধু রোজা নয়, এটি চরিত্র গঠনের মাস- আমরা কি চরিত্রও শুদ্ধ করছি?
রমজান কেবল ক্ষুধা ও তৃষ্ণা বর্জনের মাস নয়। এটি আত্মসংযম, ধৈর্য, সহানুভূতি এবং সামাজিক দায়বোধ বৃদ্ধির মাস। ইসলামের শিক্ষায় রোজা কেবল খাদ্য-বর্জনের জন্য নয়, বরং মানুষের চরিত্র গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

ইতিহাসে দ্বিতীয় রমজান: শাকহাবের প্রান্তরে মঙ্গোলীয় ঝঞ্ঝা প্রতিরোধ
৯১ হিজরির ১ রমজানে আন্দালুস বিজয়ের যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, তার প্রায় ছয় শতক পর ৭০২ হিজরির ২ রমজানে সিরিয়ার মাটিতে রচিত হয় আরেক মহাকাব্যিক অধ্যায়। এদিন ‘শাকহাবের যুদ্ধ’ (১৩০৩ খ্রি.) কেবল একটি সামরিক সংঘর্ষ ছিল না; এটি ছিল মুসলিম সভ্যতার টিকে থাকার প্রশ্নে এক চূড়ান্ত লড়াই।
.jpg)
ইফতার সামনে নিয়ে যে দোয়াগুলো পড়বেন
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার রোজাদারের জন্য এক বিশেষ আনন্দের মুহূর্ত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, “রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ একটি যখন সে ইফতার করে, আরেকটি যখন সে তার প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।” (তিরমিজি, হাদিস: ৭৬৬)
.jpg)
.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)