.jpg&w=3840&q=75)

রমজান মাসে শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয় এ কথা একাধিক সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তবুও বাস্তবে দেখা যায়, রমজানেও অনেক মানুষ গুনাহে লিপ্ত হয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, শয়তান বন্দি থাকলে পাপ সংঘটিত হয় কীভাবে?
সহিহ বুখারি ও মুসলিমে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, রমজান এলে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয়।
তিরমিজির এক বর্ণনায় রয়েছে, রমজানের প্রথম রাতেই শয়তান ও অবাধ্য জিনদের বন্দি করা হয়। তখন একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দেয়, “হে কল্যাণের অন্বেষণকারী, এগিয়ে আসো; হে অকল্যাণের পথচারী, থেমে যাও।” প্রতি রাতেই আল্লাহ তাআলা বহু মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।
মুসনাদে আহমাদ ও নাসাঈর বর্ণনায় এসেছে, বিশেষ করে ‘মারাদাহ’ অর্থাৎ সবচেয়ে অবাধ্য ও শক্তিশালী শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয়।
এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম ইবনে খুজাইমা উল্লেখ করেন, এখানে সব শয়তান নয়; বরং বিদ্রোহী ও শক্তিশালী শয়তানদের বোঝানো হয়েছে।
প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ইবনে হাজার আসকালানি তাঁর ‘ফাতহুল বারি’ গ্রন্থে কয়েকটি ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন
ইমাম হালিমির মতে, যারা আকাশের সংবাদ চুরি করত, মূলত তাদেরই শিকলবন্দি করা হয়, তাও রমজানের রাতগুলোতে।
আরেক দল আলেম বলেন, রোজা, কোরআন তিলাওয়াত ও ইবাদতে ব্যস্ত থাকার কারণে মুমিনদের ওপর শয়তানের প্রভাব স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয়ে পড়ে।
অনেকের মতে, কেবল ‘মারাদাহ’ বা সবচেয়ে অবাধ্য শয়তানরাই বন্দি হয়।
বিখ্যাত তাফসিরকার আল-কুরতুবি এ প্রশ্নের উত্তরে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেছেন
প্রথমত:যারা প্রকৃত অর্থে শর্ত ও আদব মেনে রোজা রাখে, তাদের ক্ষেত্রে শয়তানের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। কিন্তু যারা শুধু না খেয়ে-না দেয়ে দিন পার করে, আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করে না, তাদের ওপর এই সুরক্ষা পুরোপুরি কার্যকর নাও হতে পারে।
দ্বিতীয়ত:সব শয়তান বন্দি হয় না; কেবল শক্তিশালী ও অবাধ্য শয়তানদের বন্দি করা হয়।
তৃতীয়ত:গুনাহের উৎস কেবল শয়তান নয়। আরও কিছু কারণ রয়েছে
মানুষের নিজের নফস বা প্রবৃত্তি
দীর্ঘদিনের বদভ্যাস
মানুষরূপী শয়তান অর্থাৎ দুষ্ট লোকজন, যারা অন্যকে কুকর্মে প্ররোচিত করে
এ বিষয়েও আলেমদের মধ্যে দুই ধরনের ব্যাখ্যা রয়েছে। কাজি ইয়াজসহ একদল আলেমের মতে, এটি আক্ষরিক অর্থেই ঘটে। আল্লাহ ফেরেশতাদের মাধ্যমে শয়তানের অনিষ্ট থেকে মানুষকে রক্ষা করেন।
অন্যদিকে ইবনে আবদুল বারসহ অনেক আলেম বলেন, এটি রূপক অর্থে বলা হয়েছে। অর্থাৎ রমজানে আল্লাহ মুমিনদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেন, ফলে শয়তানের প্রভাব কমে যায় এবং গুনাহের পথ কঠিন হয়ে পড়ে।
ইবনে আবদুল বার বলেন, শয়তানদের শিকলবন্দি করার অর্থ হলো আল্লাহ মুসলমানদের বড় ধরনের পাপ থেকে রক্ষা করেন এবং শয়তান সাধারণ সময়ের মতো সহজে তাদের প্রভাবিত করতে পারে না।
রমজানে শয়তানদের শিকলবন্দি করা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত সত্য। তা আক্ষরিক হোক বা রূপক উভয় ক্ষেত্রেই এর উদ্দেশ্য মানুষের জন্য নেকির পথ সহজ করা এবং গুনাহ থেকে বাঁচার সুযোগ বৃদ্ধি করা।
তবুও মানুষের নফস, অভ্যাস ও পরিবেশের প্রভাব পুরোপুরি বন্ধ হয় না। তাই আলেমদের মতে, রমজানকে কেবল রোজার মাস হিসেবে নয়; বরং আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস হিসেবে গ্রহণ করলে এই বিশেষ রহমতের পূর্ণ সুফল লাভ করা সম্ভব।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।