ধর্ম


দেওয়ানবাগ শরীফে বিশ্ব আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন অনুষ্ঠিত


সহ-সম্পাদক

শাহারিয়া নয়ন

প্রকাশিত:১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার

দেওয়ানবাগ শরীফে বিশ্ব আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজধানীর দক্ষিণ কমলাপুরে অবস্থিত দেওয়ানবাগ শরীফের কেন্দ্রীয় দরবার শরীফ বাবে মদীনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ৭৬তম শুভ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই মহতী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও বিশ্বের নানা দেশ থেকে আসা আশেকে রাসুল প্রতিনিধিবৃন্দ, ভক্ত ও মুক্তিকামী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এতে বক্তব্য প্রদান করেন দেশের প্রখ্যাত আলেম-ওলামা, গবেষক ও খ্যাতিমান ইসলামি চিন্তাবিদগণ। বক্তারা তাদের আলোচনায় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রদর্শন এবং তার সুমহান আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনের আহ্বায়ক ইমাম ড. ফজল-এ-খোদা এবং ইমাম ড. মঞ্জুর-এ-খোদা তাদের বক্তব্যে বলেন, আশেকে রাসুল হওয়া কেবল নিছক আবেগের নাম নয়, বরং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুমহান আদর্শকে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে বাস্তব রূপদান করাই প্রকৃত আশেকে রাসুলের কাজ।
তারা আরও উল্লেখ করেন:  বর্তমান বিশ্বের অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা দূর করতে নবীজির প্রেম হৃদয়ে ধারণ করা অপরিহার্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রদর্শিত শান্তি, ন্যায়বিচার ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষাই মানবতার মুক্তির একমাত্র পথ। নবীপ্রেমকে কেবল হৃদয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে কর্মে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে।

দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ছিল পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশন ও বিশেষ আলোচনা সভা। অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

বক্তারা সমবেত ভক্তদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নবীজির দেখানো অহিংস ও শান্তিময় পথে চলাই হোক এই সম্মেলনের মূল অঙ্গীকার।

জনপ্রিয়


ধর্ম থেকে আরও পড়ুন

ঈদের দিন কী করবেন, কী এড়িয়ে চলবেন

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা আনন্দ, সম্প্রীতি ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য উপলক্ষ। তবে এই আনন্দঘন দিনে ইসলামের নির্ধারিত কিছু করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় রয়েছে, যা মেনে চলা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

জেনে নিন ফিতরা ও যাকাত কাদের দেওয়া উচিত, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

পবিত্র মাহে রমজানের শেষ সময়ে এসে মুসলমানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায় ফিতরা ও যাকাত আদায় করা। এই দুটি ইবাদত শুধু ব্যক্তিগত সম্পদ পরিশুদ্ধ করার মাধ্যমই নয়, বরং সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও মানবিক সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠার এক কার্যকর ব্যবস্থা।

২০৩০ সালে মুসলিমরা পালন করবেন ৩৬টি রোজা, ২০৩৩ সালে সম্ভব তিনটি ঈদ

পবিত্র রমজান মাসে সাধারণত মুসলিমরা ২৯ বা ৩০ দিন রোজা রাখেন। তবে বিশেষ বছরগুলিতে চন্দ্র ও গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির পার্থক্যের কারণে রোজার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। ২০৩০ সালে এমন ঘটনা ঘটবে, যেহেতু সেই বছরে দুইবার রমজান মাস পড়বে।

৬ মার্চ ২০২৬: আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সেহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।