ধর্ম
ইফতারের সময় পাঠ করার দোয়া
.jpg)
ছবি: সংগৃহীত
রমজান মাসে ইফতারের সময় দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। হাদিসে এসেছে, ইফতারের মুহূর্তে রোজাদারের দোয়া আল্লাহ তাআলা ফিরিয়ে দেন না।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৭৫২)
ইফতারের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) যে দোয়া পাঠ করতেন, তা ইবনু উমার (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, নবী করিম (সা.) ইফতারের সময় বলতেন-
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
উচ্চারণ:
জাহাবায-জামাউ, ওয়াবতাল্লাতিল উ’রুকু, ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।
অর্থ:
(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান, সওয়াব স্থির হলো। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৩৫৭)
ইফতারের সময় এ দোয়া পাঠের পাশাপাশি নিজের প্রয়োজন, ক্ষমা ও রহমতের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করা উত্তম। এই সময়টি রোজাদারের জন্য বিশেষ বরকতময়।
জনপ্রিয়
ধর্ম থেকে আরও পড়ুন
রোজা রেখে যে ১০টি কাজ আমাদের বর্জন করা উচিত
রমজান মাস কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকার নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং নৈতিক শিক্ষার মাস। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলেন, রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহভীতি (তাকওয়া) অর্জন করা, যা কোরআনেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে—
.jpg)
মাহে রমজান: শুধু রোজা নয়, এটি চরিত্র গঠনের মাস- আমরা কি চরিত্রও শুদ্ধ করছি?
রমজান কেবল ক্ষুধা ও তৃষ্ণা বর্জনের মাস নয়। এটি আত্মসংযম, ধৈর্য, সহানুভূতি এবং সামাজিক দায়বোধ বৃদ্ধির মাস। ইসলামের শিক্ষায় রোজা কেবল খাদ্য-বর্জনের জন্য নয়, বরং মানুষের চরিত্র গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

ইতিহাসে দ্বিতীয় রমজান: শাকহাবের প্রান্তরে মঙ্গোলীয় ঝঞ্ঝা প্রতিরোধ
৯১ হিজরির ১ রমজানে আন্দালুস বিজয়ের যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, তার প্রায় ছয় শতক পর ৭০২ হিজরির ২ রমজানে সিরিয়ার মাটিতে রচিত হয় আরেক মহাকাব্যিক অধ্যায়। এদিন ‘শাকহাবের যুদ্ধ’ (১৩০৩ খ্রি.) কেবল একটি সামরিক সংঘর্ষ ছিল না; এটি ছিল মুসলিম সভ্যতার টিকে থাকার প্রশ্নে এক চূড়ান্ত লড়াই।
.jpg)
ইফতার সামনে নিয়ে যে দোয়াগুলো পড়বেন
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার রোজাদারের জন্য এক বিশেষ আনন্দের মুহূর্ত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, “রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ একটি যখন সে ইফতার করে, আরেকটি যখন সে তার প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।” (তিরমিজি, হাদিস: ৭৬৬)
.jpg)

.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)