.jpg&w=3840&q=75)

৯১ হিজরির ১ রমজানে আন্দালুস বিজয়ের যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, তার প্রায় ছয় শতক পর ৭০২ হিজরির ২ রমজানে সিরিয়ার মাটিতে রচিত হয় আরেক মহাকাব্যিক অধ্যায়। এদিন ‘শাকহাবের যুদ্ধ’ (১৩০৩ খ্রি.) কেবল একটি সামরিক সংঘর্ষ ছিল না; এটি ছিল মুসলিম সভ্যতার টিকে থাকার প্রশ্নে এক চূড়ান্ত লড়াই।
আইন জালুতের যুদ্ধ–এ সুলতান সাইফউদ্দিন কুতুজের নেতৃত্বে বড় বিজয় অর্জিত হলেও সিরিয়া–মিশর দখলের মঙ্গোল আকাঙ্ক্ষা শেষ হয়নি।
আল-নাসির মুহাম্মদ ইবনে কালাউনগাজান খানএক বিশাল বাহিনী পাঠান সেনাপতি কুতলুশাহর নেতৃত্বে। তারা হামা দখল করে দামেস্কের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়। মুসলিম জাহান তখন অনিশ্চয়তার প্রান্তে।
তাকিউদ্দিন ইবনে তাইমিয়া। তাঁর ভূমিকা ছিল তিন দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ-
১. বিভ্রান্তি নিরসন: মঙ্গোলরা নিজেদের মুসলিম দাবি করায় কিছু সৈন্য দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। ইবনে তাইমিয়া ফতোয়া দেন ইসলামের মৌলিক বিধান লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বৈধ।
২. মনোবল সঞ্চার: তিনি সৈন্যদের মাঝে ঘুরে আত্মবিশ্বাস জাগান। বিজয়ের বিষয়ে তাঁর দৃঢ় উচ্চারণ ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।
৩. সক্রিয় অংশগ্রহণ: যুদ্ধের শক্তি সঞ্চয়ের জন্য রমজানে রোজা ভাঙা জায়েজ বলে তিনি নিজেই সামনে খাবার গ্রহণ করেন এবং দামেস্ক বাহিনীর পতাকাতলে অবস্থান নেন।
৭০২ হিজরির ২ রমজান, দামেস্কের দক্ষিণে শাকহাব প্রান্তরে দুই বাহিনী মুখোমুখি হয়। মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন সুলতান আল-নাসির মুহাম্মদ; সঙ্গে ছিলেন আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাকফি বিল্লাহ।
যুদ্ধের শুরুতে মঙ্গোলরা প্রচণ্ড আক্রমণে মুসলিম বাহিনীর ডানদিক ভেঙে দেয়। তবে সুলতানের অটল অবস্থান সৈন্যদের নতুন উদ্দীপনা জোগায়। সূর্যাস্তের পর মঙ্গোলরা পশ্চাদপসরণ করে; পরদিন পলায়নকালে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়। এই বিজয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে মঙ্গোল আগ্রাসনের বড় হুমকি স্তিমিত হয়ে পড়ে।
ট্যুরের যুদ্ধনামে পরিচিত পশ্চিম ইউরোপে ইসলামের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়। ঐতিহাসিকরা উল্লেখ করেন, ওই যুদ্ধের প্রভাব বহু বছর স্থায়ী ছিল।
গুস্তাভ লে বনতাঁর গ্রন্থে আরব সভ্যতার বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতি নিয়ে মন্তব্য করেন, যা ইউরোপীয় পুনর্জাগরণের পূর্বসূত্র হিসেবে বিবেচিত।
আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানখেলাফতের বায়াত গ্রহণ করেন; প্রশাসনিক সংস্কার ও আরবি ভাষার দাপ্তরিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেন।
উকবা ইবনে নাফিউত্তর আফ্রিকায় কায়রোয়ান নগরীর ভিত্তি স্থাপন করেন।
৭৪ হিজরি: উত্তর আফ্রিকায় কার্থেজ বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাইজেন্টাইন প্রভাবের অবসান ঘটে।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।