

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে । শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে ব্লুমুন ছাত্রাবাস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ।
মিজানুর রহমান পলাশ নামের ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শেষবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
ব্লুমুন আবাসিক ছাত্রাবাসের মালিক রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘৫ তলা ছাত্রাবাসের ২ তলায় থাকতেন পলাশ। রাত প্রায় ১২টার দিকে এক মেয়ে আমাকে ফোনে জানায়, আপনার মেসে পলাশ নামে একজন থাকে। ওর বাসা থেকে ফোন দিচ্ছে কিন্তু ফোন ধরছে না। একটু দেখেন তো ঘটনা কি? তার কিছুক্ষণ পর মেসের অপর এক ছাত্র জানায় পলাশ গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস দিয়েছে। দরজা ভেতর থেকে লাগানো ছিল। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখি ঘটনা সত্য। পরে পুলিশে অবহিত করলে রাত দেড়টার দিকে পলাশের মরদেহ পুলিশ থানায় নিয়ে যায়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘শুক্রবার মধ্যরাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীর মরদেহ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে পুলিশকে অবহিত করি। মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো বিষয়ে প্রচণ্ড অভিমান করে এই ঘটনা ঘটাতে পারেন পলাশ।’
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। মরদেহ উদ্ধার করে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অনেক আগেই মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসক নিশ্চিত করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন ‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে পলাশের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহতের স্বজনরা এসেছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


