ধর্ম


সৌদি পৌঁছেছেন ৫০ হাজার হজযাত্রী


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০৪ জুন ২০২৩, ১২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার

সৌদি পৌঁছেছেন ৫০ হাজার হজযাত্রী

চলতি বছর এ পর্যন্ত সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ১৪ জন হজযাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯ হাজার ৮৯ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ৪০ হাজার ৯২৫ জন। এ পর্যন্ত ভিসা হয়েছে ৭৮ হাজার ৩২১ জন হজযাত্রীর।

রোববার হজ সম্পর্কিত প্রতিদিনের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ হজ বুলেটিনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত ৪ জন হজযাত্রী মারা গেছেন। এর মধ্যে তিন জন পুরুষ ও একজন নারী। সবশেষ ৩ জুন আলী হোসেন নামে এক ব্যক্তি মক্কাতে মারা যান।

এতে আরো বলা হয়, ৩ জুন রাত ১০টায় বাংলাদেশ হজ অফিস মক্কার কনফারেন্স কক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ) এবং প্রশাসনিক দলের দলনেতা মতিউল ইসলামের সভাপতিত্বে হজ প্রশাসনিক দলের নিয়মিত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কাউন্সিলর (হজ) জহিরুল ইসলাম, প্রশাসনিক দলের সদস্যরা, চিকিৎসক দলের দলনেতা এবং আইটি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে ২১ মে। শেষ হজ ফ্লাইট আগামী ২২ জুন। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ২ জুলাই আর শেষ ফিরতি ফ্লাইট ২ আগস্ট।


জনপ্রিয়


ধর্ম থেকে আরও পড়ুন

রোজা রেখে যে ১০টি কাজ আমাদের বর্জন করা উচিত

রমজান মাস কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকার নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং নৈতিক শিক্ষার মাস। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলেন, রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহভীতি (তাকওয়া) অর্জন করা, যা কোরআনেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে—

মাহে রমজান: শুধু রোজা নয়, এটি চরিত্র গঠনের মাস- আমরা কি চরিত্রও শুদ্ধ করছি?

রমজান কেবল ক্ষুধা ও তৃষ্ণা বর্জনের মাস নয়। এটি আত্মসংযম, ধৈর্য, সহানুভূতি এবং সামাজিক দায়বোধ বৃদ্ধির মাস। ইসলামের শিক্ষায় রোজা কেবল খাদ্য-বর্জনের জন্য নয়, বরং মানুষের চরিত্র গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

ইতিহাসে দ্বিতীয় রমজান: শাকহাবের প্রান্তরে মঙ্গোলীয় ঝঞ্ঝা প্রতিরোধ

৯১ হিজরির ১ রমজানে আন্দালুস বিজয়ের যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, তার প্রায় ছয় শতক পর ৭০২ হিজরির ২ রমজানে সিরিয়ার মাটিতে রচিত হয় আরেক মহাকাব্যিক অধ্যায়। এদিন ‘শাকহাবের যুদ্ধ’ (১৩০৩ খ্রি.) কেবল একটি সামরিক সংঘর্ষ ছিল না; এটি ছিল মুসলিম সভ্যতার টিকে থাকার প্রশ্নে এক চূড়ান্ত লড়াই।

ইফতার সামনে নিয়ে যে দোয়াগুলো পড়বেন

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার রোজাদারের জন্য এক বিশেষ আনন্দের মুহূর্ত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, “রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ একটি যখন সে ইফতার করে, আরেকটি যখন সে তার প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।” (তিরমিজি, হাদিস: ৭৬৬)